<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107</id><updated>2011-11-28T01:42:35.313Z</updated><category term='গল্প'/><category term='নষ্টালজিয়া'/><category term='মিডিয়া'/><category term='স্মৃতিকথা'/><category term='কিচিরমিচির'/><category term='কবিতা'/><category term='পরিক্রমা'/><category term='বিয়ে সমাচার'/><category term='দিনলিপি'/><category term='সেক্স'/><category term='ছাগু'/><category term='চলচ্চিত্র'/><category term='ভাবনা'/><category term='প্রবাস জীবন'/><category term='নিজের কথা'/><category term='জরিপের গল্প'/><category term='সম্পাদনা'/><category term='অনুবাদ'/><category term='ধারাবাহিক'/><category term='ক্রিকেট'/><category term='আবজাব'/><category term='ভারতের দিনগুলো'/><category term='সিডর'/><category term='রাজনীতি'/><category term='প্রতিক্রিয়া'/><title type='text'>অলৌকিক হাসানের ব্লগ</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>94</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1088621132258746740</id><published>2011-07-30T16:55:00.004+01:00</published><updated>2011-07-30T16:57:40.892+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবজাব'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্মৃতিকথা'/><title type='text'>তারিয়ে তারিয়ে মৃত্যু ...</title><content type='html'>&lt;div class="content clearfix"&gt;আহ! আজ বয়সটা ৭৫ এ পা রাখলো। পচাত্তর বছর পূর্বে এ পৃথিবীতে এসেছিলাম। কতো কিছু দেখলাম, কতো বিশ্বাস হারালাম, কতো কিছু জানছি এখনো। ৭৫ বছর বয়সেও জানার শেষ নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার পরিচিত সবাই মরে গেছে। আমার বন্ধুরা সবাই মরে গেছে। আমি বেঁচে আছি। বেঁচে থাকা-র সুখ পাচ্ছি। আর কতো বছর বাঁচবো আমি? ২৫ বছর বয়স থেকে বলতাম, আমি ৮০ বছর বাঁচবো। সে িহসেবে আর মাত্র ৫ বছর বািক আছে আমার। আরো ৫ বছর বেঁচে থাকবো আমি।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;৫ বছর পর আমার মৃত্যুটা কেমন হবে? হুট করে মরে যাবো না ধীরে ধীরে? বন্ধুদের বেশিরভাগই হুট করে মরে গেছে। কেউ ঘুমের মধ্যে, কেউ হঠাৎ হার্ট এ্যাটাকে। সবাই বলে, এমন হুট করেই মরে যাওয়াটাই ভালো। পৃথিবীর মায়া কাটানো কঠিন। হুট করে মরে গেলে সবারই সুবিধা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি হুট করে মরে যেতে চাই না। ধীরে ধীরে মরতে চাই। আমি মৃত্যুটা উপভোগ করতে চাই তারিয়ে তারিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজকে এই ৭৫ বছর বয়সেই আমার মৃত্যু হোক। তবে মৃত্যুর আগে আমার পুরো জীবনটা রিওয়াইণ্ড করে দেখতে চাই। দেখা শেষ হলে ঠিক ৫ বছর পর আমার সম্পূর্ণ মৃত্যু ঘটুক। ৮০ বছর বয়সে আমার পূর্ণমৃত্যু ঘটুক। আমি ভেবে দেখেছি ৭৫ থেকে ৮০ এই ৫ বছরে আমার পুরো জীবন রিওয়াইণ্ড করে দেখা সম্ভব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;না, পুরোনো জীবনের কোনো কিছুই নতুন করে সাজাতে চাই না। শুধু দেখতে চাই ফিরে ফিরে। প্রিটেস্ট পরীক্ষায় দুই সাবজেক্টে ফেল করেছিলাম, জীবন িরওয়াইণ্ড করে সেই সাবজেক্টে পাশ করতে চাই না। শুধু দেখতে চাই আবার ফেল করা ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার কাছে স্মৃিত আনন্দময়। আমি কোন রাস্তায় হেঁটে েগছি, গ্রামে কোন গাছের তলায় ঘুমিয়েছি, প্রিয় মানুষদের সাথে আমার সখ্যতা, সব দেখতে চাই আবার। আমার ফেলে আসা জীবনটাকে আমি খুব ভালোবাসি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে দেখতে দেখতে আমার ৫ বছর কেটে যাবে। আমি পূর্ণ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার যাপিত জীবন হবে দুটি। একটি ৭৫ বছরের। আরেকটি ৫ বছরের পূর্ণাঙ্গ ৭৫ বছরের জীবন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1088621132258746740?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1088621132258746740/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1088621132258746740&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1088621132258746740'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1088621132258746740'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2011/07/blog-post.html' title='তারিয়ে তারিয়ে মৃত্যু ...'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-5333767595183275003</id><published>2011-05-23T11:38:00.002+01:00</published><updated>2011-06-04T19:15:48.874+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><title type='text'>ইয়াহু ... ম্যান সিটি ...</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-LeKPhJbC090/Tdo4oTIA9FI/AAAAAAAAATU/nO_9p1BkY6I/s1600/manc.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/-LeKPhJbC090/Tdo4oTIA9FI/AAAAAAAAATU/nO_9p1BkY6I/s1600/manc.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;আজ রবিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের শেষ ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। ম্যানচেস্টার  সিটি এবার দারুণ সাফল্যের সঙ্গে সিজন শেষ করলো। দেখা যাক তারা কী কী পেলো?&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;১। ৩৬ বছর পর এই প্রথম ম্যানসিটি কোনো কাপ জয়ের স্বাদ পেলো। এফ.এ কাপ।&lt;br /&gt;২। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। সিজনের শুরুতে আশা  করেছিলাম ২য় হবে। হতোও, কিন্তু চেলসির সঙ্গে পয়েন্ট সমান হওয়ায় গোল ডিফারেন্সে ম্যানসিটির ৩য় হতে হয়।&lt;br /&gt;৩। ৩য় স্থান অধিকার করায় আগামী সিজনে ইউরোপের এলিট ফুটবল টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়নস লীগে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে ম্যানসিটি। &lt;br /&gt;৪। ম্যানসিটির গোলরক্ষক, ইংলিশ ন্যাশনাল টিমের নাম্বার ১ গোলরক্ষক জো হার্ট  ৩৮ টি&lt;br /&gt;খেলার মধ্যে ১৭টি খেলায় ক্লিনশিট (কোনো গোল না খাওয়া) থাকায় গোল্ডেন  গ্লোব পুরষ্কার পেয়েছেন।&lt;br /&gt;৫। ম্যানসিটি তালিসমান কার্লোস তেভেজ প্রিমিয়ার লীগে মোট ২১ টি গোল করে  যৌথভাবে ম্যানইউ-র বারবাতোভের সঙ্গে গোল্ডেন বুট পুরষ্কার পাচ্ছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অথচ এ ম্যানসিটি নিয়ে কতোই না সমালোচনা। আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের শেখ  মনসুর এ ক্লাবটি কেনার পর থেকে টাকা ছড়াতে শুরু করেন। গুজব ছিলো মেসিকে  নাকি ব্লাঙ্ক চেক সেধেছিলো। মেসির পর কাকা। সাড়া দিয়েছিলো রবিনহো। ২০০৮-০৯  সিজনে সেই সময়ে বৃটিশ রেকর্ড ৩২.৫ মিলিয়ন অর্থব্যয়ে তাকে কেনা হয়। পুরো  সিজন মোটামুটি কেটে গেলে পরের সিজনে ম্যানসিটি তেভেজকে কিনে নেয়। এরপর আর  পিছে ফিরতে হয়নি ম্যানসিটিকে। ২০০৯-১০ সিজনে লীগে ১০ নম্বর পজিশন থেকে ৫  নম্বরে উন্নীত হয়। শেষ খেলায় টটেনহামের সঙ্গে হেরে যাওয়ায় চ্যাম্পিয়নশিপ  নিশ্চিত হয় না। উয়েফা কাপে অংশ নেয় ম্যানসিটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর আরো টাকা ছড়াতে শুরু করে ম্যানসিটি। যাকেই পছন্দ হয়েছে অর্থের বিনিময়ে  তাকেই কিনতে চেয়েছে ম্যানসিটি। ম্যানেজার পরিবর্তন হয়ে আসে ইটালির রবার্তো  মানচিনি। তিনি জেকো, তোরে, মিলনার, মারিও, কোলারব, বোয়েতাংসহ বেশকিছু  প্লেয়ার কেনেন, খরচ করেন মিলিয়ন পাউণ্ড। ম্যানসিটি হয়ে যায় বিশ্বের ধনী  ফুটবল ক্লাব। গত ৩ বছরে খরচ করেছে ৩০০ মিলিয়ন পাউণ্ড। গুজব উঠেছে ৮০ মিলিয়ন  দিয়ে কেনা পর্তুগালের রোনাল্ডোকে ১৫০ মিলিয়ন দিয়ে বেচার জন্য আলোচনা চলছে  ম্যানসিটির সঙ্গে রিয়ালের। অবশ্য ম্যানসিটি এ গুজব অস্বীকার করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতোসব কথা বলার কারণ হলো আমি ম্যানচেস্টার সিটি সাপোর্টার। কাড়ি কাড়ি অর্থ  যখন খরচ করা হচ্ছে তখন ফুটবল পণ্ডিতরা নাক সিটকাচ্ছিলেন। ছ্যা ছ্যা  ম্যানসিটির টাকা আছে তো কী হয়েছে? টাকা দিয়ে কি সব হয়? এইসব পণ্ডিতদের শরীর  চুলকাচ্ছিলো ম্যানসিটির মালিক একজন আরব শেখ বলে। কারণ রিয়াল মাদ্রিদ যে  কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে এই সিজনে কাকা আর রোনাল্ডোকে কিনে নিলো (যৌথভাবে ১৪০  মিলিয়ন, বাকিগুলোর হিসাব দরকার নাই,), চেলসির জাগরণ যে আব্রাহোমোভিচ টাকা  উড়িয়ে পেলেন, এসব যেন উদাহরণ না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইসব পণ্ডিতদের আমি তখন একটাই কথা বলেছিলাম, ভাই একটু সবুর করেন।  ম্যানসিটির মালিক আরব শেখ টাকা উড়ানোর পর লীগে ক্লাবের পজিশন ১০ থেকে ৫  হয়েছে। বর্তমান সিজনে ভালো শুরু করেছে। সো ক্লাব পজিটিভলি এগোচ্ছে। যেসব  প্লেয়ার কেনা হলো তারা কেউই একসঙ্গে খেলেননি (পুরোটিম প্রায় নতুনই)  কোনোদিন। একটু সবুর করুন। যদি অর্থ ব্যয় করে সাফল্য যদি না পায় তাহলেই বলা  যেতে পারে, অর্থ দিয়ে কিছু হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার যদি ক্ষমতা থাকে মেসিরে কেনার, আমি কেন কিনবো না? কোনো প্লেয়ারের দাম  বাজারে ২০ মিলিয়ন হলো, আর আমি যদি ভাবি তাকে দরকার, কেউ কিনে নেওয়ার আগেই  ৩০ মিলিয়ন দিয়ে কিনে ফেলি, তাহলে দোষটা কই? সেই প্লেয়ারকে দিয়ে যদি সাফল্য  আনতে পারি তাহলে তো আমার টাকার বিনিয়োগ ভালোদিকেই গেলো। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফুটবল পণ্ডিতরা সিজন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেননি। পণ্ডিতি করেই গেছেন।  যার উপযুক্ত জবাব এই সিজনে ম্যানসিটি দিয়েছে। ক্লাব প্রতিষ্ঠার পর এবারই  সর্বোচ্চ সাফল্য এসেছে। অবশ্যই টাকা খরচ করার পর। তবে ভুললে চলবে না এই  অর্থ ব্যয়ের পেছনে মেধা ও পরিশ্রম দুটোই ছিলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিবেশী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আমাদের NOISY NEIGHBOUR বলে থাকে। আমরা  তাতে মাইণ্ড খাই না। এই সিজনে তো অল্প NOISE করেছি, নেক্সট সিজনে NOISE আরো  হবে। দেখতে , থাকেন ... পণ্ডিতেরা ...&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-5333767595183275003?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/5333767595183275003/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=5333767595183275003&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/5333767595183275003'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/5333767595183275003'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='ইয়াহু ... ম্যান সিটি ...'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-LeKPhJbC090/Tdo4oTIA9FI/AAAAAAAAATU/nO_9p1BkY6I/s72-c/manc.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-403664781321313596</id><published>2010-09-15T15:19:00.002+01:00</published><updated>2011-06-04T19:16:27.429+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><title type='text'>সারাংশ ০১</title><content type='html'>রিয়েলিটি আর রোমান্টিসিজম পাশাপাশি চালিয়ে নেওয়া অনেক জটিল ব্যাপার। সংসারে  তেল-নুন-পেঁয়াজের হিসেব ঢুকে গেলে ভালোবাসা উড়ে যায় - এমন প্রচলিত  প্রবাদের পাশাপাশি এটাও সত্য তেল-নুনটার দরকার আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাকানো যাক, অনিন্দ্য আর আভার সংসারের দিকে। কিছুদিন পরেই বিয়ের এক বছর পূর্তি হবে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;অনিন্দ্য - বাস্তববাদী একটি তরুণ। অফিসে যন্ত্রের মতো কাজ করে। তবে  বাস্তববাদী হলেও তার মধ্যে রোমান্টিকতা একদমই কম নয়। ঠিক প্রয়োজনের  মুহূর্তেই সে রোমান্টিক - ১০০%।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অপরদিকে আভা - সারাক্ষণই বনলতা সেন কিংবা হৈমন্তী সেজে বসে আছে। স্বামীর  সোহাগী হয়ে জীবন কাটাতে চায়। প্রিয়-র চোখে দুনিয়া দেখতে কিংবা সারারাত  জোছনা খেয়ে থাকতে চায় - কী দরকার কোমর বেঁধে রান্না করা, হাত মাখিয়ে ভাত  খাওয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অফিসের প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত অনিন্দ্য রাতে ঘরে ফিরে খাবার পায় না।  প্রেমময়ী আভা যে সারাদিন তার কথা ভাবতে ভাবতে দিন পার করেছে। রান্না করার  ফুরসত কই? এবারের শীতে অনিন্দ্যকে একটি সোয়েটার বুনে দিতে হবে। কিন্তু ...  কিন্তু ... কোন রঙে যে তাকে মানায় ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খিদের জ্বালায় অনিন্দ্য মাঝরাতে লুকিয়ে দুই পিস বিস্কিট খুঁজেপেতে খেয়ে নেয়। আভা তখন ঘুমিয়ে, হয়তো অনিন্দ্যকেই স্বপ্ন দেখছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বপ্নে বুঁদ হয়ে থাকা আভা মাঝে মাঝে জেগে উঠে কিন্তু। এই তো ক’দিন আগেই  মাঝরাতে হুট করে জেগে উঠে জানাল, সে অনিন্দ্যর পা থেকে মোজার গন্ধ পাচ্ছে।  তারও ক’দিন আগে বুয়ার সঙ্গে একচোট হয়ে গেল সোফায় ধুলো লেগে থাকা নিয়ে।  অতিরিক্ত পরিষ্কার থাকার আভার এই বাতিকে অনিন্দ্য মাঝে মাঝে হাঁপিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়াও অনিন্দ্যর অফিসের যাওয়ার সময় মানিব্যাগ লুকিয়ে রাখা, চশমার কাঁচে  রঙিন কাগজ সেঁটে রাখা, উপযুক্ত আদর না পাওয়া পর্যন্ত টাই ধরে ঝুলে থাকা -  এসব খুনসুটি সারাক্ষণ লেগেই আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনিন্দ্য ভাবে, আভাকে স্বপ্নের রোমান্টিক ভুবন থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। নতুবা  তার অনুপস্থিতিতে তো আভা বাস্তবজীবনে হোঁচট খাবে। কিন্তু হায়! হোঁচট খেয়ে  গেল অনিন্দ্য নিজেই। গতকাল অফিসে প্রজেক্ট জমা দিয়েছিল। আজ অফিসে গিয়েই  জানতে পারল বস গম্ভীর হয়ে আছেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাকরি হারায় অনিন্দ্য। আভা ঘটনা জানতে পেরে চিৎকার করে উঠে, আমরা এখন খাব  কী? থাকব কোথায়? অনিন্দ্য চমকায় আভার এমন করে বাস্তবে ফিরে আসায়। মৃদুস্বরে  জানায়, গাছতলায় থাকা যায়, জোছনা খেয়ে থাকা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাস্তব বড়ই রূঢ়। ফ্ল্যাট ছেড়ে আভার সংসার নেমে আসে কমন টয়লেটে, শেয়ার্ড  কিচেনে। চাকরি খুঁজতে অনিন্দ্য বেরিয়ে যায় সকালে। আভাই তাকে ঠেলেঠুলে  পাঠিয়ে দেয় চশমা, মানিব্যাগ এগিয়ে। পাশের ভাড়াটিয়ার সঙ্গে চিৎকার হইহুল্লোড়  করে রান্না করে। কমন টয়লেটের জ্বালায় মোজার গন্ধ দূরে পালায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দিন গড়ালে, রাত পোহালে প্রথম বিবাহবার্ষিকী আসে। অনিন্দ্য রেস্টুরেন্টে  খেতে চায়, আভা চায় ঘরেই ভালোমন্দ কিছু খেয়ে পয়সা বাঁচাতে। অনিন্দ্যর জয় হয়,  বন্ধুর কাছ থেকে ধার করা গাড়িতে চড়ে রেস্টুরেন্টে যায় তারা। সেখান থেকে  যায় সেই বন্ধুর ফ্ল্যাটে। আভা আফসোস করে, ইস এরকম একটা ফ্ল্যাটে যদি থাকতে  পারতাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনিন্দ্য পকেট থেকে চাবি বের করে আভার হাতে তুলে দেয়। প্রথম  বিবাহবার্ষিকীতে এই ফ্ল্যাটটি সে আভাকে গিফট করে। তার চাকরি যায়নি।  প্রজেক্ট সাকসেস হওয়ায় বস তাকে মোটা বোনাস সহ হলিডে দেয়। তখনি সে চিন্তা  করে এই হলিডেতে আভাকে বাস্তবে ঘুরিয়ে আনবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আভা সব শুনে অনিন্দ্যর বুকে কিল মারে। অনিন্দ্য মৃদুস্বরে জানতে চায়,  আমাদের জোছনা খাওয়ার কী হবে। আভা মুখ তুলে বলে, খাব তো। তবে ভরপেট হয়ে,  ডেজার্ট হিসেবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-403664781321313596?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/403664781321313596/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=403664781321313596&amp;isPopup=true' title='7 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/403664781321313596'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/403664781321313596'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='সারাংশ ০১'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-6563943071323451963</id><published>2010-07-24T16:23:00.006+01:00</published><updated>2011-06-04T19:17:13.558+01:00</updated><title type='text'>আষাঢ়ের গপসপ - আপনার মাউসের ক্লিকের অপেক্ষায় ...</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Asharer%20Gopshop_thumb.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img alt="" border="0" height="253" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Asharer%20Gopshop_thumb.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;অনেকদিন থেকেই ইচ্ছে ছিলো একটি ইবুক করবো পুরো নিজ দায়িত্বে। এজন্য ‘প্রথম চাকরির প্রথম দিন’ শিরোনামে একটি বিষয়ও নির্বাচন করি। তবে ব্লগারদের কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় সেযাত্রায় কোনো ইবুক প্রকাশ করতে পারিনি। এদিকে বর্ষাও আসি আসি করছিলো, আমি পড়ছিলাম সুকুমার - খট করে ‘আষাঢ়ের গপসপ’ নামে একটি ইবুক করার আইডিয়া মাথায় জাগে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;এবারের ডাকে ব্লগাররা অনেকেই সাড়া দেন। তারা লেখা পাঠান। যদিও অনেক লেখাতেই আষাঢ়ে গল্পের মূলসুর মার খেলেও ইবুক প্রকাশের খাতিরে সবার লেখাই আমি গ্রহণ করি। তাই সম্পাদক বলে বাড়তি কোনো কাজ আমাকে করতে হয়নি। যথাসম্ভব চেষ্টা করেছি বানান শুদ্ধ রাখার জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমারব্লগ.কম এ নিয়মিতভাবে ইবুক প্রকাশ হয়। যদিও আমার তীব্র সন্দেহ রয়েছে ওইসব ইবুকগুলো ব্লগাররা আদৌ পড়েন কিনা। পুরোনো লেখা নতুন মোড়কে দিলেই সেটা পড়ার আগ্রহ জাগাবে এমনটা আমি ভাবি না। এজন্য বিষয়ভিত্তিক ইবুক প্রকাশের ক্ষেত্রে আমার ঝোঁক বেশি। এছাড়াও আমি বিশ্বাস করি ইবুক হতে হবে সুন্দর-নজরকাড়া। শাদামাটা টাইপের ইবুক আমার উল্টাতে মন চায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘আষাঢ়ের গপসপ’ ইবুকের জন্য অনেক কষ্ট করে প্রচ্ছদ এবং ইলাস্ট্রেশন করে দিয়েছেন কার্টুনিস্ট আরিফ এবং পুরো ইবুকটি ডিজাইন করেছেন গ্রাফিক্স ডিজাইনার মিশু। তাদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। ইবুকে ব্যবহৃত কৌতুকগুলো নেওয়া হয়েছে ব্লগার বেলের কাঁটার ব্লগ থেকে। তাকেও ধন্যবাদ। লেখাগুলো ইউনিকোড থেকে বিজয়ে রূপান্তরিত করতে সচলায়তনের মুর্শেদের লেখনী পরিবর্তক ব্যবহার করা হয়েছে। ধন্যবাদ মুর্শেদ। সবশেষে ব্লগারদের কাছেও কৃতজ্ঞ থাকছি অনেক ব্যস্ততার মাঝেও তারা লেখা পাঠিয়েছেন বলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইবুক প্রকাশে দেরি হওয়ার কারণ বিশ্বকাপ ফুটবল। এজন্য ক্ষমা চাইছি। আশা করছি সবাই ইবুকটি পড়বেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.e-bangladesh.org/wp-content/uploads/2010/07/Asharer-Gopshop.pdf"&gt;আষাঢ়ের গপসপ ডাউনলোড করুন। &lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে কোনো সমালোচনা সরাসরি প্রত্যাশা করছি। ইবুক পছন্দ হলে ফেসবুক সহ সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-6563943071323451963?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/6563943071323451963/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=6563943071323451963&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6563943071323451963'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6563943071323451963'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='আষাঢ়ের গপসপ - আপনার মাউসের ক্লিকের অপেক্ষায় ...'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1222655669744199275</id><published>2010-03-26T17:57:00.001Z</published><updated>2010-05-16T15:41:19.985+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেক্স'/><title type='text'>Durex বৃটিশ সেক্স সার্ভে ২০১০</title><content type='html'>১২,০০০ জনের উপর অনলাইন এ জরিপের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে বৃটিশ ট্যাবলয়েড &lt;a href="http://www.thesun.co.uk/sol/homepage/features/2907985/Britains-bedroom-secrets-laid-bare-in-sex-survey.html"&gt;দ্য সান&lt;/a&gt; পত্রিকায়। জরিপের চুম্বক অংশগুলো হচ্ছে -&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৩২.৫ শতাংশ বৃটিশ জনগণের মোট সেক্সুয়াল পার্টনার হলো ২-৫ জন যেখানে ১০০ এর উপর সেক্স পার্টনার ছিলো ১.৭ শতাংশ জনগণের।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নিয়মিত পর্ণো দেখে থাকেন ৮৫.২ শতাংশ বৃটিশ জনগণ এবং ৪৫.১ শতাংশ জনগণ ফোন সেক্স ভালোবাসেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৬৫ শতাংশ বৃটিশ জনগণ তাদের পার্টনারের সঙ্গে সেক্সুয়াল প্রতারণা করবেন না বলে জানিয়েছেন। &lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১ মিলিয়ন পাউণ্ড পেলে বৃটিশ জনগণের ২৯.৭ শতাংশ যে কারো সঙ্গে সেক্স করতে সম্মত জানিয়েছেন। ৫.৪ শতাংশ জানিয়েছেন বিশ্বকাপ ফুটবলের টিকিটের বিনিময়ে তারা সেক্স করবেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কনডম সাথে রাখার দায়িত্ব নারী-পুরুষ দুইজনেরই দায়িত্ব বলে মনে করেন ৮৩ শতাংশ বৃটিশ জনগণ।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২২ শতাংশ বৃটিশ জনগণ কনডম ব্যবহার করেন না, ৩৬ শতাংশ সবসময়ই করেন এবং ৪২ শতাংশ মাঝে মাঝে কনডম ব্যবহার করেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১৪.৫ শতাং বৃটিশ জনগণ স্বীকার করেন বর্তমান পার্টনারের সঙ্গে সেক্স করার সময় তারা তাদের প্রাক্তন পার্টনারের কথা চিন্তা করেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৬৭.২ শতাংশ জনগণ লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করেন যেখানে ৫৩.২ শতাংশ ভাইব্রেটর ব্যবহার করেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২৭ শতাংশ জনগণ তাদের কুমারীত্ব বিসর্জন দিয়েছেন ১৬ বছরের চেয়ে কম বয়সে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;এবার জরিপের পুরো চিত্রটি নীচের ছবিগুলোর সাথে জেনে নিন -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="284" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/01.JPG" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="263" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/02.JPG" width="357" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="265" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/03.JPG" width="355" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="309" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/04.JPG" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="586" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/05.JPG" width="393" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="586" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/06.JPG" width="381" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="400" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/07.JPG" width="393" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="585" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/08.JPG" width="357" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="397" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/09.JPG" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="400" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/10.JPG" width="400" /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1222655669744199275?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1222655669744199275/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1222655669744199275&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1222655669744199275'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1222655669744199275'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2010/03/durex.html' title='Durex বৃটিশ সেক্স সার্ভে ২০১০'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-8010940570532816530</id><published>2010-02-18T17:02:00.008Z</published><updated>2010-05-16T15:46:26.983+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>কীভাবে লিখবেন 'মুভি রিভিউ'</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Viva%20Japata.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img alt="" border="0" height="320" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Viva%20Japata.jpg" width="228" /&gt;&lt;/a&gt;মুভি রিভিউ লেখাটা বেশ কঠিন বলে জানি। এজন্যে কখনোই এ বিষয়ে চেষ্টা করিনি। &lt;a href="http://aloukik.amarblog.com/posts/36263"&gt;মাত্র একবারই এপথে পা মাড়িয়েছিলাম।&lt;/a&gt; সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্লগে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দিসহ বিভিন্ন মুভির রিভিউ পড়ে ভাবলাম মুভি রিভিউ কীভাবে লেখে? রিভিউতে কী কী থাকা উচিত? রিভিউতে কি ছবির বিষয়বস্তু বলে দেব? এতে ছবির দেখার আগ্রহ দর্শক/পাঠকদের কমে যাবে কিনা? ছবি ভালো না লাগলে কতোটুকু সমালোচনা করব? &lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;সমালোচকরা চিত্রনির্মাতা বা পরিচালকদের পরিচিতও হয়ে থাকেন। সমালোচনা লেখার সময় এ পরিচিতির বিষয়টি কতোটুকু বিব্রত করে? ছবির পাত্রপাত্রী যদি সমালোচকের পছন্দ না হয় তবে কতোটুকু নির্মোহ থাকা যায়? ছবির ট্যাগিং করে দেব - ট্র্যাজেডি, কমেডি, সামাজিক, আর্টফিল্ম (!) ইত্যাদি নামে? ছবির রিভিউ লেখার সময় ইতিহাস সম্পর্কে কতোটুকু জানতে হবে? &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরকম নানা হাবিজাবি অনেক কিছুই মুভি রিভিউ লিখতে গিয়ে আমাকে ভাবিয়েছে। ফেসবুকে টোকা, মেসেজ, ইমেইল ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান নাট্যপরিচালক/ ডিজিটাল সিনেমা নির্মাতাকে অনুরোধ করেছিলাম এ বিষয়ে একটি লেখা দিতে। ইচ্ছে ছিল আমারফিল্ম.কম এর উদ্বোধনী পাতায় তার লেখাটি থাকবে। তিনি আমার কোনো মাধ্যমেরই জবাব দেননি। তাই আমি নিজেই গুগল স্যারকে গুঁতিয়ে চেষ্টা করলাম - কীভাবে মুভি রিভিউ লিখতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Don%20Juan%20Demarko.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img alt="" border="0" height="260" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Don%20Juan%20Demarko.jpg" width="180" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;যে ছবির রিভিউ লিখবেন, প্রথমেই জেনে নিন ছবিটি সম্পর্কে&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;রিভিউ লেখার জন্য প্রথমেই একটি ছবিকে বেছে নিতে হবে। হতে পারে ছবিটি আপনি দেখে নিয়েছেন অথবা পত্রপত্রিকায় প্রচার, নিজের আগ্রহ অথবা অন্য যে কোনো কারণেই হোক ছবিটি আপনি দেখবেন বলে ঠিক করেছেন। এবার জানতে শুরু করুন ছবিটি সম্পর্কে। এ 'জানা' বলতে বোঝানো হচ্ছে ছবিটি নির্মাণের পেছনের কথা। এছাড়াও আর যেসব বিষয়গুলো জানা দরকার হতে পারে, &lt;br /&gt;= ঠিক কী উদ্দেশ্যে এর প্রযোজক/ পরিচালক ছবিটি নির্মাণে উৎসাহী হলেন।&lt;br /&gt;= ছবির পাত্রপাত্রী কারা এবং কেন তারা নির্বাচিত হলেন ছবিটিতে অভিনয়ের জন্যও সেটাও যতোদূর সম্ভব জেনে নেওয়া ভালো।&lt;br /&gt;= ছবির পুরো টিম এর আগে কোনো ছবি বানিয়েছিল কীনা এবং সেই ছবির সাফল্য/ ব্যর্থতা কেমন ছিল।&lt;br /&gt;= ছবিটি কি ইতিহাসনির্ভর অথবা কোনো জনপ্রিয় বই থেকে অনুপ্রাণিত&lt;br /&gt;= পূর্বে নির্মিত কোনো ছবির সিক্যুয়েল কিনা&lt;br /&gt;উপরের বিষয়গুলো নিয়ে একটু জানাশোনা থাকলে ছবির রিভিউর কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;একটিমাত্র বাক্যে ছবিটির সমালোচনা করা যায়?&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সমালোচনার নানা ঢং আছে। আপনার দেখা ছবিটিকে আপনি 'ভালো', 'সুন্দর', '৫ এর ভেতর ৩ কিংবা ৪', 'ঠিকাছে' নানাভাবে রেটিং করতে পারেন। এগুলো মূলত দর্শকরা করে থাকেন। কিন্তু আপনি যখন সমালোচনা লিখবেন তখন আরো একটু বিস্তারিতভাবে এগোতে হবে। প্রথমে একটি বাক্যে ছবিটির সমালোচনা করুন। উদাহরণ হিসেবে কোনো কমেডি ছবির ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে, &lt;i&gt;হাস্যরসাত্মক ছবিটিতে খুবই স্থূল কিছু বিষয় ব্যবহার করা হয়েছে যা বিরক্তির উদ্রেক ঘটিয়েছে।&lt;/i&gt; অথবা কোনো হরর ছবির ক্ষেত্রে বলতে পারেন, ছবিটির শেষ পর্যন্ত ভয়ের শিহরণ চালু ছিল এবং একেবারে শেষে বোঝা গেল কি ঘটেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তার মানে রিভিউ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই একটি বাক্যে ছবিটির সমালোচনা শুরু করে দেওয়া যায়। এরপরে আপনার এই ভাবনার পেছনের কারণগুলো বলতে শুরু করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;মূল সমালোচনার শুরুটা করুন দারুণভাবে&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;কোনো ছবি সম্পর্কে সমালোচনা লিখতে গিয়ে উপরের উল্লেখিত দুইটি প্যারার পরেই শুরু হয়ে যায় মূল পর্ব। এখন দরকার পাঠককে ধরে রাখা। যার জন্য এখানে পাঠককে আরো আগ্রহী করে তোলার জন্য দরকার চিত্তাকর্ষক বুনন, লেখনী। এক্ষেত্রে শুরু করতে পারেন ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় কিংবা সমালোচিত কোনো সংলাপকে কেন্দ্র করে। বর্ণনা করুন ওই সংলাপটি কেন ছবির মূল আকর্ষণ ছিল বা ছবিতে ওই সংলাপের আবেদন কী ছিল। পাত্রপাত্রীরা সংলাপ আওড়ালেন কেমন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;এবার সংক্ষেপে শোনা যাক ছবির কাহিনি&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এ পর্বে ছবির কাহিনি সম্পর্কে বলা যেতে পারে। কাহিনির বর্ণনা হওয়া উচিত সংক্ষেপ। পুরোপুরি বলে দিলে ছবির মজাটা নষ্ট হয়ে যাবে। তবে পাঠক যেন উৎসাহী হয়ে ছবিটি দেখতে যায় সে দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে। এ বিষয়টি একটু রিস্কি। কেননা আপনার সমালোচনা কিংবা ছবির কাহিনিসংক্ষেপ পড়ে পাঠক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি পয়সা খরচ করে ছবিটি দেখবেন কিনা। তবে পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে সমালোচনা ছেড়ে আপনি ছবির মার্কেটিং করতে বসে গেলেন কিনা। হ্যা কখনোই ছবির শেষটুকু বলে ফেলবেন না। সেটা রূপালী পর্দায় দেখার জন্য ছেড়ে দিন দর্শকদের জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;এবার বলে দিন ছবি সম্পর্কে আপনার ভাবনা&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এতোক্ষণ ছবিটি সম্পর্কে যেসব টুকটাক মন্তব্য করেছিলেন এ পর্যায়ে এসে সেগুলো বিস্তারিতভাবে বলতে শুরু করুন। ছবির পাত্রপাত্রী কেমন অভিনয় করলেন, লেখক/ চিত্রনাট্যকার কতোটুকু সফল হয়েছেন, পরিচালক ছবির সকল ক্ষেত্রে সমন্বয়ের কাজটি কেমন করলেন, কোনো মেসেজ কি দিতে পারলেন, ছবির টার্গেট অডিয়েন্স কারা, আপনার চেনাজানা কারো ছবি সম্পর্কে ভাবনা ইত্যাদি লিখতে থাকুন এ স্থানে। ছবির বিশেষ কোনো দৃশ্য সম্পর্কে আপনার একান্ত ভাবনাও এখানে লিখতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনে রাখবেন সাধারণ দর্শকরা ছবির কারিগরি দিক সম্পর্কে তেমন একটা জানেন না। তাই কারিগরি দিক সম্পর্কে বিশদ লিখে তাদের ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটাবেন না। কারিগরি দিক সম্পর্কে হালকাভাবে বলে গেলেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;ভারি করে তুলবেন না যেন আপনার লেখাটি&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;কঠিন কঠিন শব্দ ব্যবহার করে সমালোচনা ভারি করে তুলবেন না। হৃদয়গ্রাহী, প্রাঞ্জল, ঝরঝরে ভাষায় সহজ করে লিখুন। মনে রাখতে হবে সকল শ্রেণির পাঠকদের জন্যই আপনার সমালোচনা। লেখায় মজা আনার জন্য কৌতুক, উপমার ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/The%20Dreamers.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img alt="" border="0" height="320" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/The%20Dreamers.jpg" width="215" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;সৎ থাকুন, নির্মোহ থাকুন&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ছবির পরিচালক থেকে শুরু করে পাত্রপাত্রী পুরো টিমের অনেকেই আপনার পছন্দের কেউ নাও হতে পারেন। তাই বলে সমালোচনার নামে তাদের উপর একহাত দেখে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। এটা বুমেরাং হয়ে আপনার কাছেই ফিরে আসতে পারে। ছবির ট্যাগিং সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। কমেডি ছবি হলে তাতে কেন ট্র্যাজেডি দেখানো হলো না সে আক্ষেপ করবেন না। ফ্যান্টাসী মুভি হলে তাতে বাস্তবের ছোঁয়া কেন নাই তা নিয়ে তর্ক জুড়ে দেবেন না। ছবির বিষয়বস্তু নিয়ে যতোটুকু নির্মোহ নিরপেক্ষ থাকা যায় ততোই মানসম্পন্ন হবে একটি ছবির সমালোচনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;পরিশিষ্ট&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এই পোস্টটি ইন্টারনেট থেকে চোথা মেরে এবং এতে নিজের কিছুর ভাবনা মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরো লেখাটি পড়ার পর আমার মনে হয়েছে এই ফরম্যাটের বাইরে গিয়েও ছবির সমালোচনা লেখা যায়। আর এই ফরম্যাটই যদি 'নিশ্চিত অনুসরণীয়' হতো তাহলে পৃথিবীর সব সমালোচনা একই টাইপের হয়ে যায়। সুতরাং যারা 'মুভি রিভিউ' বা 'চিত্রসমালোচনা' লিখতে চান তারা তাদের ইচ্ছেমতোই লিখুক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;পছন্দের কয়েকটি লেখার লিংক দিলাম। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://himalay777.amarblog.com/posts/43623"&gt;চলচ্চিত্র চালচিত্র: :মনপুরা’তে মন পুড়লো কি? -হিমালয়-&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://arts.bdnews24.com/?p=2672"&gt;‘অশ্লীলতা’-বিরোধী প্রপাগান্ডা ও ‘সুস্থ’ চলচ্চিত্রের যুগে ঢাকাই সিনেমা - মোহাম্মদ আজম&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://arts.bdnews24.com/?p=2371"&gt;আর্ট, রিয়ালিটি আর ডিজিটালের চক্করে বাংলা সিনেমা - রাজীব আহমেদ&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://arts.bdnews24.com/?p=2085"&gt;নতুন সিনেমা: নির্মাণ ও প্রদর্শন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা - নূরুল আলম আতিক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.nirmaaan.com/blog/farzana-boby/5840"&gt;থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার : ‘সে’ — নারী, পুরুষের হাওয়াই মিঠাই - ফারজানা ববি&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;= ছবি কৃতজ্ঞতা : গুগল স্যার =&lt;/i&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-8010940570532816530?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/8010940570532816530/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=8010940570532816530&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8010940570532816530'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8010940570532816530'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2010/02/blog-post_18.html' title='কীভাবে লিখবেন &apos;মুভি রিভিউ&apos;'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-4658768755947132351</id><published>2010-02-05T18:18:00.007Z</published><updated>2010-05-16T15:51:05.774+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>এখন আমিই ‘জয়িতা’ - বলেছেন অভিনেত্রী তিশা। হায়! তিশাদের কেন আমরা ‘পূরবী’ সাজাই না!?</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Gorvo.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img alt="" border="0" height="320" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Gorvo.jpg" width="212" /&gt;&lt;/a&gt;পশ্চিমবঙ্গের উপন্যাসিকদের লেখা নিয়ে বাংলাদেশে প্রায় সিনেমা/ নাটক নির্মাণ হয়। এসব উপন্যাস আমাদের অনেকেরই পড়া। জনপ্রিয়তার নিরিখে এগুলোর অবস্থান প্রায় আকাশচুম্বি। আর এটারই সুযোগ নিচ্ছে বাংলাদেশের নির্মাতারা। পরিচিত জনপ্রিয় উপন্যাস আর নষ্টালজিয়াকে সুযোগ করে ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধিই আসল উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে নির্মাতাদের কাছে 'কমিটমেন্ট' বলে কোনো শব্দের স্থান নেই। &lt;a href="http://aloukik.amarblog.com/posts/25877"&gt;এ বিষয়ে অনেক আগে থেকেই আমার আপত্তি ছিল।&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://glitz.bdnews24.com/details.php?catry=8&amp;amp;showns=765"&gt;বিডিনিউজে একটি সংবাদ পড়লাম।&lt;/a&gt; সেখানে জানা গেল, সমরেশ মজুমদারের 'গর্ভধারিণী' উপন্যাস নিয়ে ধারাবাহিক নির্মাণ হচ্ছে চ্যানেল ওয়ান এর জন্য। এ উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র 'জয়িতা' হবেন অভিনেত্রী তিশা। তিনি জানিয়েছেন, &lt;i&gt;এমন চরিত্রে অভিনয় করা আনন্দের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জেরও। এ কারণে জয়িতার অভ্যেস মতো তিনি ধূমপান শুরু করেছেন নিয়মিতভাবে। কারণ যে কোনো চরিত্র করার আগে তিনি চরিত্রকে নিজের করে নেন। তাই এখন থেকে তিনিই জয়িতা।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তো তিশা চরিত্রটিকে কীভাবে নিজের করে নেবেন? ও আচ্ছা গর্ভধারিণীর জয়িতা তো বাংলায় কথা বলে, তিশাও তাই। কিন্তু চরিত্র নিজের মতো করে নিতে এ সহজ সমীকরণই যথেষ্ট‍? জয়িতার ওই সময়ের পারিপার্শ্বিকতাকে ধরবেন কী করে তিশা? তারা তো একই সমাজ ব্যবস্থার নন। জয়িতা যেসব সমস্যার মধ্যে দিয়ে গেছেন তিশা কি সেটা অনুভব করতে পারেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে অভিনেত্রী/ অভিনেতাদের কিছু করার নেই। এসব ক্ষেত্রে নির্মাতারাই দায়ী। জনপ্রিয় উপন্যাস নিয়ে সিনেমা/ নাটক বানানোর লোভ নির্মাতাদের মাঝে থাকেই। এমনটা আমারও রয়েছে। গর্ভধারিণী পড়ার পর আমার মনে হয়েছে এটি নিয়ে সিনেমা/ নাটক বানানো যেতেই পারে। কিন্তু তাই বলে আমি স্বপ্নেও চিন্তা করি না বাংলাদেশে সেটি বানানোর। কারণ ভুলেভালেই হোক আমার পড়া ছিল শাহরিয়ার কবীরের 'ওদের জানিয়ে দাও'। এটা নিয়ে আমার একটি ছোট স্বপ্নও আছে। আমার বিশ্বাস গর্ভধারিণীর আগেই 'ওদের জানিয়ে দাও' প্রকাশ পেয়েছে। নিশ্চিত হতে ফেসবুকে টোকা দিলাম কুলদা রায়কে। জানা গেল ৭৪ এ ধারাবাহিকভাবে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় প্রকাশ পেয়েছে শাহরিয়ার কবীরের 'ওদের জানিয়ে দাও।' গর্ভধারিণীর প্রকাশকাল সম্পর্কে তিনি আমাকে পরে জানাবেন বলেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ দুটো উপন্যাসের মধ্যে মিল হচ্ছে এক জায়গাতেই। গর্ভধারিণীতে দেখা যায় ৩ ছেলে আর ১ মেয়ের সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্খা এবং পরবর্তীতে শ্রেণিশত্রু খতমের পথে নেমে পড়া। ওদের জানিয়ে দাও-তেও দেখা যায় পূরবী, দীপু, জাফর আর রাজুরও একই স্বপ্ন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাহলে একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমরা সিনেমা/ নাটকের জন্য কোন উপন্যাসকে বেছে নেব? কুলদা রায় জানালেন - শাহরিয়ার কবীরের উপন্যাসটি ইমম্যাচিরউড মনে হলেও নির্মাণের জন্য দেশের কাহিনিই বেছে নেওয়া উচিত। এ উপন্যাসে একটি গোপন পার্টির কর্মকাহিনি প্রকাশ পেয়েছে। একটু তরল হলেও ওই সময়ের রাজনীতি বোঝার জন্য (১৯৭৪ পর্যন্ত) উপন্যাসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে। আর শাহরিয়ার কবীর ছাড়াও মাহমুদুল হকরাও এসব বাম আন্দোলন ও তরুণদের ওই সময়ের স্বপ্ন নিয়ে লিখেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গর্ভধারিণীর ব্যাপারে তিনি বলেন, এটি একটি বানানো কাহিনি। সমরেশ মজুমদার ওখানে হলিউডি স্টাইলে একজন মহিলাকে দেবী পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। অন্যরা সেখানে তল পায় না। কিন্তু 'ওদের জানিয়ে দাও' উপন্যাসে পূরবী কিন্তু সবটাই নয়। সে অন্যতম চরিত্র। দেবী পর্যায়ে নেওয়া হয়নি। আর সবচেয়ে বড় কথা পশ্চিমবঙ্গের লেখকদের রচনাভঙ্গি, রচনাভূগোল আমাদের মতো করে নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কুলদা রায় সমাপ্তি টানেন এই বলে যে, মুগ্ধপাঠকের কাছে গর্ভধারিণী একটি জনপ্রিয় উপন্যাস হতে পারে কিন্তু প্রকৃত পাঠকের কাছে বিরক্তিকর। এর চেয়ে ওদের জানিয়ে দাও উপন্যাস হিসাবে বেশি গ্রহণযোগ্য এবং বাস্তব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একজন সুলেখক, সাহিত্যিক হিসেবে দুটো উপন্যাসের বিষয়ে কুলদা রায়ের মতামত আমি এভাবেই জেনে নিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হতাশা এখানেই। পরিশ্রম করার ইচ্ছে নেই। উপন্যাস লেখা আছে, একটু কাটছাট করে চিত্রনাট্য তৈরি করে নেমে পড়ো নির্মাণে। টেলিভিশন কর্তারা বসে আছেন রাক্ষস স্ক্রীণকে খাবার সরবারহ করতে। কিছু একটা হলেই হয়। আর এভাবেই নিজের কমিটমেন্টকে দূরে ঠেলে বিদেশী জিনিস নিয়ে ফালাফালি বাড়ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিশারা জানেও না, জয়িতা থেকে পূরবী শক্তিশালী। ওদের স্বপ্নও অনেক জোরালো। পূরবীর সাথে তিশার সামাজিক পরিবেশ বেশি মেলে। জয়িতা সেজে যে সংলাপ তিনি আওড়াবেন পূরবী সেজে সেটা আওড়ালে আরো বাস্তবসম্মত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্মাতাদের টনক নড়বে না। কারণ মিডিয়া শুধু কমিটমেন্ট না, ব্যবসার জায়গাও। তবে কি টিভি কর্তৃপক্ষ? হুম। আপাতত তারা যদি এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে নির্মাতাদের সৃজনশীলতা আমাদের দেশের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যয় হতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে আছেন। না জানি কাউকে 'পূর্ব পশ্চিম' গিলিয়ে দিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোদ্দা কথা - পরবর্তী ৩ বছরের জন্য সকল ভারতীয় চ্যানেল এবং বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট না থাকলে পশ্চিবঙ্গের লেখকদের উপন্যাস নিয়ে আর কোনো নির্মাণ নয়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-4658768755947132351?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/4658768755947132351/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=4658768755947132351&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4658768755947132351'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4658768755947132351'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2010/02/blog-post.html' title='এখন আমিই ‘জয়িতা’ - বলেছেন অভিনেত্রী তিশা। হায়! তিশাদের কেন আমরা ‘পূরবী’ সাজাই না!?'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-8679166604182849397</id><published>2010-01-20T16:22:00.007Z</published><updated>2010-05-16T15:53:05.116+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্মৃতিকথা'/><title type='text'>একটি কথা শুনো বলি, মিছে কথা নয়। চোখের আড়াল হইলেও সে, হৃদয় জুড়ে রয়।</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/4260_80729464647_716889647_1630027_6002003_n.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img alt="" border="0" height="320" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/4260_80729464647_716889647_1630027_6002003_n.jpg" width="142" /&gt;&lt;/a&gt;আমি কখনো কবিতা লিখি নাই তেমন করে। তাই পোস্টের শিরোনামটিও আমার নয়। মানুষ বলে সে নাকি মৃত্যুর কথা আগেভাগেই টের পায়। কী জানি .... পোস্টের শিরোনামটি আমার বন্ধু, কলিগ &lt;a href="http://rajib.amarblog.com/"&gt;রাজীব দেব মান্নার&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ লণ্ডন সময় ভোর ৩.৩০ মিনিটে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। মাত্র ৫ বছর তার সঙ্গে কাটিয়েছি তাতেই যতোটা আপন হয়ে উঠেছিলেন তাতে বুঝি তার &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hasan_murshed/29844"&gt;বন্ধুদের মানসিক অবস্থা।&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চরম হাসিখুশি, সারাক্ষণ দুষ্টুমিতে মেতে থাকা প্রাণোচ্ছল এই তরুণ ছিলেন বিলেতের বাংলাদেশী টেলিভিশন 'চ্যানেল এস' এর হেড অফ প্রোগ্রামস। সিলেট রেডিওর সংবাদপাঠক থেকে শুরু করে থিয়েটারের চণ্ডীপাঠ পর্যন্ত সবই করতেন সৃষ্টিশীল এই মানুষটি। লণ্ডনেও চালু করেছিলেন থিয়েটার চর্চা।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অত্যধিক সীমাবদ্ধতার ভেতর থেকেও অনবরত চেষ্টা করে গেছেন চ্যানেলের অনুষ্ঠানের মান বৃদ্ধিতে। ক্যান্টিনের আড্ডা মাতিয়ে রাখতেন। ভালো চা বানাতে পারতেন বলে তার কাছেই আব্দার করতাম চা খেতে। বুকে ব্যথা হতো বলে সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিলেন আর তাতেই কতো ঠ্যাস মেরে কথা শোনাতাম তাকে। যদি বুঝতাম এভাবে ছেড়ে যাবেন আমাদের ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিখতে পারছি না। আজ আমারব্লগে &lt;a href="http://rajib.amarblog.com/"&gt;রাজীবের ব্লগ&lt;/a&gt; পড়তে গিয়ে চোখ ভিজে উঠছে। বার বারই আওড়াচ্ছি তার কবিতার চরণ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;একটি কথা শুনো বলি,&lt;br /&gt;মিছে কথা নয়।&lt;br /&gt;চোখের আড়াল হইলেও সে,&lt;br /&gt;হৃদয় জুড়ে রয়।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাজীব আপনি আমাদের হৃদয় জুড়ে থাকবেন সবসময়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="403" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/untitled.bmp" width="200" /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-8679166604182849397?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/8679166604182849397/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=8679166604182849397&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8679166604182849397'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8679166604182849397'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2010/01/blog-post.html' title='একটি কথা শুনো বলি, মিছে কথা নয়। চোখের আড়াল হইলেও সে, হৃদয় জুড়ে রয়।'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-3673495365884424871</id><published>2009-12-20T15:43:00.005Z</published><updated>2010-05-16T15:54:40.557+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নষ্টালজিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্মৃতিকথা'/><title type='text'>সুশান্ত, শাফায়েত অঞ্জন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ...</title><content type='html'>সুশান্ত দাস গুপ্তের সঙ্গে পরিচয় সচলে থাকার সময়। তার ছাত্রজীবনের ক্যাডার লাইফ সংক্রান্ত একটি পোস্টে আমার তীর্যক মন্তব্যের সূত্র ধরে পরিচয়। পরবর্তীতে সামুতে ছাগু তাড়ানোর আন্দোলনে সহযাত্রি হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। লণ্ডনে থাকার সুবাদে সে পরিচয় দেখাসাক্ষাতে নতুন রূপ নেয়। তবে অনেকবার তার বাসায় খাওয়ার নিমন্ত্রণ পেলেও ব্যস্ততার কারণে যেতে পারিনি। বৌদির সঙ্গে পরিচয় হয়নি, তার কন্যাদের আদরও করা হয়নি। থাকেনও আমার আবাসস্থল থেকে বেশ দূরে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহজসরল মানুষটি পেটে কথা রাখতে পারেন না। এজন্য তাকে ব্লগসহ বাস্তবজীবনে বিব্রত মুহূর্তগুলো সামলাতে হচ্ছে। তবে এগুলো নিয়ে তার খুব একটা সমস্যা নাই মনে হয়। আশেপাশের আমরাই শুধু বিরক্ত হই। গত সেমিস্টারে লণ্ডনে যখন বাংলাদেশী ছাত্রদের ঢল নামল তখন তার বাসাসহ পুরো অফিসটাই হয়ে গেল মেসবাড়ি। কাকে কখন কোথায় চাকরি পাইয়ে দিতে হবে, কাকে কখন অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করতে হবে এসব কাজেই এই পরোপকারী সুশান্ত ব্যস্ত থাকতেই পছন্দ করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজেকে তিনি 'পলিটিক্স করা ছেলে' ভাবলেও আমার বিশ্বাস তাকে এ বিষয়ে আরও অনেক শিখতে হবে বলে আমার মনে হয়। সরলতা দিয়ে পলিটিক্স হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০০  ০০০  ০০০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাফায়েত অঞ্জন পড়ালেখায় আমার এক বছরের ছোট হলেও পাড়াতো সুবাদে ইয়ার দোস্ত ছিল। এসএসসির পর থেকেই ওর সঙ্গে পরিচয়। আমাদের নাস্তিকতার শুরুটা একসঙ্গে। শাহজাহানপুরের রেললাইনের পাতে বসে আমরা আল্লাহ-খোদা, সৃষ্টিকর্তা, মানবজীবন এসব নিয়ে অনেক কপচাতাম। আমার ব্র্যাণ্ড বাংলা ফাইভ আর অঞ্জনের ব্র্যাণ্ড গোল্ডলীফ দুটোই বেশ টানা হতো। অঞ্জন ভালো লিখতে পারলেও আড়ষ্টতা ছিল সেগুলো প্রকাশের। ওদিকে আমি যাযাদিতে আমার প্রথম লেখা ছাপা হওয়ার পর মতিঝিল থেকে হেঁটে শাহজাহানপুর গিয়েছিলাম ওকেই লেখাটি প্রথম পড়ানোর জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি একটি লিটল ম্যাগাজিন বের করতাম 'অরণ্য' নামে। মাত্র ৩টি সংখ্যা বের হয়েছিল। শাফায়েত অঞ্জন ছিল আমার সাথে। লিটল ম্যাগাজিনের জন্য বিজ্ঞাপন লাগে। আর সেটার পুরো দায়িত্ব ছিল আমার ওপর। বেশ কয়েকটি যোগাড় করার পরও সবচেয়ে দামি স্পেস (ম্যাগাজিনের শেষ কাভার) খালি রয়ে গেল। গেলাম স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শওকত ভাইয়ের কাছে। এদিকে কলোনির কিছু রংবাজ দোস্ত (জিগরি দোস্তও বটে) দাবি করে বসল শেষ পৃষ্ঠাটি তাদের দিয়ে দিতে হবে। বিজ্ঞাপন তারা যোগাড় করবে কিন্তু পুরো পয়সা তাদের দিয়ে দিতে হবে। মজার কথা হলো এই বিজ্ঞাপন যোগাড় করার জন্য তারাও গেল শওকত ভাইয়ের কাছে। এদিকে আম্মার আওয়ামী রাজনীতির সুবিধার কারণে শওকত ভাইয়ের কাছে আমার গ্রহণযোগ্যতা ছিল। আমার জেদ চেপে গেল। জিগরী রংবাজ দোস্তদের সঙ্গে কোনো সংঘর্ষে যেতে ইচ্ছে করল না। কিন্তু চুপি চুপি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম ম্যাগাজিনের শেষ পৃষ্ঠা আমি খালিই রাখব। শওকত ভাইকে বললাম আপনার কাছে ওইসব বন্ধুরা বিজ্ঞাপন চাইতে এলে আপনি না করবেন না, বিজ্ঞাপনও আমাকে দিতে হবে না। আমার ইচ্ছে ছিল এরই ফাঁকে আমি ম্যাগাজিন ছাপিয়ে ফেলব। এই পুরো কাজের সঙ্গে শাফায়েত অঞ্জন আমার সঙ্গে ছিল। কী একটি কারণে (মনে নেই এখন) অঞ্জনের সঙ্গে আমার ঝগড়া লেগে গেল। ম্যাগাজিন প্রকাশ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিল অঞ্জন। আর প্রতিশোধ নিতে ওইসব রংবাজ বন্ধুদের বলে দিল যে আমি শওকত ভাইকে মানা করেছি তাদের বিজ্ঞাপন না দিতে। ওইসব বন্ধুরা খেপে গেল, সিদ্ধান্ত নিল আমাকে মারবে। কিন্তু ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে পড়ে বড় হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে মারতে পারল না। ওইসব রংবাজ বন্ধুদের মূল হোতা আবুল কাশেম (আমরা কাশু বলে ডাকতাম) সৌদি আরব চলে যায়। আমার বিয়ের সময় বাংলাদেশে ছিল তখন। বিয়েতে এটেণ্ড করতে সিলেট থেকে রাতের ট্রেনে ঢাকায় চলে এসেছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০০  ০০০  ০০০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ার খুব শখ ছিল। সেটি হয়নি প্রস্তুতির কারণে। আমি বিভিন্ন সংগঠন, গ্রুপ থিয়েটার, ছোটখাট চাকরি এসবে জড়িয়ে গেলাম ভালোমতো। এরমধ্যে একটি ছিল জরিপের কাজ। এর কারণে আমি বাংলাদেশের প্রচুর জেলায় ঘুরেছি। আর এই জরিপের কারণে আমার সঙ্গে পরিচয় হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। সাল ১৯৯৬। এর আগে আমি কখনই জাহাঙ্গীরনগর যাইনি। আমার সঙ্গে পরিচয় ছিল ইউসুফ হাসান অর্ক (এখন নাটক ও নাট্যতত্ত্বের শিক্ষক), ইউরেকা (তৎকালীন জাহাঙ্গীরনগর ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট)। আর এদের মাধ্যমে পরিচয় হলো মনন (পরবর্তীতে ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট)সহ আরো অনেকের সঙ্গে। এদের সঙ্গে মাঝে মাঝে প্রায়ই আল বেরুনি এক্সটেনশন হলে রাত কাটাতাম। ডেমক্রেসিওয়াচের মাধ্যমে পরিচয় হয় বাংলার আরিফ, গভর্ণমেন্ট এন্ড পলিটিক্সের শাকিল, সৌরভ, কুতুবের (দারুণ পড়ুয়া, এখন বোধহয় বাংলা একাডেমীর রিসার্চার) সঙ্গে। এদের কারণে কামালউদ্দিন হলেও রাতে থেকেছি। সকালে উঠে ব্রেড এন্ড কলা দিয়ে দারুণ নাস্তাও করতাম। পরিচয় হয় মাহবুব আজীজের (যাযাদিতে একসঙ্গে ট্রেনিং করেছিলাম, সাল ১৯৯৮, শেষ পর্যন্ত জানতাম সমকালে আছেন) সঙ্গে। একবার সাইকেল চালিয়ে শান্তিনগর থেকে জাহাঙ্গীরনগর গিয়েছিলাম। পা ব্যথা করছিল দেখে রাতে থেকে গেলাম ওইখানে। সারারাত মাহবুব আজীজ, তার বউ আল্পনার সঙ্গে ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়িয়েছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জরিপের কারণে পরিচয় হয় ফজিলাতুন্নেসা হলের নিপু, রুমী সহ আরো অনেকের সঙ্গে। তাদের নিয়ে ঢাকার বাইরে জরিপে গিয়েছিলাম। আমার বন্ধু অভিনেতা মিলনের বউ লুসি পড়ত নাটক বিভাগে। সে কারণে লুসির অনেক বান্ধবির সঙ্গেও পরিচয় হয়। আমার দ্বিতীয় নাটক নির্মাণের সময়ও নাটক বিভাগের অনেক জুনিয়র ছেলে প্রচণ্ড হেল্প করে আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাই আমিও যেন জাহাঙ্গীরনগরের ছাত্র। ১ টাকা দিয়ে অফিস ছুটির পর কলাবাগান থেকে বাসে চড়ে চলে যেতাম জাহাঙ্গীরনগরে। বাসের মামারাও জানতেন আমিও ছাত্র। কখনই ৩ টাকা চাইতেন না। ডেইরিতে আড্ডা, প্রান্তিকে চা খাওয়া, লাভলেনে ঘোরাফেরা, ট্রান্সপোর্টে বাসের জন্য অপেক্ষা, নীপুকে নিয়ে রিকশায় বিশমাইল ঘুরতে যাওয়া, রাতের গভীরে সুইমিংপুলের ধারে বসে থাকা, প্রীতিলতার সামনের খালাদের কাছে দুপুরের ভাত খাওয়া, কবীর চত্ত্বরে, ক্যাফেটেরিয়ায়, অডিটোরিয়ামের চিপায়, টিএসসিতে নাটকের মহড়া সহ দারুণ সব স্মৃতি আমাকে ভুলিয়ে দেয় ঢাকা ইউনির ছাত্র না হওয়ার দুঃখ। ওসমানী উদ্যান থেকে বাসে চড়ে ভার্সিটি যেতে হবে বলে তড়িঘড়ি করে অফিস শেষ হওয়ার আগেই ছুটতাম। অনেকেই জানত আমি জাহাঙ্গীরনগরের ছাত্র। আমিও হ্যা না কিছু বলতাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০০  ০০০  ০০০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সম্ভবত একবছর ড্রপ দিয়ে আমার বন্ধু শাফায়েত অঞ্জনও জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি হলো। এবং সে আমূল পাল্টে গেল। মিষ্টির দোকানের বন্ধুরা তিন তাস খেলতে পছন্দ করে। দুরিফিস, টুয়েন্টিনাইন খেলে দুপুর পার করে দেয়। ক্ষিধে পেলে মনসুরের হোটেল থেকে পুরি খায়। পকেটে টাকা থাকলে ফকিরাপুলের পূর্ণিমা হোটেলে ভাত খায়। চা সিগারেট চলে টংয়ের দোকানের বাকিতে। পড়াশোনাসহ চাকরি বাকরি কোনো কিছুতেই হিল্লে করে উঠতে পারেনি তারা তখনও। দুপুরে যখন ঢাকা ইউনির বাসটা পীরজঙ্গি মাজারে এসে থামে, কোন কোন সুন্দর মেয়ে নেমে আসে উদাস দুপুরে মিষ্টির দোকানে বসে আমরা তা দেখতাম। তখন অঞ্জনও থাকত আমাদের সঙ্গে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জাহাঙ্গীরনগরে ভর্তি হওয়ার পর অঞ্জন একেবারেই মিষ্টির দোকানের আড্ডায় আসা ছেড়ে দিল। বোধহয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বন্ধু জুটেছে। অতি স্বাভাবিক ব্যাপার, তার মধ্যে ফেডারেশনে পলিটিক্স করাও শুরু করেছে, কোত্থেকে যেন চাউর হয়ে যায় সিনিয়র কোনো আপুর সঙ্গে একটু খুটখুটও শুরু হয়েছে। এরই মাঝে ফাঁকেফুঁকে মিষ্টির দোকানে আসত অঞ্জন। মিষ্টির দোকানের বন্ধুরা তখন অঞ্জনের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্প শুনতে চাইত। আর আমি জানতে চাইতাম আমার পরিচিত জায়গাগুলোতে অঞ্জন কী কী করে। অঞ্জন আমাকে বলত কিছু কিছু কিন্তু বাকি বন্ধুদের কিছুই বলত না। কারণ তারা শুধু জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের কথা জানতে চাইত। তারা নাকি খালি ঝোপঝাড়ে প্রেম করে বেড়ায়, অনেকেই নাকি রতিক্রীয়ার কাজটি সারে সেখানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত নচ্ছাড় এইসব বন্ধুদের গালি দিয়ে বসল অঞ্জন - আনকালচারড। আরও বলল, তোরা তো অশিক্ষিত। তোরা কেউ ভার্সিটিতে পড়িস? ছোট থেকে বড় হওয়া এইসব বন্ধুদের সঙ্গে ল্যাওড়া ঘাটাঘাটি করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে যাওয়া অঞ্জন মিষ্টির দোকানে আড্ডা মারা ছেড়েই দিল।  'আঁতেল' বলে আগে থেকেই বন্ধুমহলে পরিচিত অঞ্জনের এই আড্ডা ছেড়ে দেওয়ায় বন্ধুরা খেপে গিয়ে বলল - হ হ। আমরা তো অশিক্ষিত। ভাসসিটি যাইতাম ফারি না। তাই কিছুও বুঝি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি অঞ্জনকে সাপোর্ট দিলাম। ঠিকই তো। কারও নিজের প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে খারাপ কথা বললে সে সইবে কেন? বন্ধুদের অভিযুক্ত করলাম। ভার্সিটির মেয়েদের সম্পর্কে এমন ভাবিস কেন? পাশাপাশি অঞ্জনকেও একটু দুষলাম। বন্ধুরা বলেছে বলেই কি তাদের ছেড়ে যেতে হবে? তুই কেন ফাইট দিলি না। অশিক্ষিত আনকালচারড বলে সরে গেলেই হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০০  ০০০  ০০০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু আজকাল অনেক শিক্ষিত সাহিত্যিক জাহাঙ্গীরনগরকে 'জাহাঙ্গীরজঙ্গল' বলছে। আমি নিজে জাহাঙ্গীরনগরের ছাত্র নই। কিন্তু যখন 'জাহাঙ্গীরজঙ্গল' শুনি আমার মন খারাপ হয়। প্রচণ্ডরকম মন খারাপ হয়। এর প্রত্যুত্তরে কোনো গালি আসে না এমনই মন খারাপ থাকে। সুন্দর কিছু সময় কাটাতে পেরে আমি জাহাঙ্গীরনগরের কাছে কৃতজ্ঞ। সেই কৃতজ্ঞতায় আমার মন খারাপ হয় জাহাঙ্গীরনগর নামের বিকৃতি শুনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাফায়েত অঞ্জন - শুনেছি তুই এখন কোনো এডফার্মে আছিস। সচলে কয়েকটি কবিতাও লিখেছিলি। সেখানে তোর জাহাঙ্গীরনগরকে 'জাহাঙ্গীরজঙ্গল' বলা হচ্ছে। তোর জাহাঙ্গীরনগরের অনেক বন্ধুও সেখানে আছেন। তাদের কারো কোনো প্রতিবাদ দেখিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তুই কি প্রতিবাদ করবি? যেমনটা করেছিলি তোর বাল্যবন্ধুদের সঙ্গে। আমি জানি ক্ষোভ জিনিসটা তোর শরীরে মারাত্মক। তাই আশা রাখি তুই এর প্রতিবাদ করবি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-3673495365884424871?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/3673495365884424871/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=3673495365884424871&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/3673495365884424871'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/3673495365884424871'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/12/blog-post_20.html' title='সুশান্ত, শাফায়েত অঞ্জন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ...'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1204575475768475950</id><published>2009-12-12T19:05:00.003Z</published><updated>2010-05-16T15:55:36.320+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>হাজী মোহাম্মদ তালহা</title><content type='html'>মাত্র দুইদিন আগে মোহাম্মদ তালহা হজ্জ্ব করে ফিরলেন। হ্জ্জ্ব শেষে নামের প্রথমে হাজী টাইটেল লাগানো নিয়ম কিনা জানি না তবে অনেকেই এমন করেন বলেন মোহাম্মদ তালহাকে আমি হাজী মোহাম্মদ তালহা ভাবতেই পারি। হজ্জ্ব শেষে লণ্ডনে ফিরে আসার পর তার দৈনন্দিন সকালবেলা একটু অন্যরকমভাবে কাটছে। এখন তিনি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ডিভিডি ছেড়ে পবিত্র মক্কা মদীনার ছবি দেখেন এবং আরবীতে বয়ান শোনেন। আরবী তার জানা না থাকলেও সেটি সমস্যা হচ্ছে না।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাধারণত হ্জ্জ্ব থেকে ফিরে এসে অনেকেরই এমন ধর্মপ্রীতি বেড়ে যায়। শুনেছি বাংলাদেশের নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন হ্জ্জ্ব করে এসে চলচ্চিত্রে অভিনয় করাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে এক্ষেত্রে হাজী মোহাম্মদ তালহার বিষয়টি একটু অন্য খাতের। কারণ তার ধর্মপ্রীতি বেড়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছেন তার বাবা-মা। বাবা-মার মুখের উপর তিনি কথা বলতে পারেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাজী মোহাম্মদ তালহার বয়স মাত্র তিন বছর। মুখে তার আরবী কেন, ঠিকমতো বাংলা ইংরেজি কোনো ভাষাই ফুটেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০০   ০০০   ০০০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সম্প্রতি লণ্ডনে হজ্জ্বযাত্রীদের টাকা মেরে দেওয়া থেকে শুরু করে ট্রাভেল এজেন্টদের হজ্জ্বযাত্রীদের প্রতি অঙ্গীকার করা প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত না করা সহ অনেক অনিয়ম দেখা গেছে। ফলে এবারের হজ্জ্বযাত্রীরা সংশয়ে ছিলেন তাদের হজ্জ্বযাত্রা নির্বিঘ্ন এবং সফল হবে কিনা। এসব বিষয়ে তালহার বাবার কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাকে নিশ্চিত করেন তার এজেন্ট এক্ষেত্রে খুবই অভিজ্ঞ এবং নিজে স্ত্রী পুত্র সহ এই তিনজনের জন্য সাড়ে দশহাজার পাউণ্ড খরচ করে উন্নতমানের হজ্জ্ব প্যাকেজ কিনেছেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হজ্জ্বের দিন ঘনিয়ে এলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কোন এয়ারলাইন্সে যাচ্ছেন। তিনি জানালেন সৌদি এয়ারলাইন্স। জিজ্ঞেস করলাম টিকিট পেয়েছেন। তিনি একটু চিন্তিত হয়ে বললেন, এখনও পাইনি। তবে পেয়ে যাব। এই টিকেট পাওয়াটাই একটু সমস্যা হয়ে যায়। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি তাহলে অন্য কোনো এয়ারলাইন্সে ট্রাই করছেন না কেন? নাকি সৌদি ছাড়া অন্য কোনো এয়ারলাইন্স সৌদি যায় না? তিনি বললেন, বৃটিশ এয়ারওয়েজও যায়। তবে হজ্জ্বে যাচ্ছি বুঝলেনই তো। হালাল খাবার, এয়ারহস্টেসরা পর্দাআদব করে। আমি মনে মনে ভাবলাম, এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এতো বেপর্দা নারীদের পেরিয়ে হালাল সৌদি এয়ারলাইন্সে তিনি ঠিকমতো উঠতে পারবেন তো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাই দ্য ওয়ে তিনি কিন্তু বিমানসহ ইণ্ডিয়ান এয়ারলাইন্সেও বাংলাদেশে হলিডে করতে যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০০   ০০০   ০০০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিরে আসি তালহা প্রসঙ্গে। হজ্জ্বে যাওয়ার পূর্বে প্রতিদিন সকালে তালহার কাজ ছিল ঘুম থেকে উঠে নাস্তা সেরে টিভির সামনে কার্টুন দেখা। লণ্ডনের আমার দেখা সব কিডসদের প্রিয় চ্যানেল &lt;a href="http://www.bbc.co.uk/cbeebies/"&gt;এই চ্যানেলটি&lt;/a&gt;। যারা কমপিউটার চালাতে শিখে গেছে তারা স্কুল থেকে ফিরেই &lt;a href="http://www.bbc.co.uk/cbeebies/games/"&gt;এই সাইটে&lt;/a&gt; বসে যায় গেম খেলতে। এই চ্যানেল আর সাইটটি দেখে আমার আফসোস বেড়ে যেত বাংলাদেশের শিশুদের জন্য। এমন ক্রিয়েটিভ একটি চ্যানেল কেন বাংলাদেশে নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু তালহার এখন এই চ্যানেল দেখার সুযোগ নেই। তার মা স্কুলে চলে যান। ফেরেন দুপুর ৩টায়। ততক্ষণ পর্যন্ত তালহাকে দেখেশুনে রাখেন তারা সদ্য হজ্জ্ব ফেরত বাবা। এবারের হজ্জ্বে গিয়ে তিনি অনেক ডিভিডি কিনে এনেছেন যেখানে মক্কা, মদীনা, হ্জ্জ্ব, শয়তানকে পাথর মারা সহ নানাবিধ জিনিস আছে। তিনি সকালবেলা এগুলো বসে বসে দেখেন, পাশে তালহাকেও এগুলো গিলতে হয়। বাবা টয়লেটে গেলেও তালহা এগুলোও দেখে। রিমোট টিপে চ্যানেল বদলানো এখনো হাজী মোহাম্মদ তালহা শিখেননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন বছর বয়সী যে শিশুর একটি রঙিন কাগজ দেখে কীভাবে সেটা দিয়ে ফুল বানাবে তা ভাবার দরকার ছিল, সে আজকে তার বোধগম্য নয় এমন একটি ভাষা বাধ্য হয়ে শুনছে। অবশ্য তালহা বুদ্ধিমান আছে। একটু দেরি হলেও সে ঠিকই শিখে ফেলবে। হজ্জ্ব থেকে ফেরার পরদিন আমাকে দেখে সে বলে উঠল - নবজী নবজী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাজী মোহাম্মদ তালহার জন্য রইল আমার শুভকামনা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1204575475768475950?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1204575475768475950/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1204575475768475950&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1204575475768475950'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1204575475768475950'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/12/blog-post.html' title='হাজী মোহাম্মদ তালহা'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1922292401346339040</id><published>2009-10-21T17:13:00.001+01:00</published><updated>2010-05-16T15:56:48.907+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>আমি এখন কি করবো কিছুই বুঝছি না …</title><content type='html'>যেন টোকা দিলেই কিংবা ফুঁ দিলেই চোখ থেকে টপটপ করে পানি গড়িয়ে পড়বে এমন অবস্থায় দাঁড়িয়ে, দেয়ালে হেলান দিয়ে মোবাইলে কথা বলছিল মেয়েটি। পরণে নীল জিন্স আর কালো সোয়েটার। দেখেই বোঝা যাচ্ছে লন্ডনে নতুন এসেছে। মুখটা মলিন হয়ে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৃশ্যটি আমি দেখি লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলে বাঙালি মালিকানাধীন একটি কলেজে। পরিচিত এক ছোটভাইয়ের এ্যাডমিশন সংক্রান্ত কাজে ওই কলেজে গিয়েছিলাম। লন্ডনে আমি দ্বিতীয়বার এরকম কোনো কলেজে গেলাম। ২ বছর আগে আরেকটি ভিসা কলেজে গিয়েছিলাম আরেকজনের সঙ্গে। তিনি ৪৫০ পাউন্ডের বিনিময়ে সারা বছরের উপস্থিতির হার ও পরীক্ষার রেজাল্ট ঠিকঠাক করে নিয়েছিলেন পরবর্তী ভিসা রিনিউয়ের জন্য।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হোয়াইটচ্যাপেলের ওই কলেজের ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে আমার পরিচিত একজন আছেন। মেয়েটার কথা জিজ্ঞেস করতেই তিনি জানালেন মেয়েটাকে কলেজের এনরোলমেন্ট পেপার দেয়া হচ্ছে না। কারণ মেয়েটি বাংলাদেশে যে এজেন্টকে টাকা দিয়ে এসেছে সে এজেন্ট কলেজ কর্তৃপক্ষকে টাকাটা বুঝিয়ে দেয়নি। আমি আরো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করে যা জানতে পারলাম তা হলো -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলেজটির বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন মূল এজেন্ট রয়েছে। ধরা যাক এরকম একটি এজেন্টের নাম হলো 'ক'। এই এজেন্ট বাংলাদেশে থেকে লন্ডনের ওই কলেজের জন্য শিক্ষার্থী যোগাড় করে, টাকাপয়সা (পাউন্ডের সমপরিমাণ) নিয়ে কলেজে পাঠিয়ে অফার লেটার আনায়। এরপর শিক্ষার্থীরা ওই অফার লেটার নিয়ে ভিসার জন্য হাইকমিশনে ধর্ণা দেয়। কাজের পরিধি বাড়ানোর জন্য 'ক' এজেন্ট কিছু 'খ' 'গ' ‌‌‍'ঘ' সাবএজেন্ট নিয়োগ করে। ওই মেয়েটি এরকমই এক সাবএজেন্টের মাধ্যমে (ধরা যাক এজেন্ট 'গ') লন্ডনের ওই কলেজের অফার লেটার নিয়ে ভিসা পেয়ে লন্ডনে আসে। লন্ডনে এসে সে জানতে পারে তার এজেন্ট (মেয়েটি জানত না এজেন্টের মধ্যেই এতো বিভাজন) কলেজ কর্তৃপক্ষকে পুরো টাকা বুঝিয়ে দেয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন আমি আমার কলেজীয় পরিচিতকে জিজ্ঞাসা করলাম এক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষের করণীয় কি? তিনি কাঁধ ঝাঁকিয়ে জানালেন কিছুই করার নাই। ওই মেয়েটির বাকি ৬০০ পাউন্ড না পাওয়া পর্যন্ত (অথচ মেয়েটির মতে এজেন্ট যা চেয়েছে সে তাই দিয়েছে) কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে কোনো এনরোলমেন্ট পেপার দিতে পারবে না। এর মানে হলো মেয়েটি কোনো ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবে না। NI নাম্বার পাবে না। আইডি কার্ড পাবে না। সর্বোপরি মেয়েটি স্টুডেন্ট ভিসায় এসেও ক্লাস করতে পারবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু এসব এজেন্ট-কলেজ কর্তৃপক্ষের মধ্যেও অনেক ভেজাল রয়ে গেছে। পুরো বিষয় জেনে আমার কাছে কয়েকটি প্রশ্ন জেগেছে। যেমন - &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। 'গ' হতে পারে সাব এজেন্ট। কিন্তু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সে নিশ্চয়ই এজেন্ট 'ক' কে দিয়েছে। এজেন্ট 'ক' তো পুরো টাকা না পেয়ে কলেজ থেকে অফার লেটার আনতে চাইবে না। তাহলে 'ক' এজেন্ট ওই ৬০০ পাউন্ড মেরে দিয়েছে। এখন 'গ' এজেন্টের উপর দোষ চাপাচ্ছে। পুরো ব্যাপারটি দুপক্ষেরই সম্মতিতে ঘটছে?&lt;br /&gt;২। ধরা যাক মেয়েটি আসলেই ৬০০ পাউন্ড কম দিয়েছে। এক্ষেত্রে এজেন্ট 'গ' বিষয়টি এজেন্ট 'ক' কে জানাবে। এজেন্ট 'ক' হয়তো সুযোগ করে দিতে পারে মেয়েটিকে লন্ডনে গিয়ে বাকি টাকা পরিশোধ করতে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটা হয়নি।&lt;br /&gt;৩। কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে তারা বিষয়টির কিছুই করতে পারবে না। তাহলে প্রশ্ন আসে কোন আইন অনুযায়ী একজন এজেন্ট, সাব এজেন্ট নিয়োগ করতে পারে? যদিও করেও - দায়ভার তো মূল এজেন্ট এবং কলেজেরই থাকার কথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলেজীয় পরিচিতজন বললেন মেয়েটি সাবএজেন্টের মাধ্যমে এসেছেন এবং তারা ওই সাবএজেন্টকে চিনেন না। মেয়েটিকে বলা হয়েছে ওই সাবএজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে মূল এজেন্টের কাছে ৬০০ পাউন্ড জমা দিতে। ওদিকে মেয়েটির ভাষ্যমতে ৬০০ পাউন্ড অর্থাৎ এজেন্টের চাহিদামাফিক পুরো টাকাই দেয়া হয়েছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কলেজ কর্তৃপক্ষ কেন মূল এজেন্ট 'ক' কে চাপ দিচ্ছে না 'গ' এজেন্টকে টাকাটার হিসাব দিতে? কলেজীয় ভাইজান তখন নিরুত্তর থাকলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে ছোটভাইয়ের কাজ শেষ হয়ে এসেছে। আমি আবার বারান্দায় বের হয়ে দেখি মেয়েটি তখনো ফোনে কথা বলছে। নতুন যারা আসছে তারা সবাই প্রি-পেইড মোবাইল সিম ব্যবহার করছে। এতোক্ষণ ধরে কথা বলতে গিয়ে মেয়েটির অনেক পাউন্ড খসে যাচ্ছে। মেয়েটির মুখ অন্ধকার। অপরপ্রান্তের কাউকে যেন বারবার করে অনুরোধ করছে, ভাইয়া আমি তো পুরো টাকাই দিয়ে এসেছি। এখন কি করব বুঝছি না। আরো ৬০০ পাউন্ড দিতে হলে তো আমি চলতে পারব না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হায়! মেয়েটির কাছে হয়তো ১০০০ পাউন্ডই আছে। এ সমস্যার যদি কোনো সুরাহা না হয় তাহলে ৬০০ পাউন্ড দিয়ে দিলে আর থাকবে ৪০০ পাউন্ড। একমাসের খরচ, টেনেটুনে দুই মাস। তারপর ... ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার আসা যাক আমার পরিচিত ছোটভাইয়ের বিষয় নিয়ে। ট্যুরিজম এন্ড হোটেল ম্যানেজেমেন্টে পড়তে এসেছে দুই বছরের ডিপ্লোমায়। এ বিষয়ে ভর্তি হতে প্রথম বছরের কোর্স ফি হিসেবে তাকে বাংলাদেশ থেকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩৪০০ পাউন্ড। ভিসা মিলেছে পৌণে তিন বছরের। কলেজের প্রথম দিনে তাকে একটি ইংলিশ টেস্ট দিতে হয়। রেজাল্টে দেখা গেল তার ইংলিশ মোটামুটি ভালো এবং সে লেভেল-৪ (লেভেল-১ থেকে শুরু হয়েছে) ক্যাটাগরিতে পড়েছে। তারপরও ট্যুরিজম এন্ড হোটেল ম্যানেজমেন্টের মতো কড়া বিষয়ে পড়তে হলে আরো চোস্ত ইংরেজি জানতে হবে। এবং এজন্য তাকে জুন ২০১০ অর্থাৎ পরবর্তী ৯ মাসের জন্য ইংলিশ কোর্স করতে হচ্ছে। বাকি ৩ মাস ভ্যাকেশন। বাংলাদেশে পরিশোধ করা ওই ৩৪০০ পাউন্ড তার এসব ইংরেজি শিখতেই খরচ হয়ে যাবে। প্রথম বছর শেষ, টাকাও শেষ। চোস্ত ইংরেজি শেখার পর সে তার আকাঙ্খিত বিষয়ে পড়তে গেলে আবারও পরবর্তী বছরের ফি দিয়ে ভর্তি হতে হবে। অথচ তাকে নাকি এই ইংরেজি শেখার বিষয়ে বাংলাদেশের এজেন্ট কিছুই বলেনি। সে জানত লন্ডনে গিয়েই কলেজের প্রথম ক্লাসের দিন থেকে ট্যুরিজম এন্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট শিখতে শুরু করবে। কলেজীয় পরিচিতজন শ্রাগ করে জানালেন, এটাই নিয়ম। তবে তিনি আশার বাণী শোনালেন যে ইংরেজি শেখার পর পরবর্তী বছরের জন্য ভর্তি ফি কম রাখা হবে, এই যেমন ধরেন ২৪০০-২৬০০ পাউন্ড ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার ইংলিশ শেখানোর বুজরুকিটা শোনেন। আমি একজনকে খুঁজে পেলাম যার ইংলিশ টেস্ট খারাপ হয়েছে এবং লেভেল-১ ক্যাটাগরিতে পড়েছে। আশ্চর্য হয়ে দেখলাম তারও কোর্স এন্ডিং ডেট হলো জুন ২০১০। অর্থাৎ আমার ছোটভাই লেভেল-৪ হয়েও একই সময় ধরে লেভেল-১ ক্যাটাগরির সঙ্গে একই সময় পর্যন্ত পড়াশোনা করে ইংলিশ চোস্ত করবেন। অথচ লেভেল-৪ এর যদি ৯ মাস লাগে তাহলে লেভেল-১ ক্যাটাগরির ছাত্রদের ইংলিশ চোস্তকরণে কমপক্ষে ১২ মাস লাগার কথা। একটু খোঁজখবর করে দেখা গেল লেভেল টেভেল সব ভুয়া। ইংলিশ শেখানোর কথা বলে সবার প্রথম বছরের কোর্স ফি মেরে দেয়া হচ্ছে। কলেজীয় পরিচিতজন আবারও জানালেন, এটাই নিয়ম। হোম অফিস থেকে লোকজন এসে নাকি খবরদারি করে যায়। ভালো কথা। কিন্তু বাংলাদেশী এজেন্টরা কেন এ বিষয়টা খোলাসা করেন না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলেজ থেকে বের হওয়ার পরও বারবার ওই মেয়েটির মুখ মনে পড়ছে। 'ভাইয়া আমি এখন কি করব কিছুই বুঝছি না' বার বার কানে বাজছে। মেয়েটির এই আর্তি বুঝিয়ে দেয় মেয়েটি ওরকম কোনো স্বচ্ছল ফ্যামিলির নয়। এই অতিরিক্ত ৬০০ পাউন্ড তার জন্য বিশাল। হয়তো সে ঋণ করে এসেছে, নতুবা বাবার জমানো সবকটা টাকায় কিনেছে স্টুডেন্ট ভিসা। এখন ...?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লন্ডনের বাংলাদেশী মেয়েদের নিয়ে হঠাৎ করেই চালু হওয়া জোর গুজবে এ মেয়েটি নিশ্চয়ই সামিল হবে না এটাই কামনা করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কি করা যেতে পারে এসব ক্ষেত্রে?&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের এজেন্টদের কাছ থেকে ছাত্ররা কলেজ সম্পর্কে যেমনটা শুনে এসেছেন, লন্ডনে এসে তেমনটা যদি না মেলে তাহলে চাইলেই হোম অফিসের কাছে কমপ্লেন করা যেতে পারে। বিভিন্ন প্রমাণ সাপেক্ষে কলেজটির অনৈতিকতা যদি ধরা পড়ে তবে সেক্ষেত্রে হোম অফিস উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে কলেজের লাইসেন্স বাতিল সহ। এরইমধ্যে বাংলাদেশী মালিকানাধীন কয়েকটি কলেজ হোম অফিসের থ্রেটের মুখে ব্লাকলিস্টেড অবস্থায় রয়েছে। উপরের কলেজটিও এর বাইরে নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কিন্তু শিক্ষার্থীরা অসহায় ...&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারণ হলো কলেজ যদি পছন্দ না হয় আপনি তা পরিবর্তন করতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে -&lt;br /&gt;১। পুরোনো কলেজের (যেখানে ভর্তি হয়ে এসেছেন) ছাড়পত্র লাগবে&lt;br /&gt;২। নতুন কলেজের (যেখানে ভর্তি হতে চাইছেন) মনোনয়ন লাগবে&lt;br /&gt;৩। এবং &lt;b&gt;নতুন কলেজের প্রথম বছরের কোর্স ফি সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে যেখানে পুরোনো কলেজে পরিশোধকৃত টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩ নম্বর পয়েন্টে সবাই আটকে যাচ্ছে। এছাড়াও, কোথায় যাবেন? সবই তো ভিসা কলেজ। আর নতুন এসে সবকিছু বুঝে এরকম হ্যাপা কেউই সামলাতে চায় না। তাই নিরবে সবাই মেনে নিচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ সকালে সদ্য আসা (৩ দিন হয়) ৩ জনকে সময় দিয়েছিলাম। বলেছিলাম ১০.৩০ মিনিটে আসতে। তারা এসেছে ১১.৪৫ মিনিটে। আজকেই প্রথম তারা লন্ডনের রাস্তায় বের হলো। এর মাঝে শুধু একদিন কলেজে গিয়েছিল। পথ হারিয়ে চিনে আসতে তাই এতো সময় লেগেছে। এয়ারপোর্ট থেকে তাদের রিসিভ করেছে যে ব্যক্তি, তিনি তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬০ পাউন্ড করে নিয়েছে। কথা ছিল, বাসা ঠিক করে দেয়া থেকে কলেজে নিয়ে এনরোলমেন্ট করিয়ে, ব্যাংক একাউন্ট খুলে দিয়ে, NI নাম্বারের জন্য এপয়ন্টমেন্ট নিয়ে পারলে ছোটখাট জব খুঁজে দিবে। বাসাটাই শুধু ঠিক করে দিয়েছে, এরপরে লাপাত্তা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাদেরকে দোকানে নিয়ে বিরিয়াণী খাওয়ালাম। প্রথম না-না করছিল কিন্তু খেতে বসে বোঝা গেল এই বিরিয়াণীর কল্যাণে সন্ধ্যা, হতে পারে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত তাদের চলে যাবে। তাদের সঙ্গে কথা বলে আমার আফসোস বাড়ল। এরা বাংলাদেশে কখনোই ইন্টারনেট ব্যবহার করেনি। কমপিউটার চালায়নি। বায়োডাটা কিংবা সিভি কিভাবে লিখতে হয় জানে না। এরা Elephant Castle উচ্চারণ করছে 'এলিফ্যান্ট ক্যাস্‌টল'। এদের মধ্যে একজন হিন্দু। Lamb বিরিয়ানী জানার পরও সে বলছে, ভাই আমি তো হিন্দু, গরু কিভাবে খাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'আমি এখন কি করবো কিছুই বুঝছি না ...' শুধু ওই মেয়েটির হাহাকার নয়। অনেক ছেলেরও আর্তি এটা। বুঝে না বুঝে, যোগ্যতা কিংবা অযোগ্যতায় যারাই লন্ডনে এসেছে তাদের জন্য আফসোস করা ছাড়া কিছুই করার নেই। পরিচিত সবাইকে জবের জন্য বলা রাখছি। কারো কাছ থেকে কোনো আশা নেই। রেস্টুরেন্টের মালিকরা সিলেটি। তাদের আত্মীয়রাও আসছে। রেস্টুরেন্টের জবগুলো তাই তাদের জন্য থেকে যাচ্ছে। এ সংকটে অনেকেই কোনোভাবে হয়তো টিকে যাবে। যারা পারবে না তাদের জন্য খারাপ লাগছে, তাদের ফ্যামিলির জন্য খারাপ লাগছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'আমি এখন কি করবো কিছুই বুঝছি না' ... এই হাহাকার আমারও ...&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1922292401346339040?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1922292401346339040/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1922292401346339040&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1922292401346339040'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1922292401346339040'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/10/blog-post_21.html' title='আমি এখন কি করবো কিছুই বুঝছি না …'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-8868809914560238081</id><published>2009-10-19T15:43:00.003+01:00</published><updated>2010-05-16T15:57:15.764+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কিচিরমিচির'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধারাবাহিক'/><title type='text'>কথোপকথন ০১</title><content type='html'>- কি ব্যাপার আপনার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল নাকি? পাচ্ছিলাম না ..&lt;br /&gt;- হুম। আমি মোবাইল সাইলেন্ট করে রাখি।&lt;br /&gt;- কেন? জরুরি কোনো ফোন হলে তো মিস করবেন।&lt;br /&gt;- মোবাইল রিংটোন আমার ভালো লাগে না। বিরক্তি লাগে।&lt;br /&gt;- কিন্তু আপনার প্রিয়জন যদি কখনো বিপদে পড়ে ফোন করে, তাহলে তো সাহায্য করতে পারবেন না। তখন?&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;- এরকম এখনো ঘটেনি।&lt;br /&gt;- আচ্ছা আপনি মোবাইল ব্যবহার করেন কেন?&lt;br /&gt;- ওমা আজকালকার দিনে কি মোবাইল ছাড়া চলা যায়?&lt;br /&gt;- আপনাকে ফোন করে তো পাওয়া যায় না। মোবাইল ছাড়াই তো আপনার চলছে।&lt;br /&gt;- তা কেন হবে? আপনি কি আমাকে মোবাইলে পান না?&lt;br /&gt;- দুয়েকবার ছাড়া প্রায়ই পাই। কিন্তু অন্যেরা বলে আপনাকে সহজে পাওয়া যায় না মোবাইলে।&lt;br /&gt;- হুম, সাইলেন্ট করে রাখি তো। পরে সেটা অফ করতে ভুলে যাই। তাছাড়া মোবাইল আরেক রুমে রেখে অন্য রুমে থাকলে, ফোন এলে বুঝি না।&lt;br /&gt;- এর নাম তো 'মোবাইল', তাই না? ল্যান্ড ফোনের মতো করে ভাবলে কি হয়। মোবাইল হতে হবে চলমান, আপনে যেখানেই যাবেন মোবাইল সঙ্গে থাকতে হবে।&lt;br /&gt;- তা ঠিক। কিন্তু আমি ভুলে যাই। মাঝে মাঝে টপআপ করতেও ভুলে যাই।&lt;br /&gt;- তার মানে হলো মোবাইলের প্রয়োজনীয়তা আপনি অনুভব করেন না। এক কাজ করবেন? মোবাইল ছেড়ে দিন। আর ব্যবহার করবেন না।&lt;br /&gt;- সেটা হবে না। অনেকেই আমাকে খুঁজে পাবে না। আমার অফিসেও সমস্যা হবে।&lt;br /&gt;- তাহলে মোবাইল ফোনটাকে 'মোবাইল' হিসেবে চিন্তা করে সবসময় সাথে রাখুন। সাইলেন্ট করে রাখবেন না। সবসময় টপআপ করে রাখবেন। মনে রাখবেন বিপদে পড়ে কেউ ফোন করলে আপনার 'মোবাইল সাইলেন্ট' থাকার কারণে তাকে কোনো সাহায্য করতে পারবেন না। প্রবাদ আছে, দুধ দেয়া গরুর লাথি খাওয়ায় ভালো। মোবাইলের রিংটোনের কারণে আপনার বিরক্তি ঘটবে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে। কিন্তু শান্ত থাকবেন ওটা ভেবে যে অনেক জরুরি কাজ, প্রিয়জন এদের কাছাকাছি থাকা যায় মোবাইলের কারণে। ঠিক আছে?&lt;br /&gt;- না ঠিক নাই। আমি নিজেকে পরিবর্তন করতে পারব না। আমি অন্যরকম ...&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-8868809914560238081?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/8868809914560238081/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=8868809914560238081&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8868809914560238081'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8868809914560238081'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/10/blog-post_19.html' title='কথোপকথন ০১'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-6520322249183032895</id><published>2009-10-05T23:20:00.004+01:00</published><updated>2010-05-16T15:57:39.654+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>লন্ডনের নতুন আসা শিক্ষার্থীরা ... (ভিডিও)</title><content type='html'>যারা ব্লগে, পত্রিকায় (ইংরেজি বিশেষ করে) বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের দুর্দশা নিয়ে লিখছেন তাদের অনুরোধ করছি এসব বিষয় যেন কোনোভাবেই হোম অফিস কিংবা কোনো সরকারি কর্মকর্তাদের নজরে না আসে। কাগজকলমে শিক্ষার্থীরা 'অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল' এ অঙ্গীকার করেই এসেছেন। আমাদের সচেতনতা সৃষ্টির মূল কথাটি হলো - &lt;b&gt;যদি ৬/৮ মাস নিজ খরচে চলতে পারেন তবেই শিক্ষার্থী হয়ে লন্ডনে আসুন।&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শোনা যাচ্ছে এসব প্রতিবেদনকে আশ্রয় করে হোম অফিসের 'ফেও' ছাত্রদের পিছু লাগবে। কিছু অসৎ কলেজ (নানা দেশী) এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। রিসেশন কাটানোর প্রাথমিক ধাক্কা এসব স্টুডেন্টদের পয়সা দিয়ে সামলানো যাচ্ছে। কিন্তু অধিক শিক্ষার্থীর কারণে জনসংখ্যার হার লাঘব করতে 'ভিসা রিনিউ' রিফিউজ করা শুরু হয়েছে। আমার পরিচিত ২ জনের ভিসা রিফিউজ হয়েছে। মনে রাখবেন, এখন ভিসা পাওয়া যতো সহজ, ভিসা রিনিউ ততো কঠিন। যারা ১/২ বছরের ভিসা নিয়ে এসেছেন আগামী ২০১২ অলিম্পিকের আগে ভিসা রিফিউজের মাধ্যমে দেশে ব্যাক করানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখতে পারে হোম অফিস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুধু বাংলাদেশী নয় আফ্রিকান দেশ সহ উপমহাদেশের সকল দেশ থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী এসেছে। তাই সবাইকে রাস্তায় সাবধানে চলতে ফিরতে অনুরোধ করছি। আফ্রিকান ছেলেপেলেরা গায়েগতরে শক্তিশালী, গভীর রাতে রাস্তায় আপনাকে হাইজ্যাক করে শেষ সম্বলটুকুও ছিনিয়ে নিতে পারে। এখন ফ্রডের পাল্লায় পড়তে পারেন, বিশেষত পাকি এবং তামিলদের থেকে সাবধান। কিছুদিন আগেও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক বৃটিশ পাকি ১৯ জন বাংলাদেশীদের সোজা ইউকে বর্ডার এজেন্সীর ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে গেছে। এদের মধ্যে মাত্র ১ জন মুক্তি পেয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি চাকরিও পানও তারপরও ২০ ঘন্টার বেশি কাজ করবেন না যেন। কর্মস্থলে 'রেইড' দেয়া চালু আছে। রাতের লন্ডন &amp;lt;:-P   দেখার জন্য অযথাই সেন্ট্রাল লন্ডন ঘুরে বেড়াবেন না। বৃটিশ গভর্ণমেন্টের 'স্টপ এন্ড সার্চ' পলিসি আপনাকে খামোখাই হয়রানিতে ফেলবে। আপনার 'ওয়েস্টার কার্ড' ঠিকমতো মেইনটেইন করবেন। এ ওয়েস্টার কার্ডের লগ দেখে যাচাই করতে পারে আপনি কলেজে ঠিকমতো গিয়েছেন কিনা। ধরা যাক আপনার কলেজ হোয়াইটচ্যাপেলে, আপনি থাকেন লেইটোনস্টোন। সপ্তাহে তিনদিন আপনার ওয়েস্টারে হোয়াইটচ্যাপেল-লেইটোনস্টোন (ক্লাসের সময়সূচি মিলিয়ে) লগ যেন থাকে সেটা ঠিক রাখবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবারো বলছি - &lt;b&gt;যদি ৬/৮ মাস নিজ খরচে চলতে পারেন তবেই শিক্ষার্থী হয়ে লন্ডনে আসুন।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;a href="http://www.facebook.com/video/video.php?v=1267435845659&amp;amp;saved"&gt;ভিডিওর লিংক ফেসবুকে দেয়া আছে।&lt;/a&gt; সবার অনুমতিতে চিত্রগ্রহণ করা হয়েছে বলে ভিডিওটি ব্লার করে দেয়া হলো না। &lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="300" width="400"&gt;&lt;param name="allowfullscreen" value="true" /&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always" /&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.facebook.com/v/1267435845659" /&gt;&lt;embed src="http://www.facebook.com/v/1267435845659" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="400" height="300"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-6520322249183032895?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/6520322249183032895/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=6520322249183032895&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6520322249183032895'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6520322249183032895'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/10/blog-post_05.html' title='লন্ডনের নতুন আসা শিক্ষার্থীরা ... (ভিডিও)'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-8943766676405258747</id><published>2009-10-03T17:12:00.004+01:00</published><updated>2010-05-16T15:58:41.402+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সম্পাদনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধারাবাহিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০৩</title><content type='html'>&lt;b&gt;নতুন, যাদের ফিল্মমেকিং সম্পর্কে আগ্রহ আছে তাদের জন্যই এ ধারাবাহিক পোস্ট। পুরোনো, যারা ইতিমধ্যেই ফিল্ম কিংবা ভিডিও মিডিয়ায় কাজ করছেন তাদের জন্য এ পোস্টে কিছুই নেই। তবে নতুনদের উদ্দেশ্যে যে কোনো পরামর্শ তারা দিতে পারেন।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://aloukik.amarblog.com/posts/86643"&gt;একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০১&lt;/a&gt; ~~ &lt;a href="http://aloukik.amarblog.com/posts/86720"&gt;একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০২&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি ফিল্ম তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। ধাপগুলো হচ্ছে - &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. প্রি-প্রডাকশন (পূর্ব প্রস্তুতি)&lt;br /&gt;২. প্রডাকশন (নির্মাণ সময়)&lt;br /&gt;৩. পোস্ট-প্রডাকশন (নির্মাণ পরবর্তী সময়)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার একটি গল্প আছে এবং ফিল্ম বানানোর জন্য টাকাপয়সাও আছে। তাহলে এবার দেখা যাক কোন ধাপে কি কি কাজগুলো সম্পন্ন করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;প্রি-প্রডাকশন&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এ ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ পরিকল্পনা কিংবা সিদ্ধান্ত এ ধাপেই নিতে হয়। যার প্রি-প্রডাকশন যতো শক্তিশালী হয়, তার প্রডাকশন ততো ভালো হয় এবং তার ফলে পোস্ট প্রডাকশনে প্রচুর সময় বেঁচে যায়। এজন্য খেয়াল করবেন বড় বড় হিট কিংবা বিখ্যাত মুভিগুলোর প্রি-প্রডাকশনে সময় বেশি ব্যয় হয়। পত্রপত্রিকাতেও ফিল্মের প্রি-প্রডাকশনের খবরগুলোও বেশি ছাপা হয়। বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে সত্যজিতের ১ বছর আগেই গাছ রোপণ, টাইটানিক নিয়ে গবেষণা, কারিনা কাপুর কিংবা হালের রাণী মুখার্জির সাইজ জিরো হওয়া, টিচার রেখে ক্যাটরিনার হিন্দি ভাষা শেখা - এসবই প্রি-প্রডাকশনের অন্তর্ভুক্ত। যাহোক, নিচের ক্রমগুলো দেখলেই বোঝা যাবে প্রি-প্রডাকশনের কাজ কি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. স্ক্রিপ্ট লেখা ও গবেষণা&lt;br /&gt;২. কলাকুশলী নির্বাচন&lt;br /&gt;৩. কলাকুশলীদের সঙ্গে মিটিং&lt;br /&gt;৪. প্রডাকশন ক্রু নির্বাচন (বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মূলত ক্যামেরাম্যান, এডিটর, এ্যানিমেটর)&lt;br /&gt;৫. মিউজিক ডিরেক্টর নির্বাচন ও মিটিং&lt;br /&gt;৬. লোকেশন পরিদর্শন ও নির্বাচন&lt;br /&gt;৭. শুটিং শিডিউল&lt;br /&gt;৮. স্ক্রিপ্ট কারেকশন&lt;br /&gt;৯. কস্টিউম এন্ড প্রপস ম্যানেজমেন্ট&lt;br /&gt;১০. ক্রুদের সঙ্গে মিটিং&lt;br /&gt;১১. যাতায়াত, খাওয়া, থাকা ম্যানেজমেন্ট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূলত এ কয়টা কাজ। তবে সেট নির্মাণ ছাড়াও পাত্রপাত্রীদের চরিত্রের প্রয়োজনে বিশেষ কোনো ট্রেনিং প্রি-প্রডাকশনের আওতায় পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;প্রডাকশন&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;প্রি-প্রডাকশনের প্ল্যান অনুযায়ী প্রতিদিন শুটিং কিংবা ফিল্মিং করে যাওয়াটাই প্রডাকশন ধাপের মূল কাজ। প্রি-প্রডাকশনে জড়ো হওয়া সকল নির্মাণশিল্পী, কলাকুশলী তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব এসময় পালন করে যান। প্রডাকশন টিমে যারা যারা কাজ করেন তাদের লিস্ট দেয়া হলো নিচে (বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে, স্টান্টম্যানদের বাদ দিয়ে)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. পরিচালক&lt;br /&gt;২. ক্যামেরাম্যান&lt;br /&gt;৩. লাইট ক্রু&lt;br /&gt;৪. প্রডাকশন ম্যানেজার&lt;br /&gt;৫. মেকাপম্যান&lt;br /&gt;৬. স্পেশাল ক্রু (ট্রলি, জিবআর্ম, ক্রেণ, রেইনমেশিন, ব্লোয়ারমেশিন ইত্যাদি)&lt;br /&gt;৭. এস্টিট্যান্টস (পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ, প্রডাকশন, মেকাপ ইত্যাদি)&lt;br /&gt;৮. কলাকুশলী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রি প্রডাকশনের শুটিং শিডিউল অনুযায়ীই এসময় কাজ চলতে থাকে। পরিস্থিতি অনুযায়ী মাঝে মাঝে কিছু সিদ্ধান্ত বদল হতে পারে। প্রতিদিনের নির্ধারিত শুটিং শেষে ছোট একটা মিটিং হয়ে থাকে পরবর্তী দিনের শিডিউল নিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;পোস্ট প্রডাকশন&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;প্রি-প্রডাকশনের প্ল্যানিং অনুযায়ী প্রডাকশনের কাজ শেষ হওয়ার পর শুরু হয় পোস্ট প্রডাকশন। ধারণা করতে পারছেন এ সময়টার মূল কাজ 'সম্পাদনা'। প্রি-প্রডাকশন শক্তিশালী হলে, প্রডাকশনের সময় সকল কাজ সুষ্ঠুমতে সম্পন্ন হলে পোস্ট প্রডাকশন দারুণ গতিময় হয়। যাহোক পোস্ট প্রডাকশনের কাজগুলো হলো -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. সম্পাদনা&lt;br /&gt;২. প্যাচওয়ার্ক (রি-শুটিং ইত্যাদি)&lt;br /&gt;৩. নেপথ্য কণ্ঠ কিংবা ডাবিং&lt;br /&gt;৪. এনিমেশন (টাইটেল কিংবা স্পেশাল কোনো এফেক্টের জন্য)&lt;br /&gt;৫. মিউজিক ডিরেক্টরের সঙ্গে মিটিং ও আবহ তৈরি&lt;br /&gt;৬. কালার কারেকশন&lt;br /&gt;৭. মাস্টার (সম্প্রচারের উপযোগী) তৈরি করা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোটামুটি এ হলো একটি ফিল্ম কিংবা নাটক নির্মাণের তিনটি ধাপ। বড় পর্দার (১৬ মিলি, ৩৫ মিলি, ৭০ মিলি) জন্য এ ধাপগুলোর কোনো কোনোটিতে কাজের ধরণ ও ক্রুদের পরিবর্তন হয়। তবে ডিজিটাল ফিল্মমেকিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয়গুলো মোটামুটি উল্লেখ করেছি (ভুল হলে মনে করিয়ে দিয়েন)। আবারও বলছি নির্মাণে প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি হলো প্রি-প্রডাকশন। সবচেয়ে জোর দেয়া হয় ওই ধাপটির উপরই। আগামী পর্বগুলোতে প্রত্যেকটি ধাপের কাজগুলো সম্পর্কে আলাদা আলাদ পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপাতত এটুকুই। আমারফিল্ম.কম এ আপনার ফিল্ম দেখার প্রত্যাশায় রইলাম।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-8943766676405258747?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/8943766676405258747/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=8943766676405258747&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8943766676405258747'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8943766676405258747'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/10/blog-post_03.html' title='একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০৩'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-3970160420094523554</id><published>2009-10-01T17:58:00.004+01:00</published><updated>2010-05-16T15:59:08.674+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সম্পাদনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধারাবাহিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০২</title><content type='html'>আজকে কোনো কথা নয়। চলুন ফিল্ম দেখি বরং। ব্লগার &lt;a href="http://dewdropsreturn.amarblog.com/"&gt;মাহমুদুল হাসান রুবেল&lt;/a&gt; ৩ মিনিটের দৈর্ঘ্যে আপত্তি জানিয়েছেন। কিন্তু ৩ মিনিট আসলেই অনেক লম্বা সময়। বাংলাদেশের বর্তমান গল্পভিত্তিক বিজ্ঞাপনগুলো দেখলেই তা বোঝা যায়। স্বল্পদৈর্ঘ্যের ফিল্ম বানানো অনেক চ্যালেঞ্জের বিষয়।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://aloukik.amarblog.com/posts/86643"&gt;একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০১&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিচের ফিল্মটির নাম টোকাই। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান - রূপান্তর সিনেমা টিম। স্ক্রিপ্ট, চিত্রগ্রহণ, পরিচালনা - নাইমুল ইসলাম অপু, সম্পাদনা - &lt;a href="http://iazico.blogspot.com/"&gt;ইশতিয়াক জিকো&lt;/a&gt;, &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="364" width="445"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/HKQnjuDqmlI&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;border=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/HKQnjuDqmlI&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;border=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="445" height="364"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার একটি বিদেশী ফিল্ম দেখি। ফিল্মের নাম OFFICE. (ইউটিউবে আর কোনো ইনফো পেলাম না)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="364" width="445"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/6FOV7DajZ6w&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;border=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/6FOV7DajZ6w&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;border=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="445" height="364"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছবি দুইটিরই দৈর্ঘ্য ৩ মিনিটের কম। কিন্তু দেখুন মনে হবে অনেকক্ষণ ধরেই দেখলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;যাই হোক এবার একটা টাস্ক দিই যারা আগ্রহী তাদের জন্য। ছবি দুটি প্রথম থেকে দেখুন। আর এ দুটি ছবিতে ক্লোজ শট, মিড শট এবং লং শট - মোট কতোবার ব্যবহার করা হয়েছে তা টুকে রাখুন&lt;/b&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপাতত এটুকুই। আমারফিল্ম.কম এ আপনার ফিল্ম দেখার প্রত্যাশায় রইলাম।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-3970160420094523554?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/3970160420094523554/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=3970160420094523554&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/3970160420094523554'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/3970160420094523554'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/10/blog-post.html' title='একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০২'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-6623236095893160090</id><published>2009-09-30T20:56:00.001+01:00</published><updated>2010-05-16T15:59:34.198+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সম্পাদনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধারাবাহিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০১</title><content type='html'>&lt;b&gt;আমারব্লগের &lt;a href="http://amarbloginfo.amarblog.com/posts/86582/"&gt;'মুভিব্লগিং'&lt;/a&gt; ধারণায় আমি এক্সাইটেড। নতুন, যাদের ফিল্মমেকিং সম্পর্কে আগ্রহ আছে তাদের জন্যই এ ধারাবাহিক পোস্ট লিখব বলে ঠিক করেছি। পুরোনো, যারা ইতিমধ্যেই ফিল্ম কিংবা ভিডিও মিডিয়ায় কাজ করছেন তাদের জন্য এ পোস্টে কিছুই নেই। তবে নতুনদের উদ্দেশ্যে যে কোনো পরামর্শ তারা দিতে পারেন।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="" height="225" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Amarfilm_01.JPG" width="400" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিল্ম নির্মাণের জন্য আপনাকে জানতে হবে শট কয় প্রকার। মূলত শট তিন প্রকার - &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. ক্লোজ আপ শট&lt;br /&gt;২. মিড শট বা মিডিয়াম শট&lt;br /&gt;৩. লং শট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ তিন প্রকার শটকেই নানাভাবে খেলিয়েই ফিল্ম নির্মাণ করা হয়। নিচে স্থিরচিত্রের মাধ্যমে শটগুলো বোঝানোর চেষ্টা করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;img alt="ক্লোজ আপ শট" height="120" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Close.jpg" width="150" /&gt; &lt;img alt="মিড বা মিডিয়াম শট" height="120" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Mid.jpg" width="150" /&gt; &lt;img alt="লং শট" height="120" src="http://www.amarblog.com/uploads_user/3000/9/Long.jpg" width="150" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার আসা যাক ক্যামেরা মুভমেন্ট নিয়ে। মূলত ক্যামেরা মুভমেন্ট তিন প্রকার - &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. টিল্ট আপ এন্ড ডাউন (ক্যামেরা উপর-নীচ আর নীচ-উপর করা)&lt;br /&gt;২. প্যান রাইট এন্ড লেফট (ক্যামেরা ডান-বাম এবং বাম-ডান করা)&lt;br /&gt;৩. জুম ইন এন্ড আউট (এটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তো এই হলো ক্যামেরা শট আর মুভমেন্ট। মোটামুটি প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেল 'কিভাবে' আর 'কি' ধারণ করবেন আপনার ক্যামেরায়। এবার আসা যাক আপনি কিরকম ফিল্ম বানাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাকে প্রথমে একটি গল্প বাছাই করতে হবে। এ গল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব চিন্তা ও উদ্দেশ্য কাজ করবে। আপনি বিনোদনমূলক কিছু বানাতে চান নাকি দর্শকদের উদ্দেশ্যে কোনো মেসেজ দিতে চাচ্ছেন সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। গল্প পাওয়া হয়ে গেলে এবার সেটার ভিজুয়ালাইজেশন করুন। ডিরেক্টরের কাজই হলো ভিজুয়ালাইজ করা আর সেটার পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়ার জন্য দক্ষ সহকর্মীদের (ক্যামেরাম্যান, এডিটর, লাইট ক্রু, সেট ডিজাইনার প্রভৃতি) সমন্বয় করা। তারপর সবার মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি হয় একটি পরিপূর্ণ ফিল্ম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গল্পে/ উপন্যাসে অনেক কিছু সহজে লিখে ফেলা যায়। কিন্তু সেটার চিত্রধারণে সমস্যা থাকে। গল্পে গরুকে গাছে উঠানো গেলেও বাস্তবে সম্ভব হয় না। আবার গল্পে/ উপন্যাসে এমন অনেক কিছুই থাকে না, যেটা চিত্রায়ণের সময় আপনাকে দেখাতে হবে। উদাহরণ দিচ্ছি - &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;মজিদ মিয়া প্রতিদিন ভোরে তার জোয়াল কাঁধে নিয়ে অন্যের জমিতে হালচাষ করতে বের হয়।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ লাইনটি হতে পারে আমারফিল্ম.কম এর জন্য ৩ মিনিটের একটি ফিল্ম। একজন আনকোরা কাউকে ভিজুয়ালাইজ করতে দিলে তিনি হয়তো নিচের বিষয়গুলোই ভাববেন -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. মজিদ নামের একটি চরিত্র (অভিনেতা)&lt;br /&gt;২. ভোরের সূর্য্য (প্রকৃতি)&lt;br /&gt;৩. জোয়াল (প্রপস)&lt;br /&gt;৪. গ্রামের মেঠো পথ (লোকেশন)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু একজন পরিচালক লাইনটি নিয়ে আরো অনেক কিছুই ভাববেন, উপরের লাইনে যেসবের উল্লেখ নেই। যেমন, সূর্য্য উঠছে - এরকম একটি দৃশ্যই যথেষ্ট সেটা বোঝানোর জন্য। কিন্তু আরো প্রাণবন্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য পরিচালক এখানে অনেক কিছু করতে পারেন। তিনি দূর থেকে ভেসে আসা আজানের (ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক/ আবহ) ধ্বনি ব্যবহার করতে পারেন। উদীয়মান সূর্য্যের পর গ্রামের খালি মেঠো পথ কিংবা মুসল্লীরা নামাজে যাচ্ছে এরকম কিছু থাকতে পারে। মজিদ মিয়া &lt;b&gt;অন্যের জমিতে চাষ করেন।&lt;/b&gt; তাই তিনি গরিব, বর্গাচাষী। সাধারণত বর্গাচাষীদের আর্থিক এবং সামাজিক অবস্থা ভালো হয় না। অতএব মজিদ মিয়ার শরীর একটি ময়লা গেঞ্জি এবং ন্যাতনেতে লুঙ্গি (কস্টিউম) থাকতে পারে। মজিদ মিয়ার বাড়িঘরের অবস্থা দেখানোর জন্য শট নেয়া যেতে পারে। তার বাড়ির উঠোনে মুরগীর বাচ্চাদের কিচিরমিচির।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার আমি আমার মতো করে &lt;b&gt;মজিদ মিয়া প্রতিদিন ভোরে তার জোয়াল কাঁধে নিয়ে অন্যের জমিতে হালচাষ করতে বের হয়&lt;/b&gt; এ লাইনটির ভিজুয়াল করছি। আমি যেমনটি ভাবছি আপনার ভাবনা সেরকম নাও হতে পারে, পরিচালক ভেদে এই ভিজুয়ালাইজেশনের তারতম্য হয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. বিস্তীর্ণ জমি পেরিয়ে দূরে দৃশ্যমান গ্রামের মাথা দিয়ে সূর্য্য উঠছে - &lt;b&gt;এক্সট্রিম লং শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;২. গাছপালার ফাঁক দিয়ে সেই সূর্য্য দেখা যাচ্ছে - &lt;b&gt;লং শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;৩. গ্রামের মেঠো পথ। সেই পথ ধরে হেঁটে আসছে একজন মুসুল্লি - &lt;b&gt;লং শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;৪. মজিদ মিয়ার ঘর। ঘর থেকে মজিদের বউ জমিলা বের হয়ে ক্যামেরার ডান দিক দিয়ে বের হয়ে যায় - &lt;b&gt;মিডিয়াম লং শট।&lt;/b&gt; কাট টু ... &lt;br /&gt;৫. মুরগীর খোয়াড়ের দরজা। জমিলার হাত প্রবেশ করে দরজা খুলে দেয়। একটা মুরগী ঝটপট বেরিয়ে যায়। &lt;b&gt;ক্লোজ শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;৬. উঠান, মুরগীর খোয়াড়, গরুর গোয়ালঘর সহ মজিদের পুরো বাড়ি। জমিলা সবগুলো মুরগী বের করে গোয়াল ঘরের দিকে রওনা দেয় - &lt;b&gt;লং শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;৭. মজিদের ঘরের দরজা। মজিদ বেরিয়ে এসে চোখ কচলায়- &lt;b&gt;ক্লোজ শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;৮. গোয়াল খাবারের গামলা। ক্যামেরা ক্লোজ শট থেকে জুম আউট হচ্ছে - দেখা যাচ্ছে গরুর মুখ - জুম আউট হচ্ছে - এবার গরুর মুখ সহ জমিলাকে দেখা যাচ্ছে - জুম আউট হচ্ছে - এবার মজিদ ফ্রেমে প্রবেশ করে - ক্যামেরা মিডিয়াম লং শটে ফিক্সড হয় - মজিদ গোয়াল ঘর থেকে জোয়াল হাতে নেয়।&lt;br /&gt;৯. গ্রামের মেঠো পথ। ক্যামেরা গাছ থেকে টিল্ট ডাউন হয়ে নেমে আসে। মজিদ জোয়াল হাতে গরুসহ হেঁটে আসছে। &lt;b&gt;লং শট।&lt;/b&gt; কাট টু ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে দৃশ্য গেঁথে গেঁথে আপনার গল্পটি তুলে ধরবেন দর্শকের কাছে। এর সঙ্গে আপনি আজানের ধ্বনি, পাখির/ মুরগীর কিচিরমিচির, গরুর হাম্বা ইত্যাদি আবহ মিশিয়ে দৃশ্যটি প্রাণবন্ত করে তুলবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু নতুনদের জন্য ক্যামেরার এতো শট আর ক্যামেরার স্থান পরিবর্তন জটিল হতে পারে। অথবা আপনি এতোসব কষ্টই করতে চান না অথচ আমারফিল্ম.কম এ ভিডিও আপলোড করতে চান। তাহলে? আপনাদের জন্য সহজ উপায় হচ্ছে এ পদ্ধতিতে এগোনো  - লং শট &amp;gt; মিডিয়াম শট &amp;gt; ক্লোজ শট &amp;gt; ক্লোজ শট &amp;gt; মিডিয়াম শট &amp;gt; লং শট &amp;gt; ক্লোজ শট &amp;gt;  ক্লোজ শট &amp;gt; ... ... ... লং শট &amp;gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজকে &lt;a href="http://eskimo.amarblog.com/posts/86627"&gt;জিয়া ভাইয়ের পোস্টের ভিডিওটা&lt;/a&gt; একটু দেখি। ইউটিউব থেকে এমবেড করে দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="364" width="445"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/3idwIkAgZ3U&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;border=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/3idwIkAgZ3U&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;border=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="445" height="364"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভিডিওটি জিয়া ভাই হয়তো এমনিই তুলেছেন। কিন্তু চাইলে ক্যামেরাতেই এডিট করে করে তিনি সুন্দর একটি ভিজুয়াল তৈরি করতে পারতেন যদি লং&amp;gt;মিড&amp;gt;ক্লোজ এই ফর্ম্যাটে এগোতেন। ভিডিওর প্রথমে জিয়া ভাই ক্যামেরা রাইট প্যান করে তীরে গেছেন। গুড। এরপর ক্যামেরার রেকর্ড স্টপ করে তিনি জুম ইন করে তীরের নৌকাকে মিড শটে তুলতে পারতেন। এরপর রেকর্ড স্টপ করে তীরের দোকানগুলো রেকর্ড করতে পারতেন একই ফ্রেমে। এরপর রেকর্ড বন্ধ করে ঢেউয়ের বা বালি তটের দৃশ্য ধারণ করতে পারতেন। আপনি যতোই এ্যামেচার হোন না কেন এভাবে ভিডিও তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে তা অনেক দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপাতত এটুকুই। আমারফিল্ম.কম এ আপনার ফিল্ম দেখার প্রত্যাশায় রইলাম।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-6623236095893160090?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/6623236095893160090/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=6623236095893160090&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6623236095893160090'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6623236095893160090'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/09/blog-post_30.html' title='একটা সিনেমা বানাতে চাই - ০১'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-427385009523029935</id><published>2009-09-23T01:03:00.002+01:00</published><updated>2009-09-23T01:03:24.423+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>স্টুডেন্ট হিসেবে লন্ডন আসবেন না আপাতত ...(ভিডিও)</title><content type='html'>বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ভিসা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াগুলো সহজ হয়ে গেছে। যে কোনো ছাত্রছাত্রীর যদি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;* বৃটিশ হোম অফিস লিস্টেড কলেজের অফার লেটার থাকে এবং&lt;br /&gt;* আবেদনকারীর ব্যাংক একাউন্টে (২৮ দিন বা তদুর্ধ্ব) মিনিমাম ১০ লাখ থাকে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাহলে তিনি কোর্সের অবস্থা অনুযায়ী মিনিমাম ২ বছর থেকে ৩ বছর ভিসা পেয়ে যাচ্ছেন। বৃটিশ হাইকমিশন আর তেমন কোনো ঠিকুজি যাচাই করছে না। পশ্চিমা বিশ্বের হাতছানি এবং উচ্চতর পড়াশোনার জন্য অনেকেই এখন বৃটেন আসছেন। এক হিসেবে জানা গেছে গত ৩ মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৫-২৮ হাজার ছাত্রছাত্রী যুক্তরাজ্যে এসেছেন। কিন্তু তাদের অবস্থা কি? কেমন কলেজে তারা পড়ছেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টুডেন্টদের জন্য স্বর্গ ছিল লন্ডন সহ পুরো যুক্তরাজ্য। ভিসাপ্রাপ্তি কঠিন থাকলেও কোনোমতে চলে আসা গেলে ২০ ঘন্টার বেশি কাজ করে পুরো মাসে ২০০০ থেকে ৩০০০ পাউন্ড আয় করা সম্ভব ছিল। ভিসা রিনিউ ফর্মে NI Number (National Insurance) নাম্বার দিতে হতো না বলে হোম অফিস ধরতে পারত না কোন স্টুডেন্ট কতো ঘন্টা কাজ করেছে। কিন্তু ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সংগঠিত হবার পর থেকেই এসব সুবিধা কমে আসতে আসতে এখন শূণ্যের কোঠায় চলে গেছে। ভিসা রিনিউ করার চার্জ তো বেড়েছেই, সাথে এনআই নাম্বার দিতে হচ্ছে। ফলে ২০ ঘন্টার বেশি কাজ করার সুযোগ নেই। এছাড়াও বাড়তি কাজ দেয়ার কারণে মালিক-কর্তৃপক্ষের জরিমানার কারণে সেই ঝুঁকিও কেউ নিচ্ছে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু কিছু কলেজ ছিল যারা 'ভিসা কলেজ/ মামা কলেজ' নামে পরিচিত ছিল। এসব কলেজের কাজ ছিল ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ঠিক রাখা, ফাঁকে ফুঁকে দুয়েকটা টেস্ট-পরীক্ষা নিয়ে তাদের ছাত্রত্ব বজার রাখা, ফোনটোন করে হোম অফিসের ভিজিটের দিন কলেজে আসতে বলা। এবাবদ তারা বছরে একটা ফি (৪০০ থেকে ১০০০ পাউন্ড পর্যন্ত) ছাত্রদের কাছ থেকে নিত। এসব কলেজের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার নামে আসলে অর্থ উপার্জন করতে বলে এসব কলেজের চাহিদা ছিল। (আমারও অবশ্য এতে কোনো আপত্তি ছিল না)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে হোম অফিসের কঠোর হস্তক্ষেপে প্রায় ১০ বছর ধরে চলে আসা এই ভিসা কলেজের রমরমা ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। এখন প্রতিটি কলেজকে হোম অফিস কর্তৃক এফিলিয়েটেড হতে হচ্ছে। যারা নিয়ম রক্ষা করে পারছে না তারা ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এদিকে কড়া করে অন্যদিকে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে দিয়েছে হোম অফিস। বেনিয়া বৃটিশ জাতি তার ব্যবসার নতুন দিক উন্মোচন করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন প্রতিটি কলেজে ভিসা পাবার পূর্বে ন্যুনতম ১২০০ থেকে ৩০০০ পাউন্ড দিয়ে আসতে হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের যেটা আগে ছিল না। তো প্রাথমিক অবস্থাতেই বৃটিশ গভর্ণমেন্ট তার দেশে অনেকগুলো পাউন্ডের যোগান পেয়ে যাচ্ছে। কলেজগুলো থেকে প্রতিটি স্টুডেন্ট বাবদ একটা ফি কেটে নেয় হোম অফিস (এ ব্যাপারে আমি ঠিক শিওর না, কোনো ব্লগার জানলে শুধরে দেবেন)। ওদিকে ভিসার জন্য বৃটিশ হাইকমিশনে ফি তো দেয়া হচ্ছেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটা অফার লেটার আর একাউন্টে ১০ লাখ টাকা, চলে আসুন লন্ডন। জমজমাট বিজ্ঞাপনে আগপাশতলা না ভেবে ছাত্রছাত্রীরা লাফিয়ে পড়ছে আর মুনাফা লুটছে অসাধু বাংলাদেশীরা। আপনার টাকা নেই কোনো সমস্যা নেই। ১০ লাখ টাকা আপনার একাউন্টে ১ মাস জমা রেখে ভিসা পাওয়ার পর সুদ বাবদ আপনার কাছ থেকে ২/৫ লাখ টাকা নিয়ে নিচ্ছে। ছাত্রছাত্রীরা ভাবছে ২/৫ লাখ টাকা খরচে লন্ডন আসা গেল। লন্ডন গেলেই চাকরি, পড়াশোনা, ঋণের টাকা পরিশোধ, বাবা-মায়ের মুখে হাসি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু আসল চিত্র ভিন্ন। বতর্মানে বৈশ্বিক মন্দার কারণে চাকুরি নাই, শাদা চামড়ার মানুষের কাছে পয়সা নাই, তাই বাঙালি রেস্টুরেন্টের পসার কমে গেছে। বাড়ি ভাড়া অত্যধিক। লন্ডন শহরে ছোটখাট অনেক মসজিদ আছে, সেখানে কিছু কিছু স্টুডেন্ট রাত্রি যাপন করছে। শীতের শুরু, ভালো কোনো বাসস্থান না পেলে ঠান্ডায় কষ্ট পেতে হবে। আগে যেমন পড়াশোনা না করে থাকা যেত এখন সেটা সম্ভব না। আপনারকে সপ্তাহে ৩ দিন অবশ্যই কলেজ এটেন্ড করতে হবে। সেমিস্টার/ বছর গেলেই পয়সা দিতে হবে। যাদের সামর্থ্য আছে তারা ভালোই আছেন। কিন্তু বেশিরভাগ স্টুডেন্ট কাজ করে উপার্জন করে পড়বেন বলে ঠিক করেছেন তারা সমস্যায় পড়েছেন। লন্ডনে একজন ছাত্রের সব মিলিয়ে ৩৫০ থেকে ৪০০ পাউন্ডের প্রয়োজন আরাম আয়েশ ছাড়া বেঁচে থাকতে, বাংলাদেশী টাকায় যা প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে লন্ডনের মতো জব মার্কেটের অতো অবস্থা খারাপ নয় বাইরের শহরগুলোতে। কিন্তু সেখানে যাওয়া যাবে না হোম অফিসের তদারকি আর কলেজের উপস্থিতির কারণে। তাছাড়া মোটামুটি কম পয়সায় বাইরের শহরগুলোতে পড়তে যাওয়ার মতো কলেজও নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লন্ডনের বাংলা কমিউনিটি টিভিচ্যানেল 'চ্যানেল এস' বাংলাদেশ থেকে আসা এসব স্টুডেন্টদের সঙ্গে কথা বলেছে। প্রতিবেদক মোহাম্মদ জুবায়ের-এর ভিডিও রিপোর্টটি নিচে দেখুন। যদিও স্টুডেন্টদের অনুমতি নিয়েই প্রতিবেদক তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন তারপরও আমি তাদের চেহারা আবছা করে দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.facebook.com/video/video.php?v=1258005689911&amp;amp;saved"&gt;ভিডিওর লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-427385009523029935?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/427385009523029935/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=427385009523029935&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/427385009523029935'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/427385009523029935'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/09/blog-post_23.html' title='স্টুডেন্ট হিসেবে লন্ডন আসবেন না আপাতত ...(ভিডিও)'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-9098829043942569921</id><published>2009-09-21T19:08:00.003+01:00</published><updated>2009-09-21T21:13:31.182+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><title type='text'>ইভা রহমানের প্রতি আমার সমবেদনা</title><content type='html'>ইভা রহমান। রুবাবার পর তিনিই বোধহয় বাংলা আন্তর্জালে সবচেয়ে সমালোচিত নারী। রুবাবা ইভেন্ট প্রোগ্রামগুলোতে পার্টিসিপেট করেন, ইভা খালি গানই গান। রুবাবা মিটিং করেন, ইভা শুটিং করেন দেশ-বিদেশের মনোরম লোকেশনে। রুবাবার সেক্সি ফটো পাওয়া যায়, ইভার থ্রিএক্স পাওয়া যায় বলে শুনেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইভা রহমান দারুণ সমালোচিত (!?) তার গানের জন্য। এটিএনে সময়-অসময়ে তার প্রচারিত গানে তিষ্ঠাতে না পেরে অনেকেই এটিএন দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। বেচারি! গান গেয়ে কারো তো মন জয় করতে পারছেই না বরং হাসির পাত্র হচ্ছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটিএনের চেয়ারম্যানকে বিয়ে করে স্বজনপ্রীতির চূড়ান্ত অপপ্রয়োগে বার বার টিভিস্ক্রীণে এসে দর্শকদের বিরক্তির উদ্রেক করেছে ইভা। আমি মনে করি এ একটা কারণেই ইভার সমালোচনা করা যায়। তার কণ্ঠ/সুর নিয়ে যতো আক্ষেপ দর্শকদের, সেটা আসলে 'কাম নাই তো খই ভাজ' অথবা 'আংগুর ফল টক'।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;* আমি বুঝি না ইভা রহমানের দামি দামি শাড়ি পড়ায় কি দোষ?&lt;br /&gt;* কুমার শানু, বাপ্পী লাহিড়ি, পঙ্কজ উদাসের সঙ্গে গান গাওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের কোন শিল্পী চায় না?&lt;br /&gt;* বিদেশে যাওয়ার মুরোদ আছে তাই ইভা বিদেশ যায়।&lt;br /&gt;* নামিদামি লোকেশনে কোন শিল্পী তার গানের চিত্রায়ণ করতে চায় না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরের কারণগুলো নিয়েও সুন্দরি ইভা (আসলেই সুন্দরি, গায়ের রং যারে বলে দুধে-আলতা) হাসির পাত্র হন। এখানেই আমার ইভার প্রতি সমবেদনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশে শুটিং আর নামী শিল্পীদের সঙ্গে গান গাওয়ার সুযোগ পেলে কতোজন হামলে পড়ত সে ব্যাপারে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হতে পারে। ইভা রহমানের গানের গলা আহামরী কিছু না। কিন্তু তার দৃষ্টিগ্রাহ্য উত্থানের সিঁড়িটা আমাদের পছন্দ নয় বলেই ইভার সবকিছুতেই নাক সিঁটকাচ্ছি। ভিডিও ইন্ডাস্ট্রিতে বড়জোর ডিরেক্টর, প্রডিউসার। অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে লিস্ট অনেক বড় - লিরিসিস্ট, মিউজিক ডিরেক্টর, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, স্টুডিও ওনার, ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি ওনার ... সবাই কি তার উত্থানের গল্পটা জানিয়েছেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইভার সমসাময়িক শিল্পীরা কারা? একই সঙ্গে গানের জগতে এসে তাদের মধ্যে কারা আমাদের মন জয় করেছে? আর যারা মন জয় না করে এখনো গেয়েই যাচ্ছে তাদের জন্য হাসাহাসি কতোটুকু? তাদের কাউকে চিনি? কানিজ সুবর্ণা ইংরেজি বলার ঢংয়ে বাংলা এখন বলে? দেখি না তো স্ক্রীণে। তিশমা-মিলা-কণা? ক্লোজআপের শিল্পীদের কি একটা এ্যালবামই বের করা নিয়তি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গান ভালো না লাগলে শ্রোতা-দর্শক গালি দিতেই পারেন। তবে এই গালির তোড় ভালো না লাগা সকল শিল্পীর জন্য সমানভাবে হওয়া উচিত। এ জায়গাতে ইভার প্রতি অবিচার করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইভা রহমানের গান না চাইলেও আমার শুনতে হয়। তার সব গান ভালো লাগে না। তবে 'ডলস হাউজ' নাটকের জিংগেলে ইভার কণ্ঠ খুবই ভালো লেগেছে। নেটে খুঁজে পেলাম না, কেউ পেলে এমবেড করে দিয়েন কমেন্টের ঘরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="445" height="364"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/EpxWw1aZsUo&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;rel=0&amp;border=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/EpxWw1aZsUo&amp;hl=en&amp;fs=1&amp;rel=0&amp;border=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="445" height="364"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-9098829043942569921?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/9098829043942569921/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=9098829043942569921&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/9098829043942569921'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/9098829043942569921'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/09/blog-post_21.html' title='ইভা রহমানের প্রতি আমার সমবেদনা'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-6333786275985949487</id><published>2009-09-17T12:44:00.003+01:00</published><updated>2009-09-21T21:10:03.956+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নষ্টালজিয়া'/><title type='text'>সের দরে বেচা হয়েছিল …</title><content type='html'>ব্লগে আগে কোথাও বলেছি কিনা মনে করতে পারছি না। একটা মজার ঘটনা ঘটেছিল আমার জীবনে, আজকে সেটাই বলছি ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের বাসায় ২/৪ মাস পরপর পুরোনো পেপার বিক্রি করা হতো। বাসার নির্দিষ্ট একটা জায়গায় স্তুপ করে রাখা হতো পেপারগুলো। এছাড়াও আমার পড়ার টেবিলের চিপায়, সোফার কোনায় পুরোনো পেপার পড়ে থাকত। যেদিন পেপার বেচা হতো কাজের মেয়ে বাসার সবস্থান হতে সেগুলো সংগ্রহ করত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তেমনি এক সকালে আম্মা ও কাজের মেয়ে বাসার সমস্ত পেপার বিক্রি করল। সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরে আমার মেট্রিকের সার্টিফেকেট খুজে পাচ্ছিলাম না। সেদিন যে পেপার বিক্রি হয়েছিল আমি জানতাম না। তার আগেরদিন সকালে স্কুল থেকে সার্টিফিকেট তুলে এনে পুরানো পেপারে মুড়ে তোষকের তলায় রেখে তড়িঘড়ি করে বের হয়ে গেছিলাম। কাজের মেয়ে সেখান থেকে ওই পেপার (যার মধ্যে সার্টিফিকেটও ছিল) নিয়ে বেচে দিয়েছে। আম্মা বুঝতেও পারেনি দশ বছর পড়াশোনা করার পর ছেলের সার্টিফিকেট নিজের হাতে ৭ টাকা সের দরে বেচে দিয়েছে। আমরা দুই ভাই একইসঙ্গে পড়াশোনা করেছি স্কুলপর্যন্ত। দুইজনেরই সার্টিফিকেট ছিল ওইখানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরে যা হয় আরকি। নামসবর্স্ব পেপারে 'হারানো বিজ্ঞপ্তি' দিয়ে বোর্ড অফিস থেকে আবার সার্টিফিকেট যোগাড় করলাম। এবার সার্টিফিকেটে সুন্দর করে লেখা থাকল - 'দ্বি-নকল সনদপত্র'। তখন সবকিছু বাংলায় ছিল। পরে ইংরেজি করার সময় লেখা হলো Duplicate Certificate। দেখে তো মেজাজ খারাপ। এখন যদি কেউ এটাকে নকল-দুইনম্বরি ভাবে, তাহলে? যদিও ভবিষ্যতে কখনোই এ নিয়ে সমস্যায় পড়িনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার ওই সার্টিফিকেট না জানি কার হাতের ঠোঙ্গা হয়ে ছিল কতোদিন ...&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-6333786275985949487?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/6333786275985949487/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=6333786275985949487&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6333786275985949487'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6333786275985949487'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/09/blog-post.html' title='সের দরে বেচা হয়েছিল …'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1024769213470071408</id><published>2009-07-15T14:31:00.002+01:00</published><updated>2009-07-15T14:31:45.777+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>নামচা ০৩</title><content type='html'>অনেকদিন ব্লগ লেখা হয় না। লিখতে গিয়ে ভাবি কি লিখব। তবে ব্লগ পড়া হচ্ছে নিয়মিত। ব্লগারদের বিভিন্ন বিষয়ে লেখা পড়ে মনে হয় - আরে, এ বিষয়ে আমি নিজেই তো লিখতে পারতাম। পরমুহূর্তে মনে হয় - ভালোই হলো, আমার আর লিখতে হলো না। অফিসে আমার উপর ব্লগিংয়ের নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। তারপরও লুকিয়ে চুরিয়ে টুকটাক ব্লগিং করতাম। কিন্তু তাতেও ধরা খেয়ে যাই। শেষ পর্যন্ত অফিস, আমার ব্লগিং বিষয়টাকে ওভারলুক করছে। কুত্তার ল্যাজ যেমন শতচেষ্টাতেও সোজা করা যায় না, তাই বেহায়ার মতো আমার ব্লগিংয়ের চেষ্টাতেও এখন অফিস রা করে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://blog.aumitahmed.com/"&gt;অমিত আহমেদের ঢাকা সিরিজ&lt;/a&gt; পড়ছি। ভালোই লাগছে। কিন্তু সত্য কথা হলো ঢাকা/ বাংলাদেশকে এখন আর মিস করি না। এই লন্ডনের হয়েছে এক জ্বালা - এতো এতো বাঙালি, বিদেশ বিদেশ ভাবটাই মারা গেছে। বাংলাদেশী হেন পণ্য নাই যেটা মিলে না। চাইলেও বাংলাদেশী রুচিগুলোকে পরিহার করা যাচ্ছে না। বিয়ে করার পর বোহেমিয়ান লাইফের সমাপ্তি ঘটেছে। হুটহাট করে কিছু করে ফেলাও যাচ্ছে না। একটা ছকে আটকা পড়ে যাওয়ায় মাঝে মাঝেই বোর হয়ে যাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ থেকে নাটক অঙ্গনের বেশকিছু আর্টিস্ট এসেছে। সেই একই অবস্থা, ৩ দিনের কাজ একদিনে নামানোর চেষ্টা চলছে, ৫২ পর্বের নাটক ২২ দিনে নামাবে। আর্টিস্টরাই বুমম্যান, লাইটম্যান, মেকাপম্যান। ডিরেক্টরও চালাচ্ছে - মাস্টার-ক্লোজ-ওএস-মাস্টার-ক্লোজ-ওএস, ফাঁকেফুঁকে লং-মিডলং, তারও ফাঁকেফুঁকে একটা ট্রলি-ডলি। বিদেশে নাটক বানালে কি বাংলাদেশের দর্শকরা লুফে নেয়! তো এই আর্টিস্ট সম্ভারে আমার প্রিয় বন্ধুটিও (আনিসুর রহমান মিলন) এসেছে। তাকে দেখার উদ্দেশ্যে এক রাতে রওনা হলাম লন্ডন থেকে আড়াই ঘন্টা দূরের &lt;a href="http://www.cityofbath.co.uk/southgate/ProgressMay0.jpg"&gt;বাথ সিটিতে&lt;/a&gt;। কয়েকদিন আগে গ্যারেজ থেকে গাড়িটি ছাড়া পেয়েছে। সেই গাড়ি নিয়ে রাতের বেলায় চালাতে গিয়ে দেখি স্টিয়ারিং দারুণ জ্যাম। তারপরও ঘন্টায় ৮০ মাইল করে স্টিয়ারিং সামলে জিগজাগ করতে করতে বাথে ঠিকই গিয়ে পৌছাই। বাথ থেকে ফিরে গ্যারেজে গাড়ি চেক করাতে গিয়ে জানতে পারি আমার স্টিয়ারিংয়ের কোনো একটা পার্ট টোটালি ড্যামেজ ছিল। যে কোনো মুহূর্তে স্টিয়ারিং লক হয়ে যেতে পারত। আমি হাসি, ওই একই গাড়িতে অনেকদিন আগে ম্যানচেস্টার গিয়ে আবার ফিরেও এসেছি। পরদিন সার্ভিস করাতে গিয়ে জানতে পেরেছিলাম আমার ব্রেক তারও সপ্তাহখানেক আগে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আমি ৮০ বছর বাঁচব - এসব দেখেশুনে বিশ্বাসটা দিনদিন পোক্ত হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তো বন্ধুর সাথে মোলাকাত হলো। নাটকের ডিরেক্টর-আর্টিস্ট-প্রডিউসার পূর্বপরিচিত হওয়ায় দারুণ আড্ডাও হলো। অনেকদিন নাটক নির্মাণ থেকে দূরে থাকায় হাত-পা নিশপিশ করছিল। বহুদিন পর শুটিং আবহে ফিরে গিয়ে ভালোই লেগেছে। মাথার ভিতর অসংখ্য স্ক্রিপ্ট কিরকির করে। কবে যে সব ঝেড়ে নামাতে পারব। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অর্থনৈতিক বিষয়ে দারুণ মাইংকাচিপায় আছি। ১টা পাউন্ডও বাজে খরচ করা যাচ্ছে না। লোনটোন নিয়ে ত্রাহিত্রাহি অবস্থা। আগামী বছরের মাঝামাঝি বাংলাদেশে ফিরে যাবার ইচ্ছা থাকলেও লোনের কারণে আরো ১ বছর পিছিয়ে যেতে পারি। তড়িৎ কোনো সমাধান নেই, তাই মাসিক ১০ পাউন্ড বাজেট করে &lt;a href="http://www.national-lottery.co.uk/player/p/home.ftl"&gt;লটারি&lt;/a&gt; খেলছি নিয়মিত। মাঝে মাঝে প্ল্যানিং করি এত্তো এত্তো টাকা দিয়ে কি করব। প্ল্যানিংয়ের এ সময়টুকু বেশ আমোদে কাটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নতুন বাসায় উঠেছি গত ১ জুলাই। এ বাসায় ইন্টারনেট নেই। পুরোনো বাসাতেই ইন্টারনেট সমস্যা করছিল। চ্যাটিং করতে পারি, টরেন্ট দিয়ে মুভিও ডাউনলোড হচ্ছে, কিন্তু ব্রাউজার অপেন হচ্ছে না। সুশান্তও কোনো সমাধান দিতে পারল না। ঠিক করেছি আমেরিকা থেকে সুশান্ত ফিরে এলে কমপিউটারটা তার বাসায় দিয়ে আসব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইদানিং ফুটবল ফলো করছি বেশ। ব্যক্তিগতভাবে ক্রিস্টিয়ান রোনাল্ডো আমার চরম অপছন্দের খেলোয়াড়া। তার সাথে প্রিয় খেলোয়াড় কাকা খেলবে মানতে পারছি না। ইংলিশ দল হিসেবে আমার সাপোর্ট করছি ম্যানসিটি। তেভেজ জয়েন করার পর রবিনহো মিলে দারুণ খেলা উপহার দিবে ম্যানসিটি। আর প্রিয় দল বার্সেলোনা তো রইলই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাঝে মাঝে গল্প লেখার ইচ্ছে হয়। কিন্তু ব্লগে এতো ভালো ভালো গল্পকারের কারণে সাহস করে উঠতে পারছি না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1024769213470071408?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1024769213470071408/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1024769213470071408&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1024769213470071408'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1024769213470071408'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/07/blog-post_15.html' title='নামচা ০৩'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-2699831733091035975</id><published>2009-06-08T23:29:00.001+01:00</published><updated>2009-06-08T23:49:14.191+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিকেট'/><title type='text'>ধন্যবাদ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল - আজ আমি ৭০ পাউন্ড জিতেছি। এভাবেই যেন খেলে যাও তোমরা ...</title><content type='html'>বাংলাদেশ-আয়ার‌ল্যান্ড ম্যাচে বাংলাদেশ যখন ১৩৭ রান করল, মেজাজ পুরো খারাপ হয়ে গেল। আসলে মেজাজ খারাপ হয়েছে কুত্তা, চুতমারানি আশরাফুলের আউট দেখে। &lt;b&gt;আমি দাবি জানাচ্ছি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সমস্ত শিশুদের দিয়ে আশরাফুলের দুইগালে জুতার বাড়ি আর থাপ্পড় দেয়া হোক।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লজ্জাজনক এই স্কোরের পর কেউ কেউ অতি দেশপ্রেমিক হয়ে বাংলাদেশের জয় হবেই বলে ফাল পাড়ছিলেন। আর আমি দীর্ঘদিনের আশাহত হওয়ার বেদনা নিয়ে আয়ারল্যান্ডের সাপোর্টার হয়ে বাজি লেগে গেলাম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। ৭০ পাউন্ড জিতেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বমন্ডলে এরকম বারবার লজ্জিত হওয়ার চাইতে বরং বাংলাদেশের বিপক্ষে বাজিটাজি ধরে টাকা পয়সা ইনকাম করা অনেক ভালো। বিসিবিকে অনুরোধ করছি আপনাদের মোটা মাথা থেকে এরকম প্লেয়ার সিলেকশন করে আমার অর্থ উপার্জনের এই নতুন পথটি সুগম রাখবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুনশ্চ : প্রথম আলোর উৎপল শুভ্র সহ সকল ক্রীড়া সাম্বাদিক যারা এইসব ফাউল প্লেয়ারদের কথায় কথায় মাথায় উঠিয়ে ফেলে তাদের সবাইর গোয়ায় আইক্কা বাঁশ ঢুকাই&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-2699831733091035975?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/2699831733091035975/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=2699831733091035975&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2699831733091035975'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2699831733091035975'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/06/blog-post.html' title='ধন্যবাদ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল - আজ আমি ৭০ পাউন্ড জিতেছি। এভাবেই যেন খেলে যাও তোমরা ...'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-4957021292061756587</id><published>2009-05-29T23:50:00.001+01:00</published><updated>2009-05-29T23:59:44.596+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবজাব'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>ভগবান vs আল্লাহ - গ্যালারিতে ঈশ্বর</title><content type='html'>ইংল্যান্ড আসার পর থেকেই খুব ইচ্ছে ছিল ছুটিছাটায় ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতে ঘুরব। কিন্তু কোনোভাবেই ব্যাটেবলে হচ্ছিল না। কেটে গেল ৪ বছর। আর এবারই সুযোগ এসে গেল ইটালি যাবার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রোম শহরের বাঙালিরা বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে। লন্ডনের বৈশাখী মেলার মতো অতো জমকালো না হলেও তাদের ইচ্ছে মেলাটি টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করবে। কিন্তু আয়োজকদের এই খায়েশ একদম শেষ মুহূর্তে জেগেছে। ২৪ তারিখ থেকে মেলা শুরু হয়ে গেলেও ঠিক হলো শেষ তিনদিন অর্থাৎ ২৯, ৩০ ও ৩১ তারিখ প্রতিদিন ৪ ঘন্টা করে মেলা সরাসরি সম্প্রচার হবে। এদিকে আমাদের অনেকেরই ভিসা নেই। ব্যাংক হলিডের পরের দিন ২৬ তারিখ ভিসার জন্য ইটালি এ্যাম্বাসি যাব ঠিক করার পর দেখা গেল আমাদের অপারেশন চীফের পার্সপোর্টের মেয়াদ গত ২০০৭ সালেই শেষ, তিনি জানেন না। কি আর করা! মঙ্গলবার গেল তার পাসপোর্ট রিনিউ করাতে। তার পরদিন ২৭ তারিখ আমরা চারজন রওনা দিলাম ভিসার জন্য ইটালি এ্যাম্বাসিতে। সবাই হাসাহাসি করছে আমাদের পাগলামি দেখে। বলছে, কমপক্ষে ১০ দিন তো লাগবেই ভিসা পেতে, তার উপর বাংলাদেশী পাসপোর্ট। আমাদের সম্বল মেলা কমিটির একখানা আমন্ত্রণপত্র। এটা দেখিয়ে যদি কাজ হয়। অপারেশন চীফ প্রিন্স অবশ্য স্যাটেলাইট বুকিং, এসএনজি ভাড়া সহ সবকিছু ঠিকঠাক করে রেখেছে। ভিসা পেয়েই উড়াল দিব ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাড়িতে আমরা চারজন ছিলাম। এরমধ্যে রাজিব ছিল হিন্দু। তাকে বললাম, আমার মনে হয় ভিসা পাব না।&lt;br /&gt;রাজিব - আরে ভগবান চাইলে সব হয়। ভিসা পাবই।&lt;br /&gt;আমি - উহু। আমার আল্লাহ তো বলে ভিসা দেবে না।&lt;br /&gt;রাজিব - না না। পাবই। আমার ভগবান বলছে ভিসা পাব।&lt;br /&gt;আমি - ওকে ফাইন। দেখা যাক আল্লাহ আর ভগবানের মধ্যে কে জেতে। ঠিক আছে?&lt;br /&gt;রাজিব - তবে লাগুক যুদ্ধ ভগবান আর আল্লাহর মধ্যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ্যাম্বেসিতে গিয়ে পৌঁছলাম দুপুর সোয়া বারটায়। কিন্তু ১২টার সময়ই দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। আমি ফিচকি হাসলাম। কিন্তু আমাদের হেড অফ সেলস খুব করিৎকর্মা ছেলে। বেল টিপে এ্যাম্বেসির লোকের সঙ্গে কথা বলে ভিতরে ঢুকলাম। একজন অফিসারের সঙ্গে কথা হলো। স্বভাবতই তিনি নিয়মকানুন দেখানো শুরু করলেন। একপর্যায়ে মুখের উপরই বলে দিলেন, বাংলাদেশী পাসপোর্ট হলে তারা বেশি খোঁজখবর নেয়, এক্ষেত্রে সেটা করার সময় নেই। সুতরাং ভিসা না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু হেড অফ সেলস আরেফীন ছাড়ার পাত্র নয়। ছাড়া পাওয়ার আশায় অফিসার নিরূপায় হয়ে আমাদের কাগজপত্রগুলো দেখতে চাইল। দেখতে দেখতে সে পাসপোর্ট-কাগজপত্রগুলো ডেস্কের একপাশে সরিয়ে রাখতে থাকে, কিছুক্ষণ পরে নিজে থেকেই ভিসা ফি চেয়ে নেয়। আগামীকাল সকাল ৯টায় আসতে বলে বিদায় দিয়ে অফিসার আবারও বলল, সে কিন্তু ভিসার নিশ্চয়তা দিচ্ছে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাইরে বেরিয়ে আমরা সন্দিহান হয়ে পড়লাম। কেউ বলল, ভিসা দিয়ে দেবে। কেউ বলল, না দেবে না। টাকাপয়সা রেখেছে যেন বলতে পারে অনেক চেষ্টা করেছে। রাজিব বলল, আরে ভাই ছাড়েন তো। আগামীকাল দেখা যাক না ভগবান vs আল্লাহর মধ্যে কে জেতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন ২৮ তারিখ আরেফীন একাই গেল ভিসা আনতে, কারণ অফিসার একজনকেই যেতে বলেছে। যদি ভিসা হয়ে যায় তবে আজ সন্ধ্যায়ই রোম রওনা হব। আমরা অফিসে উৎকণ্ঠার মধ্যে আছি। ঠিক ১১টায় আরেফীন ফোন করে জানাল আমাদের সবারই ভিসা হয়ে গেছে। ৫ দিনের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা চেয়েছিলাম। সবাই ছয়মাসের মাল্টিপল ভিসা পেয়েছি। আরেফীন আরো জানাল, অফিসার তাকে বলেছে যেদিন ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দিয়েছি, সেদিন বিকাল ৫টায় ভিসা সিল দেয়া হয়। অর্থাৎ ৫ ঘন্টার মধ্যে ইটালির ভিসা পেলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাজিব বলল, কি মিয়া দেখলেন তো ভগবানের শক্তি। ভিসা পাইয়ে দিল। আপনার আল্লাহ হেরে গেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার শুরু হলো মেলা কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ। এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ওদের কাছ থেকে নেয়া হয়নি। আমরাই নিচ্ছিলাম না ভিসা জটিলতার জন্য। মেলা কমিটি বলল ঘন্টাখানেক পরে জানাবে। আমরা অপেক্ষা করছি, টাকা এ্যাডভান্স জমা হলেই প্লেনের টিকেট কাটা হবে। দুই ঘন্টার পরিবর্তে চার ঘন্টা/ ছয় ঘন্টা কেটে গেল। মেলা কমিটির সবার ফোন বন্ধ। অনেক কষ্টে আমাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে জানা গেল আমাদের দেয়ার জন্য যে টাকাটা তারা যোগাড় করতে পারবে ভেবেছিল, সেটা সম্ভব হচ্ছে না। রোম থেকে বৈশাখী মেলা সরাসরি সম্প্রচার করার খায়েশ তাদের মিটে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি রাজিবের কাছে গিয়ে বললাম, ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে। ভগবান ভিসা পাইয়ে দিয়েছে। কিন্তু ইটালি তো যাওয়া হচ্ছে না। আল্লাহ বন কইরা দিছে।&lt;br /&gt;রাজিব - তাইলে আপনেই কন আল্লাহ কি কামটা ভালো করল?&lt;br /&gt;আমি - কথায় আছে আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্যান্টিনে আরেক কলিগ এসব শুনে বলল, ভগবান-আল্লাহরে লইয়া কথা কইতাছেন, ঈশ্বরের সিটিতে যাইবেন তো হেরে খেলায় না লইয়া গ্যালারিতে বহাইয়া রাখছিলেন ক্যান? যান এবার পোপের সিটিতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কি করুম। আমাদের মধ্যে কেউ তো খ্রীষ্টান ছিল না ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফুটনোট : আমি ও রাজিব দুজনেই চরম ধর্ম-নাঅন্তপ্রাণ। তাই এ পোস্টে কেউ ধর্মের অবমাননা সংক্রান্ত কোনো গন্ধ পাইলে নাক চাপা দিয়া দূরে চইলা যাইয়েন। কোনো আওয়াজ যেন না হয় ....&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-4957021292061756587?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/4957021292061756587/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=4957021292061756587&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4957021292061756587'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4957021292061756587'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/05/vs.html' title='ভগবান vs আল্লাহ - গ্যালারিতে ঈশ্বর'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-7900574920468230335</id><published>2009-05-19T14:30:00.002+01:00</published><updated>2009-05-19T23:32:52.174+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>মাল্টিকালচারের বটিকা সেবনে বিপর্যস্ত বাংলা বৈশাখী মেলা !!</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMugeU6_DI/AAAAAAAAAR0/jMmw0yTwY7g/s1600-h/Musician_004.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMugeU6_DI/AAAAAAAAAR0/jMmw0yTwY7g/s320/Musician_004.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;ছোটবেলা থেকে পৃথিবীর যে অঞ্চলটির কথা বেশি বেশি শুনে বড় হয়েছি তা হলো বিলেত, বড় হয়ে জেনেছি এই বিলেত হলো আমাদের সবারই প্রিয় শহর লন্ডন। যে শহরে বাঙালিরা তাদের টয়লেটে কোন রঙের বদনা ব্যবহার করবেন তা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত হন না, সহজলভ্যতার কারণে। এ শহরেই আমাদের দাদী-নানী-চাচী-মামী সহ মুরুব্বি গোছের মাতৃকূল সুপারি কাটার যন্ত্র শীতের বিকেলে টুকটুক করে হেঁটে স্থানীয় দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসেন। মুরুব্বী গোছের পিতৃস্থানীয়রা বড় আয়েশ করে শুঁটকি কিংবা সাতকরার মিশেলে মজাদার রান্না খেয়ে আলস্য ঢেকুর তোলেন। আর এসবই সম্ভব হয়েছে অত্যধিক সংখ্যায় বাঙালির সহাবস্থানের কারণে। বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের বাইরে লন্ডনই হচ্ছে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চল।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;১৯৯৭ সাল থেকে লন্ডনে আয়োজন হয়ে আসছে বৈশাখী মেলা, বাঙালির প্রাণের মেলা। দেশে ছেড়ে আসা সেই প্রিয় মেলার স্মৃতি মনে আঁকুপাকু হয়ে যখনই চিত্তচঞ্চল করে তোলে ঠিক তখনই বিদেশবিভুঁইয়ে এরকম বৈশাখী মেলার আয়োজন মনে করিয়ে দেয় - না, বাংলা আমাকে ছেড়ে যায়নি, আমিও ছাড়ব না। এ কথার সত্যতা মেলে প্রতি বছর মেলায় বাঙালির অংশগ্রহণ বাড়তে দেখে। এবার মেলায় আগতের সংখ্যা চলে গেছে একশ হাজারের কাছাকাছি। নিজের পেশাগত কারণে এবছর সহ মোট ৫টি বৈশাখী মেলার আয়োজন ও প্রচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছি। নানা অসঙ্গতি থাকা স্বত্ত্বেও বিগত প্রতিটি মেলাকেই আমি সফল বলতে চাই। তবে এবছরের মেলায় অসঙ্গতির পর্যায়টি ছিল চরম এবং দুঃখজনক। এবারের মেলাকে আমার বাংলা সংস্কৃতি বোধ আর বিশ্বাসের নাভিমূলে হ্যাচকা টান বিবেচনায় আমি ব্যথিত ও অপমানিত।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMwty5bWAI/AAAAAAAAASc/1k_OVr27C_Y/s1600-h/Musician_003.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMwty5bWAI/AAAAAAAAASc/1k_OVr27C_Y/s320/Musician_003.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;এবারই প্রথম টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নিজস্ব তত্ত্বাবধান আর আয়োজনে বৈশাখী মেলা সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে বলতে চাই কাউন্সিলের যেসকল কর্মকর্তা এ আয়োজনের পেছনে ছিলেন তাদের বাংলা সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা খুবই দুর্বল। প্রথমেই আসা যাক র‌্যালি কিংবা মঙ্গল শোভাযাত্রা সম্পর্কে। 'বাংলা কুইন' নামক উৎকট একটা অবয়ব পুরো র‌্যালি জুড়ে চালিয়ে তারা তৃপ্তি পেলেও আমি লজ্জায় অবনত হয়েছি এই ’বাংলা কুইন’-এর সঙ্গে গ্রামবাংলার কোনো ’রাণী’-র সামঞ্জস্য না পেয়ে। লেখার এ পর্যায়ে পাঠকদের একটা প্রশ্ন করা যাক। বলুন তো, বাংলার নারীকে কোন দিনে সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে? উত্তর স্বভাবতই সকলের জানা - বৈশাখের প্রথম দিনে বৈশাখী মেলায়। আর এই সৌন্দর্য্যরে প্রধাণ উপাদান বাঙালি নারীর চিরায়ত পোশাক শাড়ির সঙ্গে লাল রঙের প্রবল প্রাধান্য, যা পুরোই অনুপস্থিত ছিল এবারের বৈশাখী মেলার র‌্যালিতে। নীল আর সবুজ রঙে সাজানো বাংলা কুইন সহ ঢাকীদল ও ময়ূরবেশে নৃত্যরত সকল মেয়েকেই বিজাতীয় মনে হয়েছে। একপ্রকার ভ্রমে পড়তে হয়েছে বৈশাখী র‌্যালি আর কার্ণিভালের পার্থক্য নিরূপণে। গত চার বছরের তুলনায় এবারের র‌্যালিতে জনসাধারণের অংশগ্রহণ ব্যাপক ছিল না। জনপ্রিয় কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুপস্থিতি চোখে ঠেকেছে। র‌্যালি জুড়ে তরুণদের উৎফুল্লতা, হর্ষধ্বনি, দোতারা হাতে গেরুয়া পোশাকধারী, নববধূর সাজ, রিক্সা, মহিলাদের নাচ প্রতিবছর দেখে দেখে চোখ সয়ে এলেও এবারের মেলায় এসবের অনুপস্থিতি দেখে চোখ রগড়ে নিয়ে ভাবতে হয়েছে এই প্রাণপ্রাচুর্যহীন র‌্যালি আয়োজনে কোন দুষ্টলোকের কোন সংকল্প কাজ করেছে। বাসন্তী ও লাল রঙহীন, পর্যাপ্ত ফেস্টুন ও অবয়বের অভাবে এই ম্যাড়মেড়ে মেলা আগতদের দেহে মনে কোনোরূপ প্রণোদনা সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছে। বৈশাখী র‌্যালিতে প্রতিবছরই নতুন নতুন থিম (কোনো বছর বাঘ, কোনো বছর হাতী) ব্যবহারের রেওয়াজ থাকলেও এবারের র‌্যালিতে গতবছরের রয়েল বেঙ্গল টাইগার আর গতবছরেই ব্যবহৃত আরেকটি অবয়বকে এবার ’বাংলা কুইন’ নামে মনগড়া ব্যাখ্যায় র‌্যালিতে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। তাহলে র‌্যালির ক্ষেত্রে বাজেটের কি পরিমাণ অর্থ কোন খাতে ব্যবহার হলো?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMuyRunIfI/AAAAAAAAAR8/i1ZyYibSjSg/s1600-h/Non+Bangali+Presenter+Singing+Hindi.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMuyRunIfI/AAAAAAAAAR8/i1ZyYibSjSg/s320/Non+Bangali+Presenter+Singing+Hindi.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;এবারের মেলায় এ্যালেন গার্ডেনে একটি ও উইভার্স ফিল্ডে দুইটি মঞ্চ তৈরি করা হয়। উইভার্স ফিল্ডের দুইটি মঞ্চের একটি ছিল মূলমঞ্চ, যার অনুষ্ঠানাদি বৃটেনের জনপ্রিয় টিভি ’চ্যানেল এস’ পুরো ইউরোপজুড়ে সরাসরি প্রচার করে। মেলায় আমার সম্পৃক্ততা ওই মূলমঞ্চ ঘিরে ছিল বলেই আজকের লেখায় এই মঞ্চের কথাই থাকবে। প্রথমেই আসা যাক উপস্থাপক প্রসঙ্গে। অপরিপক্ক, বিবেচনাহীন, বাংলা ভাষা ও তার উচ্চারণ সম্পর্কে উদাসীন, রেডিও প্রেজেন্টার পরিচয়ের খোলসে উপস্থিতজ্ঞানশূণ্য, হিতাহিতভাবে আনস্মার্ট একজন উপস্থাপক মঞ্চে উপবিষ্ট হয়ে কথা শুরু করা মাত্র পুরো মেলার পরিচালনা নিয়ে দারুণ করুণার সঞ্চার হয়েছে মনেপ্রাণে। নিদারুণ ফাজলামোর চূড়ান্ত ঘটনাটি ঘটে যখন অবাঙালি আরো দুইজন উপস্থাপক মঞ্চে উঠে, ব্যাকস্টেজ থেকে মাত্র শিখে আসা দুইটি বাংলা বাক্য আওড়ে, হিন্দি গানের কলি গেয়ে উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করার ব্যর্থ অপচেষ্টা করেন। আমার সঙ্গে সঙ্গে ভাবনায় পেয়ে যায়, আমি কি গুজরাটি কিংবা শিখদের কোনো মেলায় উপস্থাপকের দায়িত্ব পেতে পারি যেখানে ওই দুইটা ভাষার একটিও আমার দখলে নেই! এইসব অবাঙালি প্রেজেন্টারদের সাথে তাল মেলায় বাংলাদেশী আনস্মার্ট প্রেজেন্টাররাও। বাংলা নাচ শেখানোর উছিলায় কিম্ভুতকিমাকার ভঙ্গিতে দুই প্রেজেন্টার মাঠ ভর্তি দর্শকদের সামনে তাদের নিতম্বদেশের অশ্লীল প্রদর্শনের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতির কোন মজাটা আমাদের পাইয়ে দিলেন সেটা ভাবতে গেলেই হতাশ হতে হয়। এইসব অর্বাচীনের অরূচিকর উপস্থাপনা ঘুরে ফিরে হজম করতে হয়েছে মাঠসহ টেলিভিশন দর্শকদের সবার। আমার ভাষার, আমার সংস্কৃতির সম্মিলনে, আমার সাথে ভাব বিনিময় করতে পারে না এমন অবাঙালি উপস্থাপক নিয়োগের সিদ্ধান্ত একেবারেই অবিবেচনাপ্রসূত। বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে এমন নোংরা ঠাট্টা লন্ডনের বাঙালিরা পুনরায় সইবে না, যে বাঙালি জাতির রয়েছে ভাষা রক্ষায় প্রাণ দেবার জ্বলজ্বলে ইতিহাস।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMvUsUOOQI/AAAAAAAAASE/pYHdS75yle4/s1600-h/Presenter+Trying+Banglai+Dance+Funny.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMvUsUOOQI/AAAAAAAAASE/pYHdS75yle4/s320/Presenter+Trying+Banglai+Dance+Funny.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;এখন আসা যাক মঞ্চের অনুষ্ঠানাদি নিয়ে। এইবার মঞ্চে প্রচুর বিদেশী মিউজিশিয়ান ব্যবহার করা হয়েছে। ’ফিউশন’ নাম দিয়ে প্রচলিত বাংলা গানগুলোকে বিকৃত করা হয়েছে। যারা ভেবেছিলেন, প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের মিলনের নামে এই ’ফিউশন’ জনগণ পছন্দ করবেন তাদের শক্ত কণ্ঠে বলে দিতে চাই, দর্শকরা আপনাদের ছুঁড়ে ফেলেছে। আপনাদের চিন্তার দৈন্যতায় একটাই কামনা - দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। বিদেশ বিভুঁইয়ে পড়ে থেকে, কষ্টে যাপিত জীবনে ফল্গুধারার মতো বছরে একবার আসা বৈশাখী মেলায় বাঙালিরা শুনতে চায় বাঁশির সুর, তবলার বোল আর ঢোলের মাদল। স্যাক্সোফোন, অর্গানের সঙ্গে বাংলা গানের ফিউশন হয়তো কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিলনায়তনে শোনা যেতে পারে, তবে সেটা কোনোমতেই বৈশাখী মেলায় নয়। এদেশের বড় হয়ে উঠতে থাকা ভবিষ্যত প্রজন্মকে পূর্বপুরুষের সংস্কৃতিকে পরিচয় করিয়ে দেবার এইসব সুযোগগুলোকে ফিউশনের কারণে হাতছাড়া হতে দেবার চেষ্টা রুখতে হবে। ’মিলন হবে কতো দিনে’ জনপ্রিয় এ গানটিকে ফিউশনের যাঁতাকলে রীতিমতো বলাৎকার করা হয়েছে অথচ এই গানটি এতো বছর পরেও তার নিজস্ব সুরের কারণে আজো শ্রুতিমধুর। ফিউশনের জন্য যে সময়টুকু বরাদ্দ করা হয়েছিল তার স্থলে খুব আয়েশ করে স্থানীয় শিল্পীদের ও মিউজিশিয়ানদের সংকুলান সম্ভব হতো। উইভার্স ফিল্ড মেলার মূল মঞ্চ হিসেবে প্রচারের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। এ মঞ্চে স্থানীয় শিল্পীদের বেশি বেশি সুযোগ দিয়ে ফিউশনকারীদের অন্য মঞ্চে সুযোগ দেয়াটাই হতো বুদ্ধিমানের কাজ। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMvzFGRtFI/AAAAAAAAASM/wXkz9X3vTzo/s1600-h/Musician_001.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMvzFGRtFI/AAAAAAAAASM/wXkz9X3vTzo/s320/Musician_001.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;বৈশাখী মেলা পুরোটাই বাঙালিদের মেলা। সবাই আশা করেন এ মেলায় বাংলা আর বাঙালির সংস্কৃতির চর্চা চলবে। অথচ আয়োজনকারীদের বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসার অভাব আর মাল্টিকালচারের বটিকা অতিরিক্ত সেবনে অসুস্থ হয়ে পড়ায় এ মেলাকে গুলিয়ে ফেলেছেন অন্যান্য মাল্টিকালচার মেলার সঙ্গে। এদের নিয়ন্ত্রণে অসুস্থ চেষ্টা হয়েছিল বৈশাখী মেলার নাম পরিবর্তন করার। গত বছরের মেলাগুলোতে দেখা গেছে, এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি - মেলা রয়ে গেছে হিন্দিযুক্ত। এ পর্যায়ে পাঠকদের কাছে সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি, মাল্টিকালচারাল নয় কিন্তু নিরেট কোনো গুজরাটি কিংবা শিখদের মেলায় কোন পাঠক কবে শুনেছেন বাংলা গান বাজতে মনে করে দেখুন। অবস্থা এমন দিকে যাচ্ছে একসময় দেখা যাবে বৈশাখী মেলার স্থলে মাল্টিল্যাগুয়াল কোনো মেলা চালু হয়েছে এবং সেখানে বাংলার জন্য হয়তো ঘন্টা দুয়েক বরাদ্দ থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: left;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMw3fV4RMI/AAAAAAAAASk/tArTy6QKU-c/s1600-h/DJ+Kaiper+announcing+for+Hindi+Songs.JPG" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMw3fV4RMI/AAAAAAAAASk/tArTy6QKU-c/s320/DJ+Kaiper+announcing+for+Hindi+Songs.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;এরকম কোনো অপসম্ভাবনার তৈরির আগেই সবাইকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলতে চাই বৈশাখী মেলা কোনো মাল্টিকালচারাল মেলা নয়, এটা সম্পূর্ণ বাঙালির মেলা। এ মেলায় বাঙালিরা গান গাইবেন, বাঙালিরা বাজাবেন, আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দেব এ খাঁটি ও খাদমুক্ত বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে। ঘর থেকে যার চর্চা শুরু, উন্মুক্ত খোলা মুক্তমঞ্চে তার উপস্থাপনা ভবিষ্যত প্রজন্মকে আরো উজ্জীবীত করবে। এই বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে বিজাতীয় কোনো মিশেল দেয়া নিজের সংস্কৃতির সঙ্গে বেঈমানী স্বরূপ। বাঙালিরা অতিথিপরায়ণ, তাই মেলা উপভোগকারীরা হবেন নানা জাতির, ভাষার। কিন্তু কোনোমতেই যেন তারা অন্তত এই দিনে ’ফিউশন’ এর ঘোড়া আমাদের উপর দাবড়াবেন না। মাল্টিকালচারাল শহরে বৈশাখী মেলার দিনে হতে চাই পুরোদস্তুর বাঙালি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-7900574920468230335?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/7900574920468230335/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=7900574920468230335&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/7900574920468230335'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/7900574920468230335'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/05/blog-post.html' title='মাল্টিকালচারের বটিকা সেবনে বিপর্যস্ত বাংলা বৈশাখী মেলা !!'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/ShMugeU6_DI/AAAAAAAAAR0/jMmw0yTwY7g/s72-c/Musician_004.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-2763952257313499485</id><published>2009-03-17T15:25:00.004Z</published><updated>2009-03-17T15:31:39.625Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবজাব'/><title type='text'>বলিউডের প্রেমিকারা</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.hamaraphotos.com/bollywood/wp-content/uploads/2007/11/sonam-kapoor-in-saawariya.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="358" src="http://www.hamaraphotos.com/bollywood/wp-content/uploads/2007/11/sonam-kapoor-in-saawariya.jpg" style="cursor: move;" width="420" /&gt;&lt;/a&gt;ভারতেশ্বরী হোমসে খালাত বোন পড়ত। সেখানে প্রতি সপ্তাহে একদিন হিন্দি সিনেমা দেখানো হতো। ছুটিছাটায় বাড়িতে এলে বোনের মুখে সেইসব ছবির গল্প শুনতাম। আমার ভান্ডারে হিন্দি ছবি বলতে তখন পর্যন্ত ইনকিলাব আর কুলি। পাশের বাড়ির মাহতাব ভাইরা ভিসিআর ভাড়া করে আনায় সেই দুইটা ছবি দেখেছিলাম। হিন্দির 'হ' তখন পর্যন্ত আয়ত্ত হয়নি। মারামারির দৃশ্যগুলো শুধু এনজয় করতাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটু বড় হয়ে ফাঁকে ফুঁকে হিন্দি ছবি দেখা শুরু করলেও ভাষাটা বুঝে উঠতে পারিনি তখনো। বোন ততোদিনে ভারতেশ্বরী হোমস ছেড়ে এসেছে। পাড়া মহল্লায় গজিয়ে উঠেছে নানান ভিডিও শপ। খালার বাড়িতে বেড়াতে গেলে ১৫ টাকা দিয়ে মাস্টার ক্যাসেট এনে হিন্দি ছবি দুয়েকটা দেখা শুরু করি। তবে সবচেয়ে ভালো মনে করতে পারি কারিশমার প্রথম ছবি, যেখানে সে বিকিনি পড়েছিল। এছাড়া ম্যায়নে পেয়ার কিয়া, দিল, কেয়ামত থেকে কেয়ামত, আশিকীও দেখে ফেলি। কিন্তু ওইসব নায়িকার রূপে না ভুলে প্রেমে পড়ে যাই মনীষা কৈরালার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বম্বে ছবিটি আমি সর্বোচ্চ ৬ বার দেখেছিলাম। নেপালী রাজকন্যা মনীষার হাসি বুকে ছোরা মারত। নারীদেহ সম্পর্কে বুঝতে শিখেছি। আমার বলিউডি প্রথম প্রেমিকা মনীষার উন্নত বুক আরো বেশি শিহরণ জাগায় তখন আমার মধ্যে। প্রথম যখন ইন্ডিয়া গেলাম, সেই প্রথমদিনই বড় পর্দায় প্রেমিকা মনীষাকে দেখার জন্য হোটেল বুকিং দেয়ার পরপরই ঢুকে যাই 'দিল সে' দেখার জন্য সিনেমায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/PswYMcW-Pfk&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/PswYMcW-Pfk&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনীষা প্রেম অনেক দিন ছিল। কিন্তু আমার সেই প্রেম মনীষা বুঝে না। আমিও মনে হয় অভিমানে খুঁজে নিই রাণীকে। আহ্‌, ভাবতেই ভালো লাগে মেয়েটা বাংলায় কথা বলতে পারে। আর কণ্ঠ! সেই সেক্সি হাসকি ভয়েসের কারণে চারপাশে কেবলই শুনি রাণীর গলা। প্রেমে এমনই আসক্ত হয়ে পড়ি যে আজ পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া রাণী কোনো ছবিই বাদ দেয়নি। আর তাই আমার জীবনে সবচেয়ে বড় প্রেম এখন পর্যন্ত রাণীই হয়ে রইল। মিনিস্কার্টে দেখতে রাণীকে সবচেয়ে পছন্দ করতাম। ওর হাসি দেখলে আমি প্রশ্রয় পেতাম। চোখের নিচের ফোলা অংশটুকু নিয়ে যখন হাসত রাণী, মনে হতো যেন বলছে, আসো, কাছে আসো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/iM2cDLi8VWs&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/iM2cDLi8VWs&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু রাণীও আমাকে দূরে ঠেলে দেয়। চলে আসি লন্ডনে। হিন্দি মিউজিক চ্যানেলগুলো দেখতে দেখতে একটা মেয়ে নজর কাড়ে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি মেয়েটা লন্ডনের আপটন পার্কের মেয়ে। জন্মসূত্রে ইন্ডিয়ান হওয়ার কারণে ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রিতে কাজ করছে। প্রথম জীবনে অতি থার্ড ক্লাস একটা মুভিতে অভিনয় করলেও তার পরবর্তী ছবিগুলো বেশ হিট হয়েছে। এতো স্নিগ্ধ একটা মেয়ে .... হুম... ধরতেই পারছেন আমি ক্যাটরিনা কাইফের কথা বলছি। এতো পরিশুদ্ধ আর স্বচ্ছ মনে হয় তাকে, বিশেষ করে দাঁতগুলো দেখলে মনে হয় চোখ ঝলসে যাচ্ছে। ছিপছিপে ফিগারে যখন নড়েচড়ে উঠে ক্যাটরিনা তখন আমার বুকে ব্যথা করে। আহ ... তেরি ও .. তেরি ও ... &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/CIA4CE9dZdA&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/CIA4CE9dZdA&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু হায়! এতো কম সময়ের জন্য ক্যাটরিনা আমার জীবনে আসবে আমি ভাবতেও পারিনি। এক ঝটকায় তাকে আমার হৃদয় থেকে হটিয়ে দিল আরেক নয়নাসুন্দরি। আমার আফসোস হলো না এতোটুকু। ক্যাটরিনাকে হারিয়ে আমি পেলাম আরেক অমূল্য রতন ... সোনম কাপুর। এমন সুন্দর করে মেয়েটা হাসে কেন? অদ্ভূত সরলতা মাখা মিষ্টি মুখের সোনম আমার বর্তমান প্রেমিকা। আমার মনে হচ্ছে হৃদয়ের একদম গভীরে বসে গেছে সে। এতো সহজে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না তাকে আর ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/JkD5TThRvsQ&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/JkD5TThRvsQ&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;ছবি কতৃজ্ঞতা : গুগোল স্যার&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-2763952257313499485?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/2763952257313499485/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=2763952257313499485&amp;isPopup=true' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2763952257313499485'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2763952257313499485'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/03/blog-post.html' title='বলিউডের প্রেমিকারা'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-8227901235860336497</id><published>2009-02-22T21:21:00.002Z</published><updated>2009-02-22T21:25:37.057Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>গল্পটি আপনি কিভাবে দেখাবেন?</title><content type='html'>&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SaHCi4IICPI/AAAAAAAAARE/XYEVFQZMIEk/s1600-h/Cinema_04.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SaHCi4IICPI/AAAAAAAAARE/XYEVFQZMIEk/s320/Cinema_04.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;০১&lt;br /&gt;কারখানার মেশিনে বাবার হাত কাটা গেছে। ঘরে মা অসুস্থ। ছোট বালক তাই রিকশা নিয়ে বেরিয়েছে। সেই রিকশার চাকা ঘুরতে ঘুরতে ছোটবালকটি হয়ে উঠেন চিত্রনায়ক জসিম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০২&lt;br /&gt;অথবা গুন্ডারা ছোটবোনকে ধরে নিয়ে গেছে। জিপের পেছনে ভাইয়ের ছোট দুটি পা দৌড়াচ্ছে। সেই পা দুটো বড় হয়ে যায় দেখা যায় চিত্রনায়ক মান্নার পেছনে একদল গুন্ডা ছুটছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই দৃশ্য দুটি হলো বর্তমান সময়কে খেয়ে ফেলে জাম্প করে ভবিষ্যতে চলে যাওয়া। সেলুলয়েডের বড়ই পরিচিত দৃশ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** ***&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০১&lt;br /&gt;হারিয়ে গিয়ে ফিরে আসা প্রেমিককে 'তবে শোনো সেই কাহিনী' বলেই নায়িকার চেহারা ক্যামেরায় ডিফোকাস হয়ে আসে। সেই শটে ডিজলভে ভেসে উঠে প্রেমিক হারিয়ে যাওয়ার পর নতুন প্রেমিকের সঙ্গে কিভাবে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন নায়িকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০২&lt;br /&gt;অথবা ধরা পড়ে পুলিশের কাছে 'ওইদিন আমরা তিনজন আছিলাম' বলে চোর বয়ান করতে শুরু করে তার চুরির পূর্বপ্ল্যানের কথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমান থেকে অতীতে ফিরে গিয়ে স্মৃতিচারণ করার এই ট্রিটমেন্ট 'ফ্লাশব্যাক' নামে বেশি পরিচিত। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*** *** *** &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লগারদের কাছে এই ফ্লাশব্যাক সম্পর্কেই কিছু জানতে চাইব। ধরুন চল্লিশোর্ধ এক ভদ্রলোক (অর্থ ও খ্যাতিসম্পন্ন) তার জীবনী নিয়ে ছবি বানাবেন। দরিদ্র পরিবার থেকে খেয়ে না খেয়ে সে আজ এ অবস্থানে এসেছেন। ছবিতে তার এ বিষয়গুলো উঠে আসবে। যেমন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১) সীমান্তবর্তী গ্রাম হওয়ায় তিনি বাল্যকালে চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিলেন। একদিন বিডিআরের হাতে গ্রেফতার হয়ে নির্যাতনের শিকার হন। এমনই মার খেয়েছিলেন যে ওইসময় তার মনে হয়েছিল তিনি মার খেয়েই মরে যাবেন।&lt;br /&gt;২) ঢাকা শহরে পাতি রংবাজের শিষ্য হিসেবে কিছুদিন কাজ করেছিলেন। একদিন ককটেল বহনের সময় তার মনে হয়েছিল এই বুঝি ককটেলটা ফুটে যাবে।&lt;br /&gt;৩) টেন্ডার নিয়ে ঝামেলা হওয়ায় বন্ধুদের একজন তার দিকে পিস্তল তাক করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন বন্ধুটি বুঝি গুলিই করে ফেলবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তার জীবনী নিয়ে নির্মিত এই ছবির শুরুতে তার বর্তমান (যশ-খ্যাতি) অবস্থা দেখিয়ে ফ্লাশব্যাকে যাওয়া হয়, যেখানে তার বাল্যকাল থেকে বর্তমান অবস্থান পর্যন্ত সময় ও ঘটনাগুলো তুলে ধরা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন আমার প্রশ্ন হলো তার জীবনের ঘটনাগুলো দেখে দর্শকদের অনুভূতি কেমন হবে? বিডিআরের হাতে মারা খাওয়া, ককটেল বহন করা, পিস্তলের গুলা খাওয়ার ঘটনাগুলো যখন স্ক্রীণে আসবে তখন দর্শক কি ভীত হবেন? কি হয় কি হয় এমন আগ্রহ অনুভব করবেন? ঘটনা যেহেতু ফ্লাশব্যাকে ঘটবে দর্শকরা জেনেই গেছেন যে এই ভদ্রলোক বিডিআরের হাতে কিংবা ককটেলে কিংবা পিস্তলের গুলিতে মারা যান না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাহলে কি ছবিটি কোনো ফ্লাশব্যাক ছাড়াই (ভদ্রলোকের বর্তমান অবস্থা না দেখিয়ে) একেবারের বাল্যকাল থেকে শুরু করা ভালো হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;ছবিসূত্র : গুগল স্যার&lt;/span&gt;&lt;/i&gt; &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-8227901235860336497?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/8227901235860336497/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=8227901235860336497&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8227901235860336497'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/8227901235860336497'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/02/blog-post_22.html' title='গল্পটি আপনি কিভাবে দেখাবেন?'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SaHCi4IICPI/AAAAAAAAARE/XYEVFQZMIEk/s72-c/Cinema_04.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-4005161089617354134</id><published>2009-02-09T18:54:00.109Z</published><updated>2009-02-09T20:28:34.233Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নষ্টালজিয়া'/><title type='text'>বাবা মায়ের ভৎর্সনা</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SZCPkv_kkiI/AAAAAAAAAQs/am2Yti-QpyQ/s1600-h/Family01.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SZCPkv_kkiI/AAAAAAAAAQs/am2Yti-QpyQ/s400/Family01.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;ছোটবেলায় পড়াশোনা না করার জন্য বাবার চেয়ে মা-র হাতে বেশি মার খেয়েছি। ছোটখাট চড়থাপ্পড়, কানমলা, চুলটানা এগুলো অতি সাধারণ মারপিট ছিল। একটু বড় গোছের মার দিতে ব্যবহার করা হতো বিছানার ঝাড়ু, ডাল ঘুটনি, স্কেল, র‌্যাকট, হ্যাঙ্গার, নিজের হাতে মেলা থেকে কেনা কাঠের তলোয়ার। সন্ধ্যার পরে দেরি করে বাসায় ফেরা, পড়ার টেবিলে গল্পের বই পড়া, নোট লেখার ভাব নিয়ে গল্প, কবিতা লেখা, বই খোলা রেখে অন্যদিকে তাকিয়ে কিছু ভাবতে থাকা এসব বিষয়ে ধরা খেলেই ওইসব কারুকার্যপূর্ণ মারধোর কপালে জুটত। বকাবকি বিষয়টা সবক্ষেত্রেই কমন ছিল। নিরবে সব সহ্য করতাম শুধু একটা বিষয় ছাড়া - তুলনামুলক বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণগুলোর প্রতিক্ষেত্রেই আমার অনেক কিছু বলার থাকলেও মুখে না বলে মনে মনে আওড়াতাম। যেমন,&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;পাপ্পুরে কোনোদিন দেখছস সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরতে? - (হ, দিনের বেলায় কই কই যে যায় সেইটা কি তুমি জানো?)&lt;/li&gt;&lt;li&gt; সুমন যখন ইঞ্জিনিয়ার হইব তখন তুই ওর কামলা হবি। - (এ্যাহ। গতকালই তো আমারটা দেইখা অংক মিলাইল)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কায়সারের বই এখনো নতুন। দুইমাস গেল না, তোরটা ছিড়া যায় ক্যামনে? - (ওর মতো কিপ্টা আর আছে নাকি)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মিজানরে ওর মা কোনো টাকা দ্যায় না। তরে তো প্রতিদিন দুই টাকা দিই। পড়স না ক্যান? - (মিজান ওর বাপের পকেট থেকে টাকা চুরি করে)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মেহেদীরও এতো গল্পের বই নাই। তুই এতো বই কই পাস? - (এগুলা মেহেদীরই বই। আমি পড়তে আনছি)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;শাকিলের মতো কালকে থেকে দুপুরবেলায় ঘুমাবি। - (আর স্কুলে সবাই আমারে ভোন্দা বলুক, কাভি নেহি)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মারুফের হাতের লেখা এতো সুন্দর। তোরটা কাকের ঠ্যাং বগের ঠ্যাং ক্যান? (দেয়ালপত্রিকায় আমার গল্প ছাপা হয়, মারুফের না)&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;আরো কষ্টের ব্যাপর ছিল তিলতিল করে জমা করা নিজস্ব সম্পদের প্রতি তাদের অবর্ণনীয় ধ্বংসযজ্ঞ। বুক ভেঙ্গে যেত তাদের নিষ্ঠুরতায়। যেমন,&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;সমস্ত &lt;b&gt;গল্পের বই&lt;/b&gt; ছিঁড়ে ফেলা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;b&gt;স্ট্যাম্পের খাতা&lt;/b&gt; লুকিয়ে ফেলা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;b&gt;র‌্যাকেট&lt;/b&gt; ভেঙ্গে ফেলা (নিরূপায় হয়ে কটকটিওয়ালার কাছে পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতাম)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;b&gt;ম্যাচবাক্স/ সিগারেটের কভারগুলো&lt;/b&gt; পুড়িয়ে ফেলা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;b&gt;ফুটবল&lt;/b&gt; কেটে ফেলা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ফুটবল&lt;b&gt; বুটজুতা&lt;/b&gt; হাড়িপাতিলওয়ালার কাছে বিনিময়&lt;/li&gt;&lt;li&gt;চুইয়া/ঢাইসহ সমস্ত &lt;b&gt;মার্বেল&lt;/b&gt; ঝিলে ফেলে দেয়া।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;আরেকটা বিষয় ছিল। আমার কর্মজীবন নিয়ে তাদের শঙ্কাপ্রকাশ। বিভিন্ন সেক্টরে তারা আমাকে কল্পনা করতেন। তাদের আশা ছিল ছেলে ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হবেন (দুর্ভাগ্য তাদের, এমন একটা পেশায় আছি যেটা তাদের সৃষ্টিশীল কল্পনাতে কোনোদিন আসেনি)। ওই দুটো ছাড়াও আরো যেসব পেশায় তারা আমাকে ভেবেছনে সেগুলো হলো,&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;কালকে থেকে রাস্তায়&lt;b&gt; ঠেলাগাড়ি&lt;/b&gt; চালাবি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এরচেয়ে ভালো&lt;b&gt; রিক্সা&lt;/b&gt; চালায়া টাকা ইনকাম কর। &lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কালকেই তোরে গ্রামে পাঠাইয়া দিমু।&lt;b&gt; হালচাষ&lt;/b&gt; কইরা খাবি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;b&gt;রংবাজ&lt;/b&gt; হইছস? খেলতে গিয়া মারামারি করলি ক্যান?&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পড়াশোনা যখন ভালো লাগে না বাজারে &lt;b&gt;মিন্তিগিরি&lt;/b&gt; করতে পারস না?&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ঠিক মতো না পড়লে হাতপা ভাইঙ্গা দিমু। &lt;b&gt;ভিক্ষা&lt;/b&gt; কইরা খাইবি।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;এরকম ভয়াবহ কথাবার্তা এই কান দিয়ে ঢুকিয়ে ওই কান দিয়ে বের করে দিতাম। যদিও জানতাম এগুলো শুধুই কথার কথা। স্নেহশীল বাবা-মা এসব কোনোদিনই করতে পারবেন না। তখন বুঝতাম না কিন্তু এখন মনে হয়, এসব বলার পর হয়তো পাশের রুমে গিয়ে মা ফুঁপিয়ে উঠতেন। কারণ মার খেয়ে টেবিলে আমি তখন অশ্রুসজল হয়ে গুনগুন করে পড়ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাবা-মা তোমাদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম। ওসব বকাঝকা খেয়েছি বলেই মানুষ হওয়ার পথে আছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;** ব্লগার বন্ধুরা আপনাদের কথাগুলোও বলুন **&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-4005161089617354134?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/4005161089617354134/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=4005161089617354134&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4005161089617354134'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4005161089617354134'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/02/blog-post.html' title='বাবা মায়ের ভৎর্সনা'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SZCPkv_kkiI/AAAAAAAAAQs/am2Yti-QpyQ/s72-c/Family01.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-407760906704114994</id><published>2009-01-31T21:35:00.017Z</published><updated>2009-01-31T22:44:20.361Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের সামগ্রিক অবস্থা</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SYTEgsjBSoI/AAAAAAAAAQk/yBzfblG94mQ/s1600-h/London_01.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SYTEgsjBSoI/AAAAAAAAAQk/yBzfblG94mQ/s400/London_01.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;&lt;b&gt;এই পোস্ট কারো কারো অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে। এক্ষেত্রে আমি কড়জোরে ক্ষমা চাচ্ছি। তবে অনুরোধ করব 'ব্যতিক্রম কখনো বিধি না' এটা স্মরণে নেয়ার জন্য। পোস্টের বক্তব্য আপনার ভাবনার সঙ্গে না মিললে সেটা অন্যের জন্য হবে না এমনটা নাও হতে পারে। ধন্যবাদ।&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;বিদেশে কারা পড়তে আসেন? এ বিষয়ে আমার ধারণা ছিল শুধু মেধাবী স্টুডেন্টরাই এটা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ছোটবেলা থেকেই 'স্কলারশীপ' নামক একটা জিনিস শুনতাম। অমুক খুব মেধাবী, স্কলারশিপে বিদেশে পড়তে গেছেন এমনটাতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছিলাম। পরে আরো শুনতে পেলাম অতো মেধাবী না হলেও টাকাপয়সা থাকলে অনেকেই বিদেশে পড়তে যেতে পারেন। তো মেধার সঙ্গে অর্থ যুক্ত হয়ে বিদেশে পড়ুয়া স্টুডেন্টদের সম্পর্কে ধারণা পাল্টালো - তারা মেধাবী (বেশি কিংবা অল্পবিস্তর) এবং অর্থসম্পন্ন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছাত্রছাত্রী বিদেশে পাঠায় এরকম প্রতিষ্ঠান দেখে ধারণা করতাম এরা সবাই ভুয়া প্রতিষ্ঠান। বিদেশে পড়তে ইচ্ছুক স্টুডেন্টদের ভুংভাং দিয়ে টাকা মেরে দেয়। অথচ সেই আমিও একসময় ধরা খেলাম। সম্ভবত প্রথম আলোর কোনো একটা রিপোর্টে এরকম একটা অর্গানাইজেশনের নাম জানলাম যারা ফিজিতে পড়তে ইচ্ছুক স্টুডেন্টদের নানাবিধ ব্যবস্থা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আমার বড়ভাই গ্রাজুয়েশনের পর পর্যটন থেকে ট্যুরিজমে কোর্স করেছিলেন, এছাড়াও ছোটবেলা থেকে ফটফট করে ইংরেজি বলায় পারদর্শী, তার খুব শখ হোটেল ম্যানেজমেন্টে পড়ার। আমি খোঁজখবর নিয়ে ফিজিতে তাকে পাঠিয়ে দিলাম। এবং ধরা খেলাম। বড়ভাই ফিজির এয়ারপোর্টে নেমে জানতে পারলেন তাদের ভর্তির প্রক্রিয়ায় ভুজংভাজং আছে। ইমিগ্রেশন অফিসার তাদের তিন মাসের ভিসা দিয়ে ছেড়ে দিলেন। বলে দেয়া হলো তিন মাসের মধ্যে আবার দেশে ব্যাক করতে হবে। আমার বড় ভাই তিন মাস ফিজি ঘুরে জাপান হয়ে দেশে ফেরত আসার সময় কিভাবে যেন জাপানের দুইদিনের ট্রানজিট ভিসা ম্যানেজ করে ফেললেন। বাংলাদেশে ফোন করে বললেন, আমি দেশে ব্যাক করছি না, ইলিগ্যালি জাপানে থেকে যাব। আমার পড়াশোনা করার দরকার নাই। এবার টাকা কামাই করি ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার ধারণা আরো পোক্ত হলো যে বিদেশে স্টুডেন্ট পাঠানোর প্রতিষ্ঠানগুলো আসলেই ভুয়া। সেই সঙ্গে 'অর্থসম্পন্ন মেধাবী'দের জন্যই বিদেশে পড়তে যাওয়া সম্ভব ধারণাটি আরো বদ্ধমূল হলো। তবে বছর দুয়েক পরে ধারণাটির কিঞ্চিৎ পরিবর্তন ঘটে। 'ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স' বলে একটা বিষয় আছে যেটার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের কোর্সে বিদেশে ছাত্র হিসেবে যাওয়া সম্ভব। বাংলাদেশে একটি টিভি স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিদেশে পড়তে যাওয়ার ব্যাপারে আমার আগ্রহ জাগে। ধুপধাপ IELTS দিয়ে 6.0 পেয়ে আমি কানাডার ভ্যাংকুভারে এক কলেজে এ্যাপ্লাই করে দিই দশ মাসের একটি ফিল্ম কোর্সের জন্য। কিন্তু 'ইনসাফিসিয়েন্ট ব্যালেন্স' এর অভাবে ভিসা মেলে না। পড়াশোনার খ্যাতা পুরি বলে মিডিয়ায় আরো ব্যস্ত হয়ে পড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যখন লন্ডনে এলাম তখন আমি কল্পনাও করি নাই আমার চারপাশের সবাই ছাত্রছাত্রী হবেন। এদের অনেকই তেমন মেধাবী নন (এসএসসি-ইন্টারের রেজাল্ট আমার চেয়েও খারাপ), অর্থসম্পন্নও নন। বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র (বিশেষত ব্যাংক ব্যালেন্স) দেখিয়ে তারা ভিসা পেয়েছেন। বাংলাদেশী (সেটলার আর ব্রন-ব্রটাপ বাঙালি ছাড়া) যাকেই জিজ্ঞাসা করি সবাই বলে তারা পড়ছেন। কিসব বড় বড় নাম তাদের কোর্সের! কেউ কেউ ৮/১০ বছর ধরে পড়ছেন, পিএইচডি করছেন। পিএইচডি শুনে আমার চোখের সামনে যে দৃশ্য ভেসে উঠে - লাইব্রেরি থেকে বের হচ্ছে কোনো ছেলে, বগলে আর হাতে বই। সকাল বিকাল টিচারের সঙ্গে মিটিং, হস্টেল রাত জেগে পড়ার টেবিলে ঘন ঘন চা খাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কম দেয়া। দেশি বিদেশী জার্নাল ঘাটা, ইউসিসি-বৃটিশ কাউন্সিলে ঘন ঘন আসাযাওয়া। অথচ লন্ডনের পিএইচডির স্টুডেন্টরা দেখি কলেজেও যায় না। কি মেধাবী!!! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের স্টুডেন্টরা পড়াশোনা করেন না। শতাংশের হিসেবে হয়তো ৫% হবে যারা সিরিয়াসলি পড়াশোনা করেন। এই সংখ্যার বাইরে অন্যান্য বাংলাদেশী স্টুডেন্টরা পড়াশোনার উদ্দেশ্যে এলেও তাদের মূল টার্গেট পড়াশোনার নামে অর্থ উপার্জন। বিভিন্ন ভিসা কলেজ (যাদের অনেকগুলোর মালিক হচ্ছেন বাংলাদেশীরা) তাদের ভর্তি করে নেয়, নির্ধারিত ফি নিয়ে ক্লাসে উপস্থিতির হার ঠিক রাখে, হোম অফিস ছাড়াও বিভিন্ন ইনকোয়ারির সময় ছাত্রছাত্রীদের সম্পর্কে ইতিবাচক ইনফরমেশন দিয়ে সন্তুষ্ট রাখে কর্তৃপক্ষকে। ওদিকে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন অডজব করে অর্থ উপার্জন করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসব ভুয়া ভিসা কলেজে পড়তে আসা স্টুডেন্টদের বেশির ভাগেরই (ধারণা করি ৮০%) দেশে গ্রাজুয়েশন কিংবা মাস্টার্স সম্পন্ন করা আছে। দেশে চাকরি না পাওয়ার কারণ ছাড়াও পারিবারিক অস্বচ্ছলতা কাটানোর জন্য তারা বিদেশের এই 'হায়ার স্টাডি'কে বেছে নিয়েছেন। সোজা কথা হলো, কিছুটা পড়াশোনা করার কারণে, মধ্যপ্রাচ্যের শারীরিক শ্রমের কাজে লজ্জিত হয়ে, অর্থ উপার্জনের জন্য ছাত্র সেজে তারা বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন। যাই হোক, এই গ্রাজুয়েশন-মাস্টার্স সম্পন্ন স্টুডেন্টদের পাশাপাশি কিছু বাংলাদেশী স্টুডেন্ট (ছাত্রী বেশি) আছেন যারা ইন্টার পাস করেই চলে এসেছেন অথচ পড়াশোনা করছেন না। তাদের জন্য আমার করুণা ছাড়া কোনো সহানুভূতি নেই। কারণ আমি দেখেছি এ টাইপের স্টুডেন্টদের বাংলাদেশে আর্থিক সঙ্গিত বেশ ভালো পর্যায়ে আছে। তাই তারা যখন পড়াশোনা করেন না তখন আমি তাদের ভবিষ্যত সম্পর্কে উদাসীন থাকি। পাশাপাশি যারা পড়াশোনা না করে অর্থ উপার্জন করছেন তাদের সাপোর্ট করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টুডেন্ট হিসেবে যুক্তরাজ্য কেন পছন্দের তার কয়েকটা কারণ চিহ্নিত করা যেতে পারে। (কারণগুলো বর্তমানের রিসেশনের আগে ভাবতে হবে)&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;লিগ্যাল বা সিটিজেনশীপ পাওয়ার সুবিধা। কোনোমতে সাড়ে নয় বছর কাটাতে পারলে পার্মান্যান্ট রেসিডেন্টশীপের জন্য এ্যাপ্লাই করা যায়। (শুনেছি অস্ট্রেলিয়াতে ২/৪ বছর লাগে তবে ওইখানে ভিসা কলেজের এতো ছড়াছড়ি নেই। তাই স্টুডেন্ট নামধারী হিসেবে থাকতে যুক্তরাজ্যেই সুবিধা বেশি)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;টাকার মান ভালো। (তবে এখন ক্রেডিট ক্রাঞ্চের জন্য পর্যুদস্ত অবস্থা)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সহজে কর্মসংস্থানের (অডজবের) সুযোগ। বাংলাদেশী মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজারের মতো। (অবশ্য গত পাঁচ বছরে রেস্টুরেন্টে কাজ করতে বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহে ঘাটতি পড়েছে)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রচুর বাংলাদেশী। তাই দেশজ প্রভাবের মধ্যে থাকা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;জীবনযাত্রার মান অন্যান্য পশ্চিমা দেশের তুলনায় ভালো।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;স্টুডেন্ট অথচ পড়াশোনা সিরিয়াসলি করছেন না কেন জানার জন্য অনেক স্টুডেন্টদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রত্যেকের মনেই একটা সুপ্ত ইচ্ছা রয়েছে সুযোগ আর সাধ্য মিলিয়ে তারা একসময় পড়াশোনাটা সিরিয়াসলি করবে। তবে এখন কেন পড়াশোনা করছেন না তার প্রধান কারণ পারিবারিক অস্বচ্ছলতা হলেও আরো কিছু কারণ রয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;ন্যূনতম গ্রাজুয়েশন কিংবা মাস্টার্স করা আছে তাই সমাজের চোখে গ্রহণযোগ্যতাও (?) আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রথম বছরে অর্থ উপার্জনের দিকে ব্যস্ত থাকায় পড়াশোনাটা ধরা হচ্ছে না। কারণ দেশ থেকে হয়তো প্রথম বছরের খরচ আনা হয়েছিল। পরের বছরের খরচ তোলার জন্য প্রথম বছরেই চাকরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়া এবং অর্থ উপার্জনের মজা পাওয়া।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মেইনস্ট্রিমে (নামীদামী কলেজ/ইউনি) পড়াশোনার খরচ অনেক।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;তাই অল্প খরচে মোটামুটি মানের কলেজের ডিগ্রি নিয়ে বাংলাদেশে চাকুরি পাবার অনিশ্চয়তা। আর পেলেও দেশে অবস্থানরত বন্ধুদের সামাজিক/ প্রাতিষ্ঠানিক দারুণ অবস্থানে হীনমন্যতায় ভোগা।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পড়ব পড়ব বলে অনেকদিন হয়ে যাওয়ায় লিগ্যাল হওয়ার দিকে ঝোঁক যাওয়া।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;দেশে ফেরত গিয়ে চাকুরি না করে ব্যবসা করার চিন্তাভাবনা। সেজন্য অর্থ উপার্জনের দিকে অধিক মনোযোগ।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ছোটখাট ডিগ্রি নেয়া হলেও পশ্চিমা নিরুদ্রপ জীবনের হাতছানিতে বাংলাদেশে ফেরত না গিয়ে স্টুডেন্ট সেজে নতুন নতুন কোর্স করা আর অর্থ উপার্জন করা।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুনরায় পারিবারিক ধার-দেনা অস্বচ্ছলতা দূরীকরণের বিষয়টি।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;এসব কারণ বিবেচনা করে আমারও মনে হয়েছে পড়াশোনা না চালিয়ে এই অর্থ উপার্জন খারাপ কিছু না। পরিবারে একটু সুখের জন্য, বোনের বিয়ে দেয়ার জন্য হাড় কাপানো ঠান্ডায় পত্রিকা বিলি কিংবা সারারাত জেগে টেসকো, সেইন্সবারিতে মাল টানাটানি করার পর পড়াশোনা হয়ে উঠে না। করার দরকারও নাই। বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের পরেই বোধহয় ইউরোপ তথা ইংল্যান্ডের স্থান। এখানকার বৃটিশ বাংলাদেশী ছাড়াও বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের বড় অবদান রয়েছে এক্ষেত্রে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে যুক্তরাজ্যে ধীরে ধীরে স্টুডেন্টদের সুযোগ সুবিধা কমে আসছে। ধারণা করা হচ্ছিল ২০১২ এর অলিম্পিকের কারণে বৃটিশ সরকার আরো বেশি স্টুডেন্টদের এদেশে আসার সুযোগে ছাড় দেবে। কিন্তু বিশ্বের এই সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দায় হিসেব উল্টে গেছে। বৃটিশ সরকার হন্তদন্ত হয়ে এখন স্টুডেন্টদের দেশ থেকে তাড়ানোয় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় চাকরুচ্যুত বৃটিশরা যে কোনো নিয়োগে তাদের কথা প্রথমে চিন্তা করার জন্য প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিটিং মিছিল করছে। স্টুডেন্টদের ভিসা রিনিউয়ের নিয়মকানুন কঠোর হয়েছে। প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রেইড দিয়ে স্টুডেন্টদের ডিপোর্ট করা হচ্ছে। গ্রাজুয়েশনের পর স্টুডেন্টদের জন্য দুইবছরের ওয়ার্ক পারমিটি যা ‘আইজিএস’ নামে পরিচিত সেটা দেয়া হয়। এর লোভে অনেকেই ভুয়া কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন দেখিয়ে এই আইজিএস নিয়েছিল। কিন্তু এসব বিষয়ে তদন্ত হওয়া শুরু হয়েছে। আইজিএস প্রাপ্ত অনেক বাংলাদেশী স্টুডেন্ট এতে ফেঁসে যাচ্ছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যারা যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করতে আসতে চান তারা বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। আপনি যে ইউনিভার্সিটি/কলেজে ভর্তি হচ্ছেন যাচাই করে নেবেন সেটা বৃটিশ হোম অফিস কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত কিনা। নতুবা এয়ারপোর্টে আপনাকে বিপদে পড়তে হবে। ইংল্যান্ডের বাজারে এখন জবের খুবই আকাল। পাউন্ডের মান পড়ে গিয়েছে। বাড়িভাড়া প্রবল কারণ মর্টগেজ তোলার জন্য বাড়ির মালিকরা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। আপনার অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থেকে সিদ্ধান্ত নিন। কেননা আপনার একটা ভুল সিদ্ধান্ত আপনার সহ পরিবারের স্বপ্নভঙ্গের কারণ হতে পারে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-407760906704114994?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/407760906704114994/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=407760906704114994&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/407760906704114994'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/407760906704114994'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/01/blog-post_31.html' title='যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের সামগ্রিক অবস্থা'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SYTEgsjBSoI/AAAAAAAAAQk/yBzfblG94mQ/s72-c/London_01.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-2876477796161308666</id><published>2009-01-26T19:18:00.006Z</published><updated>2009-01-28T16:23:56.580Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>স্লামডগ মিলিওনেয়ার</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SX4NS6jOQfI/AAAAAAAAAQU/GV66N72Dl0Y/s1600-h/2_268193_1_248.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SX4NS6jOQfI/AAAAAAAAAQU/GV66N72Dl0Y/s320/2_268193_1_248.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;আমরা যারা খাড়ায়া খাড়ায়া সিনমার পোস্টারের নায়িকার উন্নত বক্ষ দেইখা সিনমা হলে ঢুকি না, তারা কোনো সিনমা দেখার সিদ্ধান্ত লওনের আগে ওই সিনমার ঘটনা জাইনা লই প্রথমে। সিনমা হলে গিয়া হুট কইরা কোনো একটা সিনমার টিকিট কাইটা হলে ঢুইকা যাওনের ঘটনা খুব কমই ঘটছে জীবনে। সিনমা দেখনের আগে তাই সিনপসিস পইড়া (ইন্টারনেটে ডাউনলোডের বেলায়) অথবা মাইনষের মুখে, পত্রিকায় পইড়া সিনমায় যাই। স্লামডগ মিলিওনেয়ার ঠিক এই জায়গাতে পুরোপুরি সফল। অর্থাৎ স্লামডগ মিলিওনেয়ার সিনমাটা দেখুম কিনা এইটা সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হইছে এর কাহিনী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তো এই সিনমার কাহিনী আমি এরকম শুনছি যে - একটা মুর্খ, অশিক্ষিত বস্তির পোলা কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়া কোটি টাকা জিতছে। তো পোলাটা প্রশ্নের উত্তর ক্যামনে দিছে! জানা গেল প্রতিটা প্রশ্নরে ঘিরা তার জীবনে কোনো না কোনো ঘটনা ঘটছে যার কারণে ওই পোলাটা প্রতিটা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারছে। এই কাহিনীটুকু জানার পর আমি বুঝতে পারলাম ছবিটা ভালো হইব। কারণ নিজেরে দিয়া বিচার করলাম, কেউ যদি আইয়া আমারে কয়, এই হলো মেইন এসটোরি, আপনে পুরাটা লেইখা ছবি বানান। আমি তখন কি করুম? আমি কিছু প্রশ্ন তৈরি করুম, প্রশ্নের উত্তর মিলানোর লাইগা ওই পোলার জীবনে কিছু ঘটনা ঘটামু, যেইটা পাবলিকগো বিশ্বাসযোগ্য হইতে হইব। পুরা বিষয়টা চ্যালেঞ্জিং রাইটার এবং ডিরেক্টরের লাইগা। এতোসব চিন্তা কইরা আমি ডিসিশান লইলাম স্লামডগ মিলিওনেয়ার সিনমাটা দেখতে হইব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি সবসময় কই, কোনো ছবির উপজীব্য ওই ছবির দেশ নির্দেশ করে। বৃটিশ পরিচালক ডেনী বয়েল নির্মিত এই ছবিরে 'বৃটিশ ছবি' কওয়া হইলেও আমি 'বৃটিশ পরিচালক কর্তৃক নির্মিত একটা বলিউড ছবি' ভাইবা নিছি। সিনমা শুরু হয় থানা থিকা, যেখানে জামাল নামের ওই বস্তির পোলারে টর্চার করা হইতাছিল, কেননা পুলিশ সন্দেহ করছে এই কোটি টাকার গেম শো-এ পোলাটা নিশ্চয়ই কোনো ট্রিকস করছে। নইলে অশিক্ষিত হইয়া এমুন কঠিন কঠিন প্রশ্নে উত্তর দ্যায় ক্যামনে? অনেক মাইর খাওনের পরও জামাল কইতে থাকে যে অয় কোনো ট্রিকস করে নাই। প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর অয় তার জীবন থিকা দিছে। এরমধ্যে বড় অফিসারের আগমন ঘটে। জামালরে হের টেবিলের সামনে বসাইয়া গত রাইতে হইয়া যাওয়া শো-এর রেকর্ডকৃত ক্যাসেট দেখা শুরু করে। প্রতিটা প্রশ্নের শেষে পজ কইরা জামালরে জিগায় প্রশ্নের উত্তরগুলা সে ক্যামনে দিছে। জামাল তখন অর জীবনের হিশটোরি কইতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইখান থিকা ছবির কাহিনী আরো গতি পায়। বড় অফিসার আর জামাল মিলা গত রাইতের শো দেখে, সেইখান থিকা জামাল ফেলাশব্যাকে অর অতীত জীবনে ফিরা যায় তারপর আবার পুলিশ অফিসারের লগে বাস্তবে ফিরা আসে। এই যে বর্তমান (থানা-পুলিশ অফিসার)-নিকটবর্তী অতীত (গত রাইতের শো)-দূরবর্তী অতীত (জামাইল্যার অতীত, যেইটারে ক্রমান্বয়ে বর্তমানের দিকে লইয়া আসা) এই তিন কালরে এমন কইরা বৃটিশ পরিচালক ডেনী বয়েল গাঁথুনী দিছে যে দর্শকগো চোখে জার্ক লাগে নাই। দর্শক কখন যে কোন কালে চইলা যাইতাছে এইটা টের পায় নাই। দর্শক যখনই যেই কালটা দেখতে চাইব চাইব ভাবতাছে ঠিক তখনই ডিরেক্টর ওই কালেই দর্শকগো লইয়া গেছে বইলা আমার মনে হইছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইবার আসা যাক এ্যাক্টিং নিয়া। পুরা পারফেক্ট। শুধু অনিল কাপুর আরেকটু যত্নবান হইলে ভালো হইত বইলা মনে হইছে। আর থানার মইধ্যে পুলিশের লগে বাতচিতের জায়গাটুকু ছাড়া সকল জামাইল্যার অভিনয় ফাস্ট কেলাশ হইছে। মাইয়াটারে মাঝে মাঝে আমার বিপাশা বসুর মতো মনে হইলেও অর এ্যাক্টিংও ভালো হইছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছবির মইধ্যে অসংগতি খুব একটা নাই। ঝিলের পাড়ের পায়খানার গুয়ের মধ্যে ছোট জামাইল্যার ঝাপাইয়া পড়ার দৃশ্যরে কেউ কেউ অতিরঞ্জিত কইতে চাইলেও আমার তা মনে হয় নাই। কারণ আমার মনে পড়ছে আমার বড় ভাই ছুডুবেলায় টেনিস বল কুড়াইতে গিয়া, এমনই কোনো পায়খানার শুকাইয়া যাওয়া গুয়ের (যার উপরে হালকা দুর্বাঘাস জন্মাইছিল) উপর দৌড় দিতে গিয়া কোমর পর্যন্ত ডুইবা গেছিল। আমার আরো মনে পইড়া যায় দিল্লির সিনমা হলে (আমগো দেশের রূপমহল কিংবা মানসী মানের) 'কুচ কুচ হোতা হ্যায়' ছবিতে সালমান খান যখন ব্যাকশটে পরথম এন্ট্রি লইল তখন সারা হলের দর্শকেরা চেয়ার থাবড়ানি থিকা শুরু কইরা সিটি বাজানি আর চিক্কুর পাড়তাছিল। আমার চউক্ষে তখন পানি আইছিল হেগো সিনমার প্রতি আর আর্টিস্টগো প্রতি 'লভ' দেইখা। ইন্ডিয়ানগো তিনটা ধর্ম, সনাতন ধর্ম-বলিউড-কিরকেট। তো জামাইল্যার অমিতাভরে দেখনের লাইগা গুয়ের মধ্যে ঝাপাইয়া পড়নরে আমার অতি স্বাভাবিক মনে হইছে। তবে মাগীপাড়া থিকা লতিকারে উদ্ধারে রিয়েলিজম কম আছে। একটা মাগীপাড়া দালাল/ সুবিধাভোগী কর্তৃক কতোটা সুরক্ষিত হইতারে এইটা সম্পর্কে বিদেশী ডিরেক্টররে ইন্ডিয়ানরা ভ্রান্ত ধারণা দিছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SX4P-bFfpxI/AAAAAAAAAQc/BYZ6K8xeg0E/s1600-h/up-Slumdog_Millionaire.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SX4P-bFfpxI/AAAAAAAAAQc/BYZ6K8xeg0E/s320/up-Slumdog_Millionaire.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;গুয়ের মধ্যে ঝাপাইয়া পড়া নিয়া ব্যাপক আলোচনা হইলেও আমি এখন একটা শটের কথা কমু যেইটা ছবিতে না থাকলেও চলত। তার আগে অন্য আরেকটা শটের কথা কই। দাঙ্গার কথা। হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা দেখানি হইছে। ওই দাঙ্গার শুরুতে মিউজিক অফ রাইখা শুধু ন্যাচারাল সাউন্ড রাইখা দৃশ্যের অবতাড়না ভালো হইছে। জামাল-কামালের মায়ের হঠাৎ উপলব্ধি কি জানি ঘটতে যাইতেছে টাইপের টেনশন দেইখা আমার প্রাণীজগতের কথা মনে হইছে। সকল মায় মনে হয় সন্তানগো বিপদ এমনে আগেভাগেই টের পাইয়া যায়। দাঙ্গাকারীগো দেইখা জামাইল্যার মায়ের চিক্কুর দেওন আর মাথায় বাড়ি দিয়া মাইরা ফালানোর দৃশ্য আমার কাছে বড়ই মর্মান্তিক ঠেকছে। এইটা ছাড়া দাঙ্গার অন্যান্য দৃশ্য বম্বে ফিলমের চেয়ে খুব বেশি আহামরি কিছু না। এখন আসি যেই শটের কথা কইতে চাইতাছি। সেইটা হইল এ্যাকশনে যাওনের আগে কামালের নামাজ পড়নের দৃশ্য। বর্তমান বিশ্বে মুসলিমরাই যে টেররিস্ট এইটা প্রমাণের চলমান চর্চার বাইরে যাইতে পারে নাই ডিরেক্টর। সারা ছবিতে ধম্মকম্ম না দেখাইলেও হঠাৎ কইরা একজন সন্ত্রাসীর নামাজ পড়নের দৃশ্য ছবিতে বড় একটা কালো দাগ।&lt;br /&gt;আরো একটা দৃশ্যে বিরক্ত লাগছে। একটা প্রশ্ন জিগানোর পর শো এর ব্রেক আসে। তখন জামাল আর অনিল কাপুর দুইজনেই টয়লেটে যায়। ওই প্রশ্নরে ঘিরা জামালের জীবনে কোনো ঘটনা ঘটে নাই তাই জামাল উত্তর দিতে পারতাছিল না। টয়লেটে অনিল কাপুর আয়নায় ওই প্রশ্নের উত্তর লিখা বায়রাইয়া যায়। জামাল উত্তরটা দেখে। কিন্তু এই সিকোয়েন্স দেহনের লগে লগে আমার মনে হইছে অনিল কাপুর ভুল উত্তর লিখছে জামাইল্যা যেন না জিততে পারে। পরে দেখা গেল আমার ভাবনাটাই ঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছবির ভাষা ইংরেজি এবং এইটা বস্তির অশিক্ষিত পোলারা ক্যামনে কইতাছে এইটাও নিয়াও অনেক বেকুব দর্শকের গাত্রদাহ হইছে। হেরা কিন্তু আবার শরৎচন্দ্রের বাঙালি চরিত্রগুলার মুখে হিন্দি শুইনা চমকায় নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাউগ্গ এখন কথা হইল ছবিটা হিট ক্যান? প্রধান কারণ আমার মনে হইছে এইটার ভিতরের মালমশলা। সারা বিশ্ব ইন্ডিয়ান বস্তির পোলাগো কাম কারবার দেইখা মজা পাইছে এইটাই হইল সত্য। দু:খ কষ্ট দেখতে ভালোই লাগে যদি আপনে দু:খ কষ্টের মধ্যে না থাকেন। ডেনী বয়েলের সার্থকতা এই জায়গাতেই যে মুম্বাইয়ের বস্তির জীবন অনেক সুন্দর (?) কইরা তুইলা আনছে। পাশাপাশি একজন অসফলের সফল হওনের গল্পও আছে। সেই গল্পটা সুন্দর কইরা বলা হইছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগেই কইছিলাম যে ছবির উপজীব্য ওই ছবির দেশ নির্দেশ করে। এইটারে আরো ভালোভাবে বুঝানোর লাইগাই মনে হয় ডেনী বয়েল ছবির শেষে একটা বলিউডি নাচ-গান রাখছে। তবে সেটা যুইতের মনে হয় নাই। হয়তো শখ থিকাই ডিরেক্টর এইটা করছে। গানের চিত্রায়ণে বলিউডি মুন্সীয়ানা নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোটকথা ছবি দেইখা মজা পাইছি। আমদর্শক এতো পন্ডিতি বুঝে না। হেরা ভালো কইলেই সেইটা অস্কার আর গ্লোডেন এওয়ার্ড ভাইবা নিতে হইব। ছবি দেখনের আগে কাহিনীর লাইগা ডিরেক্টর আর স্ক্রিপ্টরাইটাররে যেমুন সাধুবাদ দেয়া শুরু করছিলাম ছবির শেষে টেলপে দেখলাম এই কাহিনী নিয়া একটা বই বাইরাইছিল। স্ল্যামডগ মিলিওনেয়ার কাহিনী ওই বই থিকা অনুপ্রাণিত। উইকির সৌজন্যে নিচে ছবির ক্রেডিটলাইন দিয়া দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Directed by&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Danny Boyle&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Loveleen Tandan (co-director)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Produced by&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Christian Colson&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Written by&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Simon Beaufoy&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Vikas Swarup (novel)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Starring&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Dev Patel&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Freida Pinto&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Anil Kapoor&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Irrfan Khan&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Tanay Chheda&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Saurabh Shukla&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Mahesh Manjrekar&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Music by&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;A. R. Rahman&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Cinematography&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Anthony Dod Mantle&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Editing by&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Chris Dickens&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Distributed by&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Fox Searchlight Pictures&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Warner Bros. (US)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Pathé (Intl.)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Release date(s)&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;12 November 2008 (US, limited)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;26 December 2008 (US, wide)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;9 January 2009 (UK)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;23 January 2009 (India)&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Running time&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;120 min.&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Country&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;United Kingdom&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Language&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;English&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;Hindi&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;Budget&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;$15 million&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-2876477796161308666?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/2876477796161308666/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=2876477796161308666&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2876477796161308666'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2876477796161308666'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/01/blog-post_26.html' title='স্লামডগ মিলিওনেয়ার'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SX4NS6jOQfI/AAAAAAAAAQU/GV66N72Dl0Y/s72-c/2_268193_1_248.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1502865567625225077</id><published>2009-01-19T14:43:00.002Z</published><updated>2009-01-19T15:30:55.628Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবজাব'/><title type='text'>হায়রে গাড়ি ..</title><content type='html'>পাথর নীলা যেমন অনেকের সহ্য হয়না, তেমনি শুনতাম ইলেকট্রনিক্স জিনিসও নাকি সবার সয় না। কেউ কেউ টিভি কিনলে নাকি দুই মাসেই সেটার পিকচার টিউব জ্বলে যায় আবার এমনও শোনা যায় কারো কারো টিভি ২০ বছর ধরে চলছে। ফ্রিজ কেউ কেউ দাদার আমল থেকেই চালাচ্ছে, কারো কারো ফ্রিজ নাকি আবার কিনার ছয় মাসের মধ্যেই ঠান্ডার বদলে গরম হতে থাকে। কারো কারো কমপিউটারের মাদারবোর্ড ক্র্যাশ করে, ভাইরাসের কারণে বার বার ফরম্যাট করতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক মোবাইল ছাড়া (তাও সাধারণ মানের) কোনোরূপ যন্ত্র আমি সাথে নিয়ে ঘুরি না। কোনো আইপড কিংবা অন্য কোনো সঙ্গীত শোনার যন্ত্রও আমার নাই। শখের মধ্যে আছে একটা গাড়ি। তো এই গাড়িই হলো আমার যন্ত্রণা। আমাকে ঠিকমতো আরাম দিতে পারলো না আজ পর্যন্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে যখন গাড়ি চালাতাম তখন যা যা যন্ত্রণা পেয়েছি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;জাহাঙ্গীরনগর থেকে আসার সময় গাড়ির ফ্যানবেল্ট ছিড়ে যাওয়া&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মুন্সীগঞ্জ যাওয়ার পথে ফেরিতে ওঠার সময় গাড়ির বাম্পার বাড়ি খাওয়া&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কাওরান বাজারে আন্ডারপাসের ঠিক সামনে গাড়ির স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া। বাজারশুদ্ধ লোকের সামনে গাড়ি ঠেলা।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মারুতি চালাতাম বলে বাস কন্ডাক্টররা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলত, ওস্তাদ বামে প্লাস্টিক ...&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সামনের বামপাশের দরজার আয়না চিরদিনের মতো ফিক্সড হয়ে যাওয়া&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;লন্ডন এসে খান তিনেক গাড়ি পরিবর্তন করেছি। সর্বশেষ গাড়িটা চমৎকার চলছে। তবে যন্ত্রণার শেষ নেই। লন্ডনের যন্ত্রণাগুলো হলো&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;দুইবার থিওরি আর পঞ্চমবার প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পাওয়া&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নতুন ড্রাইভার বলে উচ্চমূল্যের ইন্স্যুরেন্স (বাংলাদেশে এই হ্যাপাটা ছিল না)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;গাড়ি কেনার তৃতীয় দিনে অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে গাড়ি উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া। ৪০০ পাউন্ড দিয়ে গাড়ি ছুটিয়ে আনা। (বাই দ্য প্রথম গাড়িটা কিনেছিলাম ৬০০ পাউন্ড দিয়ে)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রথমবার MOT (ফিটনেস) করাতে গিয়ে ৩০০ পাউন্ডে যন্ত্রাংশ সংযোজন &lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মাসখানেক পর পুনরায় অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে গাড়ি ক্ল্যাম্পড। এবার ১০০ পাউন্ডে গাড়ি উদ্ধার&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রচুর মদ্যপান করে গাড়ি চালিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খাওয়া। পুলিশের মেশিন দিয়ে এ্যালকোহলের মাত্রা পরীক্ষা। ভাগ্যক্রমে আর হালকা চালাকির কারণে সেবার পরিত্রাণ পাওয়া (সে গল্প পরে করা যাবে)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;রাস্তায় গাড়ির স্টার্ট প্রায়ই বন্ধ হয়ে যাওয়া&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সর্বশেষ হিথরো থেকে আসার সময় গাড়ির তলা ফুটো হয়ে ইঞ্জিন অয়েল নাই হয়ে যাওয়া&lt;/li&gt;&lt;li&gt;গাড়ি স্ক্র্যাপ (ভেঙ্গে ফেলা) করা&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;গাড়ি ছাড়া ইন্স্যুরেন্সের বাকি ৬ মাস ৯০ পাউন্ড করে পরিশোধ করে যাওয়া।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এই পর্যন্ত মোট ৪ বার স্পিডিংয়ের কারণে পুলিশের জেরার সম্মুখীন হওয়া।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্পিডিংয়ের জন্য ক্যামেরা ফ্ল্যাশ খাওয়া। ফলাফল ৬০ পাউন্ড এবং ৩ পয়েন্ট জরিমানা। হাতে আছে আর মাত্র ৩ পয়েন্ট। এটাও খরচ হয়ে গেলে সর্বনিম্ন ২ বছরের লাইসেন্স বাতিল।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সর্বশেষ যন্ত্রণা গাড়ির সামনে পিছনে দুইদিকের নম্বর প্লেট চুরি হওয়া। ২৫ পাউন্ড দিয়ে নতুন নম্বর প্লেট সংযোজন।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;এতোসব যন্ত্রণার পরে এখন 'লরির নিচে গাড়িসহ ঢুকে যাওয়া' ছাড়া আর কিছু বোধহয় বাকি নাই। আগামীকাল ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার ২০০৯ লন্ডন থেকে ম্যানচেস্টার রওয়ানা দিচ্ছি। ৪/৫ ঘন্টার জার্নি। জানি না কপালে কি আছে&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1502865567625225077?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1502865567625225077/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1502865567625225077&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1502865567625225077'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1502865567625225077'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/01/blog-post_19.html' title='হায়রে গাড়ি ..'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1175075004302476149</id><published>2009-01-16T13:45:00.000Z</published><updated>2009-10-22T22:24:04.299+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>যেসব ছবি দেখেছি</title><content type='html'>হলিউডের মুভিই দেখতাম। কিন্তু ইউরোপে এসে হলিউডি মুভি দেখা বাদ দিছি। কারণ প্রচুর ভালো ভালো ইউরোপিয়ান মুভির সন্ধান পাই। সুন্দর গল্প নিয়ে তুলনামুলক কম খরচের মুভিগুলো মন ছুঁয়ে গেছে। তাই হলিউডি ফিল্মের উপর অভক্তি জন্মেছে আর ততোটাই ভালোবাসা জন্মেছে ইউরোপিয়ান ছবির জন্য। এই সাইটের খোঁজ পাওয়ার পর এমন সময় গেছে যে প্রতিদিন গড়ে ২টা ছবি দেখা হতো। এযাবত কয়টা ছবি দেখেছি বের করতে গিয়ে অনেক ছবিই খুঁজে পাচ্ছি না। এখন যে লিস্টটা দিচ্ছি সেটা মে, ২০০৬ থেকে শুরু হয়েছে। রিপুর তাড়নায় অনেক আজেবাজে ছবিও দেখেছি, কিছু কিছু বাজে ছবিও রয়েছে, তবে বেশির ভাগই ভালো। ছবিগুলোর দেশ আর নির্মাণকাল কিংবা তথ্য দিতে পারছি না। তবে এই সাইটে গিয়ে সার্চবক্সে ছবির নাম দিয়ে ডিটেইলস পেতে পারেন। যদি সম্ভব হয় যোগাড় করে দেখে ফেলুন। আপাতত ২০২ টি ছবির নাম ক্রমানুসারে দিলাম ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;101 Reykjavik&lt;br /&gt;2001 Maniacs&lt;br /&gt;40 Days And 40 Nights&lt;br /&gt;A Common Thread&lt;br /&gt;A Dirty Shame&lt;br /&gt;A River Called Titas&lt;br /&gt;A Short Film About Love&lt;br /&gt;A Snake Of June&lt;br /&gt;A Woman Called Abe Sada&lt;br /&gt;Abi Titmuss - Tone And Tease&lt;br /&gt;Afternoon Bunk-Up&lt;br /&gt;Against The Wind&lt;br /&gt;All The Pretty Horses&lt;br /&gt;All The Real Girls&lt;br /&gt;Amateur British Hardcore - Vol. 1&lt;br /&gt;Anatomy Of Hell&lt;br /&gt;And God Created Woman&lt;br /&gt;Animal Room&lt;br /&gt;Antibodies&lt;br /&gt;Au Pair Girls&lt;br /&gt;Bachelor Party&lt;br /&gt;Baise-Moi&lt;br /&gt;Barbed Wire Dolls&lt;br /&gt;Behind Convent Walls&lt;br /&gt;Belle De Jour&lt;br /&gt;Betty Blue&lt;br /&gt;Between Your Legs&lt;br /&gt;Big Stories, Small Flashes&lt;br /&gt;Bilitis&lt;br /&gt;Bitter Moon&lt;br /&gt;Blissfully Yours&lt;br /&gt;Blow&lt;br /&gt;Blue Velvet&lt;br /&gt;Boogie Nights&lt;br /&gt;Boy Eats Girl&lt;br /&gt;Boys Don't Cry&lt;br /&gt;Brigitta&lt;br /&gt;Business Is Business&lt;br /&gt;Christiane F&lt;br /&gt;Damage&lt;br /&gt;Dans Ma Peau&lt;br /&gt;Dark Habits&lt;br /&gt;Dead Ringers&lt;br /&gt;Death In A French Garden&lt;br /&gt;Demoniacs&lt;br /&gt;Dinner Party&lt;br /&gt;Disclosure&lt;br /&gt;Dog Days&lt;br /&gt;El Bola&lt;br /&gt;En Attendant le Deluge&lt;br /&gt;Eros&lt;br /&gt;Eugenie De Sade&lt;br /&gt;Facing Window&lt;br /&gt;Family 1&lt;br /&gt;Fellini's Roma&lt;br /&gt;Fiona Richmond - Hardcore&lt;br /&gt;From Hell&lt;br /&gt;Gate Of Flesh&lt;br /&gt;Gia&lt;br /&gt;Girl Slaves Of Morgana Le Fay&lt;br /&gt;Girl With A Pearl Earring&lt;br /&gt;Golden Balls&lt;br /&gt;Grande Ecole&lt;br /&gt;Green Card Fever&lt;br /&gt;Groove&lt;br /&gt;Head On&lt;br /&gt;Histoires De Marie Et Julien&lt;br /&gt;I Think I Do&lt;br /&gt;Ilsa The Wicked Warden&lt;br /&gt;Immoral Tales&lt;br /&gt;In A Man's World&lt;br /&gt;In The Mood For Love&lt;br /&gt;Innocence&lt;br /&gt;Inside Deep Throat&lt;br /&gt;Intimacy&lt;br /&gt;Jesus Of Montreal&lt;br /&gt;Jezebel's Kiss&lt;br /&gt;John Tucker Must Die&lt;br /&gt;Julia&lt;br /&gt;Juste Avant La Nuit&lt;br /&gt;Karla&lt;br /&gt;Kika&lt;br /&gt;Kung Fu Hustle&lt;br /&gt;La Balance&lt;br /&gt;La Lectrice&lt;br /&gt;La Reine Margot&lt;br /&gt;Lady Chatterley's Lover&lt;br /&gt;Laura - A Pastel Study of Young Female Beauty&lt;br /&gt;Law Of Desire&lt;br /&gt;Le Fate Ignoranti&lt;br /&gt;Le Pacte Du Silence&lt;br /&gt;Les Bijoutiers Du Clair De Lune&lt;br /&gt;Les Seins De Glace&lt;br /&gt;Live Flesh&lt;br /&gt;Lost And Delirious&lt;br /&gt;Love Camp&lt;br /&gt;Love Object&lt;br /&gt;Love Rites&lt;br /&gt;Lover's Guide, The - What Women Really Want&lt;br /&gt;Lower City&lt;br /&gt;Luster&lt;br /&gt;Maitresse&lt;br /&gt;Man Is A Woman&lt;br /&gt;Marebito&lt;br /&gt;Matador&lt;br /&gt;Max Mon Amour&lt;br /&gt;Mediterraneo&lt;br /&gt;Merci La Vie&lt;br /&gt;Minor Mishaps&lt;br /&gt;Moolaade&lt;br /&gt;Mr And Mrs Smith&lt;br /&gt;My Summer Of Love&lt;br /&gt;Naked, The - A Psychological Film&lt;br /&gt;Nikita&lt;br /&gt;Not Angels But Angels&lt;br /&gt;Novo&lt;br /&gt;Nowhere&lt;br /&gt;Of Freaks And Men&lt;br /&gt;One Deadly Summer&lt;br /&gt;Over-Sexed&lt;br /&gt;Passion&lt;br /&gt;Pepi Luci Bom&lt;br /&gt;Perfect Catch&lt;br /&gt;Persona&lt;br /&gt;Premiers Desirs&lt;br /&gt;Purgatory&lt;br /&gt;R.S.V.P.&lt;br /&gt;Rabid&lt;br /&gt;Raspberry Reich&lt;br /&gt;Rendez-Vous&lt;br /&gt;Romance And Cigarettes&lt;br /&gt;Sadisterotica&lt;br /&gt;Sahara&lt;br /&gt;Secretary&lt;br /&gt;Secrets Of A Chambermaid&lt;br /&gt;Sex And The Emperor&lt;br /&gt;Sex And The Studio - The Studio Episodes&lt;br /&gt;Sex Is Comedy&lt;br /&gt;Sexual Predator&lt;br /&gt;Shivers&lt;br /&gt;Show Me Love&lt;br /&gt;Sid And Nancy&lt;br /&gt;Snow / Woman&lt;br /&gt;Somersault&lt;br /&gt;Sonny&lt;br /&gt;Street Of Joy&lt;br /&gt;Summer Things&lt;br /&gt;Summer With Monika&lt;br /&gt;Sylvia&lt;br /&gt;Tenebrae&lt;br /&gt;Tesis&lt;br /&gt;The Beast&lt;br /&gt;The Bedroom&lt;br /&gt;The Consequences Of Love&lt;br /&gt;The Damned&lt;br /&gt;The Dirty Secretary&lt;br /&gt;The Dream Of Garuda&lt;br /&gt;The Escort&lt;br /&gt;The Fourth Man&lt;br /&gt;The Girl From Paris&lt;br /&gt;The Girl Of Your Dreams&lt;br /&gt;The Hairdresser's Husband&lt;br /&gt;The Hitcher&lt;br /&gt;The Idiots&lt;br /&gt;The Key To Sex&lt;br /&gt;The Keys to the House&lt;br /&gt;The Labyrinth Of Love&lt;br /&gt;The Monkey's Mask&lt;br /&gt;The Other Side Of The Bed&lt;br /&gt;The Pelican Brief&lt;br /&gt;The Pornographer&lt;br /&gt;The Principles Of Lust&lt;br /&gt;The Prostitute&lt;br /&gt;The Quest&lt;br /&gt;The Realm Of The Senses&lt;br /&gt;The Rite&lt;br /&gt;The Sentimental Education Of Eugenie&lt;br /&gt;The Serpent's Egg&lt;br /&gt;The Tit And The Moon&lt;br /&gt;The Vanishing&lt;br /&gt;The Voyeur&lt;br /&gt;Them&lt;br /&gt;Time Regained&lt;br /&gt;Top Spot&lt;br /&gt;Tout Va Bien&lt;br /&gt;Trop Belle Pour Toi&lt;br /&gt;Turkish Delight&lt;br /&gt;Under The Sand&lt;br /&gt;Unknown Pleasures&lt;br /&gt;Valmont&lt;br /&gt;Veer Zaara - Feature&lt;br /&gt;Visions Of Ibiza, The - Vol. 2 - DVD&lt;br /&gt;Visitor Q&lt;br /&gt;Vivre Sa Vie&lt;br /&gt;Volver&lt;br /&gt;Water Drops On Burning Rocks&lt;br /&gt;Weak At Denise&lt;br /&gt;Wild At Heart&lt;br /&gt;Wild Side&lt;br /&gt;Y Tu Mama Tambien&lt;br /&gt;Young Doctors In Love&lt;br /&gt;Zeta One&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1175075004302476149?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1175075004302476149/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1175075004302476149&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1175075004302476149'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1175075004302476149'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/01/blog-post_16.html' title='যেসব ছবি দেখেছি'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-7256474043857494995</id><published>2009-01-03T15:20:00.002Z</published><updated>2009-01-03T17:24:14.296Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবাস জীবন'/><title type='text'>যেমন গেল ২০০৮</title><content type='html'>&lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2007/12/blog-post_31.html"&gt;এই লেখাটির&lt;/a&gt; ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে এবারও ২০০৮ সালের সালতামামি করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানুয়ারি মাস পুরোটাই গেছে দেশে যাবার তাড়নায়। ২০০৬ সালের এপ্রিলে দেশে যাওয়ার পর এবারই ২০০৮ এর ফেব্রুয়ারিতে দেশে যাই। এছাড়াও ভিসা বাড়াতে অনেকটা মানসিক প্রশান্তিতে ছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখে দেশে যাই। প্রথম সপ্তাহ বেশ ফূর্তিতে কেটে গেলেও মা-র পীড়াপিড়ি ও নিজের হালকা ইচ্ছার কারণে বিয়ে করি। &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/03/blog-post.html"&gt;কুয়াশা নামের একটি অপরূপা মেয়েকে&lt;/a&gt; নিজের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলি। ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখে বিয়ে হয়। এটিই ২০০৮ সালে আমার জন্য সবচেয়ে বড় ঘটনা। এরপর &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/03/blog-post_16.html"&gt;হানিমুনে যাই সেন্টমার্টিন।&lt;/a&gt; অনেকদিনের ব্যাচেলর জীবনের সমাপ্তিতে প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তিতে ভুগলেও পরে মানিয়ে নিই। নতুন বউকে ফেলে লন্ডন ফিরে আসি মার্চের প্রথম সপ্তাহে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বাভাবিকভাবেই মার্চের পুরো সময়টা আমার কেটে যায় বউয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলায়। সাধারণত ৫০-৬০ পাউন্ডে আমার মোবাইল খরচ চলে গেলেও মার্চ-এপ্রিল-মে এই তিন মাসে আমার মোবাইল বিল ১৯২-১৯৪-১৯৮ পাউন্ড বিল আসে। কি আর করা ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বছরের প্রিয় মাস এপ্রিলে সচলায়তনে &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/04/blog-post_2835.html"&gt;একটি পোস্ট&lt;/a&gt; দেই। কিন্তু ডুয়েল পোস্টের অভিযোগে আমার সে পোস্টটা প্রথম পাতা সরিয়ে নিলে সচলায়তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার খটমট লেগে যায়। বিভিন্ন প্রমাণ হাজির করা স্বত্ত্বেও সচল কর্তৃপক্ষের একগুয়েমি, স্বজনপ্রীতি আর দ্বৈতনীতির কারণে বিরক্ত হয়ে &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/04/blog-post_9420.html"&gt;সচল ছেড়ে আসার সিদ্ধান্ত&lt;/a&gt; নিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাশাপাশি চালু হয় &lt;a href="http://amarblog.com/"&gt;আমারব্লগ.কম&lt;/a&gt;। এখানেই মনোনিবেশ করি। এদিকে বিয়ে পরবর্তী অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ঢাকায় ফোন যোগাযোগ বেড়ে যায়, বউয়ের সঙ্গে টেক্সট আর ফোন তো চলছ্ই। লন্ডনের বন্ধুবান্ধরা ব্যাচেলর পার্টির আয়োজন করে। পাশাপাশি বউকে লন্ডনের আনার কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে থাকি। এভাবেই কেটে যায় মে পর্যন্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মে-র শেষ সপ্তাহে আবার ঢাকা যাই বিয়েত্তোর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য। &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/07/blog-post.html"&gt;বউয়ের একান্ত ইচ্ছা&lt;/a&gt; ও অনুরোধের কারণে বিভিন্ন যোগাড় যন্ত্র করতে করতেই সময় কেটে যায়। অবশেষে ৩০ মে একটি সফল অনুষ্ঠান করে জুন মাসের ৯ তারিখে বউকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডন ফিরে আসি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন ১০ জুন বউকে সাথে নিয়ে &lt;a href="http://www.letsgodigital.org/images/artikelen/16/hp_touchSmart_computer.jpg"&gt;পিসিওয়ার্ল্ড থেকে কমপিউটার&lt;/a&gt; কিনি ৯০০ পাউন্ড দিয়ে। পকেটের অবস্থা ঠনঠন হলেও &lt;i&gt;বাই নাউ পে লেটার&lt;/i&gt; সুবিধায় কমপিউটার কিনি। ইচ্ছা ছিল এতে এডিটিং কার্ড ও সফটওয়্যার লাগিয়ে কিছু খ্যাপের কাজ করব। কিন্তু সেটা আর করা হয় না। ব্লগিং আর মুভি দেখাতেই কমপিউটার বেশি ব্যবহার হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পূর্বের বোহেমিয়ান লাইফের স্থিতি আসে বউ আসার পর। সিগারেট খাওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছি। বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি কেনার বাসনায় ব্যাংক থেকে লোন নিই ১০ হাজার পাউন্ড। বাড়ি আর কেনা হয় না, এদিকে টাকাও খরচ হয়ে যাচ্ছে। তাই তাড়াতাড়ি &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/09/blog-post.html"&gt;আগের গাড়িটা&lt;/a&gt; বেচে অক্টোবরে নতুন একটা গাড়ি কিনি - &lt;a href="http://ediepeterson.files.wordpress.com/2008/03/honda-civic-type-r-1024x768.jpg"&gt;হোন্ডা সিভিক&lt;/a&gt;। কম পয়সার গাড়ি চালিয়ে নানান হ্যাপা আর পোহাতে ইচ্ছা করল না। তাই এবার ২৫০০ পাউন্ড খরচ করলাম। মাশাল্লাহ গাড়ি এখন পর্যন্ত খুব ভালো চলছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লগিং যেহেতু জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে তাই পুরো বছর জুড়েই ব্লগিং করে গেছি। সচল থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় আর সামহোয়ারে ব্যান খেয়ে থাকায় আমারব্লগ.কম-এ বেশি সময় দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিজের ব্লগকে আরো একটু সাজিয়েছি। কমিউনিটি ব্লগগুলো ছাড়াও যারা নিভৃতে ব্লগিং করে যাচ্ছে তাদের ব্লগগুলোতেও ঢুঁ মারা হয়েছে। ব্লগে সারাবছর যতোটুকু সম্ভব জামাতের বিরোধিতা করে গেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিভিন্ন জায়গা থেকে এ বছর চাকরির অফার এসেছে। কিন্তু ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার কারণে চাকরির বর্তমান জায়গা ছাড়তে পারছি না। সারা বছরই তড়পাড়ানোর মধ্যে ছিলাম কোনো কিছু নির্মাণ না করতে পারায়। মাঝে মাঝে মনে হয়েছে এতোদিনের গ্যাপ পূরণ করে আবার উঠে দাঁড়াতে পারব কিনা। আত্মবিশ্বাসে হালকা চিড় ধরছে। তবে এ বছর বরাবরের মতোই প্রচুর ছবি দেখেছি। ২০০৭-এ বেশি দেখেছি ইউরোপিয়ান ছবি আর গেল বছর দেখলাম কোরিয়ান, থাইল্যান্ড, চিন আর জাপানি ছবি। পাশাপাশি কিছু বই-ও পড়তে শুরু করেছি ফিল্মের উপর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বছরের শেষ নির্বাচনের খবরে খুব খুশি হয়েছি। আমার মাতৃকূল (মাতা সহ) আওয়ামীপন্থী হয়ে বিভিন্ন পদ দখল করে রাখলেও আমার আওয়ামী প্রীতি নেই। &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/05/blog-post.html"&gt;শফিক রেহমানের&lt;/a&gt; সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় কেউ কেউ বিএনপিপন্থী ভেবে থাকলেও আমি সেটা নই। এ নির্বাচনের জামাতের ভরাডুবীতে আমি সবচেয়ে খুশি। তবে এই ডিসেম্বরে প্রচন্ড ব্যস্ত ছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৯ কেমন কাটবে? খুবই খুবই ব্যস্ততায়। অনেক অনেক পরিকল্পনা রয়েছে এ বছর। ছবি নির্মাণের জন্য এ বছরটাই হবে আমার ভাবনাচিন্তার বছর। তাই ২০০৯ এ আমাকে ব্লগে খুব কম পাওয়া যাবে। আমার সামগ্রিক ধ্যান ধারণা এখন ছবি নির্মাণকে ঘিরেই চলছে। ছবিটি হবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক। মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই একটি ছবিই আমি নির্মাণ করব। দোয়া কইরেন যেন সফল হই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-7256474043857494995?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/7256474043857494995/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=7256474043857494995&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/7256474043857494995'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/7256474043857494995'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2009/01/blog-post.html' title='যেমন গেল ২০০৮'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-5377583652772496271</id><published>2008-12-28T18:06:00.001Z</published><updated>2008-12-28T19:58:42.381Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>২০০৮ নির্বাচনে বিজয়ী দলের জন্য মন্ত্রণালয় পুনর্বিন্যাস</title><content type='html'>গেল বিএনপি সরকারের প্রথম সমালোচনা ছিল বিশাল আকারের মন্ত্রীসভা গঠন করার জন্য। সকলের মন রক্ষার্থে হাওয়া ভবনের ক্যারিশমাটিক জাদুতে আলতাফ/বাবরের মতো অকর্মণ্যরাও মন্ত্রণালয় পেয়েছে। অথচ গত দুই বছরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হাতে গোণা কয়েকজন উপদেষ্টা (ভিন্নর্থে মন্ত্রী) নিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত মন্ত্রণালয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ নামক এই ছোট দেশে এতো এতো মন্ত্রণালয় আমার কাছে অহেতুক মনে হয়। এদের কয়েকটি একই সঙ্গে মার্জ করে দিয়ে একজন মন্ত্রী দিয়েই চালানো সম্ভব। প্রথমেই দেখা যাক বর্তমানে বাংলাদেশে মন্ত্রণালয় মোট কয়টি আছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০১। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০২। আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৩। অর্থ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৪। কৃষি মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৫। খাদ্য ও দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৬। ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৭। তথ্য মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৮। ধর্ম মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;০৯। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১০। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১১। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১২। শ্রম মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৩। পাট ও পোশাক মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৪। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৫। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৬। পার্বত্য অঞ্চল বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৭। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৮। ভূমি মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;১৯। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২০। মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২১। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২২। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৩। শিল্প মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৪। শিক্ষা মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৫। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৬। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৭। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৮। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;২৯। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;৩০। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;৩১। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;৩২। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;৩৩। জনশক্তি ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;৩৪। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;৩৫। নৌ মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেখা যাচ্ছে মোট ৩৩টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। লিস্টটা গুরুত্ব অনুসারে সাজানো হয়নি। এছাড়াও মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত নানান ডিভিশন রয়েছে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রীও নিয়োগ দেয়া হয়। লিস্টিটা পাওয়ার জন্য ধন্যবাদ ব্লগার নাজিমউদদীনকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতোসংখ্যক মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের জন্য একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। আমার একটা আইডিয়া এলো তা হলো এসব মন্ত্রণালয়গুলোকে একটার সঙ্গে আরেকটা মার্জ করে নতুন কোনো নাম দেয়া যায় কিনা। এতে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের হার কমে আসতে পারে। আরেকটা কাজ যেটা করা যেতে পারে তা হলো আপনার পছন্দ অনুসারে কোন মন্ত্রণালয়ের জন্য কোন ব্যক্তি (দলমত নির্বিশেষ) উপযুক্ত হতে পারে সেটা জানিয়ে দিন। আমি প্রথমেই মন্ত্রণালয়ের সংখ্যাগুলো কমিয়ে আনছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০১। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়। তাই একে আলাদাভাবেই রাখা গেল।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০২। আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এটিও আলাদা মন্ত্রণালয়ের দাবি রাখে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৩। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - খুবই নাজুক অবস্থা আমাদের এ মন্ত্রণালয়ের। যোগ্য কূটনীতিক নাই। &lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৪। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - ল' এন্ড অর্ডার ঠিক রাখার জন্য এটি আলাদা মন্ত্রণালয় হবে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৫। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৬। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৭। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এর মধ্যে নৌ মন্ত্রণালয়ও থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৮। শ্রম, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - পাট ও গার্মেন্টস মন্ত্রণালয়কে অবলুপ্ত করে শিল্পের আন্ডারে নিয়ে যাওযা হলো।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;০৯। তথ্য মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ডাক ও টেলি মন্ত্রণালয় থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১০। বনজ, খনিজ, পানি, মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এইটার একটা ভালো নামকরণ দরকার।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১১। স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১২। সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - মুজাহিদ চুদির পুত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হওয়ার পর গ্রামে গঞ্জে শিবিরের কর্মী বাইড়া গেছিল। তাই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একীভূত হইল।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৩। শিক্ষা মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এর মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মার্জ করবে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৪। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন ও পার্বত্য অঞ্চল বিষয়ক মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - পর্যটনের সঙ্গে যেহেতু পার্বত্য অঞ্চলের যোগসূত্র আছে তাই সবগুলা মিলে একটা মন্ত্রণালয় হবে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৫। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও যুব-ক্রীড়া মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে যুব-ক্রীড়ার সঙ্গে মিশাইলাম তাতে যদি তরুণদের প্রযুক্তিমুখী করার সম্ভাবনা জাগে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৬। ভূমি, খাদ্য ও দূর্যোগ মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৭। কৃষি মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ মন্ত্রণালয় হওয়ার দাবি রাখে।&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৮। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১৯। জনশক্তি ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়&lt;/b&gt; - বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে পৃথিবীর চারদিকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এটাকে আলাদা মন্ত্রণালয়ের মর্যদা দেয়া হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৫ থেকে কমিয়ে ১৯টি মন্ত্রণালয় করা হলো। বাকি রইল ধর্ম মন্ত্রণালয়। ধর্ম বিষয়ক আলাদা কোনো মন্ত্রণালয় না করে একটা কমিটি টাইপের কিছু রাখা যেতে পারে। বাকি রইল কোন লোকের অধীনে কোন মন্ত্রণালয় থাকবে। আপনারা সাজেশন দিন। আর কিছু বাদ/ভুল হলে ধরিয়ে দিন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-5377583652772496271?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/5377583652772496271/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=5377583652772496271&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/5377583652772496271'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/5377583652772496271'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/12/blog-post_611.html' title='২০০৮ নির্বাচনে বিজয়ী দলের জন্য মন্ত্রণালয় পুনর্বিন্যাস'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1292716727147443679</id><published>2008-12-16T17:41:00.002Z</published><updated>2008-12-16T21:16:54.659Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><title type='text'>নাট্য সমালোচনা : আনিসুল হক/ ফারুকী গংয়ের মশকরা</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SUgThK1eq0I/AAAAAAAAAP8/xIpxsCZwtP0/s1600-h/Emon+Deshti.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SUgThK1eq0I/AAAAAAAAAP8/xIpxsCZwtP0/s400/Emon+Deshti.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;দেশে থাকতে যেটা অনিয়ম ছিল প্রবাসে সেটাই অর্থাৎ টেলিভিশন দেখাটা মোটামুটি নিয়মের মধ্যে পড়েছে। কারণটা হলো ইন্টারনেট। দেশে নাটক দেখা হতো না তেমন একটা, অথচ প্রবাসে এসে বাংলাদেশী নাটক দেখা হচ্ছে অনেক। এই ঈদেও তাই প্রচুর বাংলাদেশী নাটক ডাউনলোড করে দেখতে শুরু করেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফারুকী গং অর্থাৎ এদের ভাই বেরাদারের প্রতি আমি আংশিক বিরক্ত। এদের সবার কাজের ধারা এক। একজন পরিচালকের স্বাতন্ত্র লক্ষ্য করা যায় না এদের নির্মাণে। এ বিষয়ে ফারুকীর বক্তব্য হলো, গুরুর ছাপ তো শিষ্যের মধ্যে থাকবেই। মানছি, কিন্তু তারপরও গুরুর শিক্ষাকে মাথায় নিয়ে নিজের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলা, বক্তব্য দেয়া পরিচালকের ধর্ম। ফারুকীর ভাই বেরাদাররা সেটা করতে পারছেন না। ইন্টারনেটে নাটক ডাউনলোড করার সময় দেখি লেখা থাকে 'ফারুকীর নাটক'। অথচ নাটকের টাইটেলে পরিচালকের নাম উঠে আশুতোষ রানা, রেদওয়ান রনি, ফাহমী, রুমেল ইত্যাদি ভাই বেরাদারের। অনেকেই বলে, &lt;i&gt;আইজকা ফারুকীর একটা নাটক দেখলাম, হেভ্ভি জোশ।&lt;/i&gt; শুনে আমিও আগ্রহভরে নাটকটি দেখতে গিয়ে দেখি ওটা আসলে ফারুকীর নির্মাণ নয়, তারই কোনো ভাই বেরাদারের। আফসোস, ভাই বেরাদাররা গুরুর পাকেচক্রে এমনই আটকে আছে যে তাদের কাজের লেভেল পর্যন্ত গুরুর নামে হচ্ছে। এসব ভাইবেরাদাররা আসলে গুরুর মেধাকে অনুসরণ না করে অনুকরণ করছে। ফলে দেখা যায় সংলাপ শেষে একই জায়গাতেই মিউজিক বাজছে, একই স্টাইলে সিকোয়েন্স পরিবর্তন হচ্ছে, একই স্টাইলে সংলাপ আওড়াচ্ছে। ভাষারীতি ছাড়াও ফারুকী গংয়ের বিরুদ্ধে আরো একটা অভিযোগ আছে, যে তার নাটকে ঝগড়াঝাটিই প্রাধ্যন্য পায়। সব আর্টিস্টরা এমনভাবে সংলাপ আওড়ায় যেন ঝগড়া করছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি ফারুকীর কিছু কিছু কাজের খুবই ভক্ত। তার মেধার প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা আছে। মাঝে মাঝে সেটাতে ঝাটকা লাগে, অর্থাৎ মানতে পারি না ফারুকী কোনো খারাপ কাজ করবে। একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত তার 'প্রত্যাবর্তন' নাটকের প্রতি মুগ্ধতা আমার কোনোদিনই শেষ হবে না। পাশাপাশি ব্যাচেলর, মেড ইন বাংলাদেশ সহ আরো কিছু কিছু &lt;span style="font-size: small;"&gt;(নাম মনে করতে পারছি না)&lt;/span&gt; নির্মাণকে আমি যাচ্ছেতাই-এর পর্যায়ে ফেলে দিতে পারি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফারুকীর লাস্ট নাটক যেটা দেখেছিলাম সেটা হলো 'স্পার্টাকাস ৭১'। এ নাটকের প্রশংসা করার ভাষা আমার নেই। নাট্যাঙ্গণের যাবতীয় পুরষ্কার এ নাটকের জন্য ফারুকীকে দিয়ে দেয়া যায়। নাটকের কাহিনীটি একটু বলে নিই,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;শাওন-বাঁধন নামে দুই জমজ ভাইকে নিয়ে একাত্তরের পটভূমিকায় স্পার্টাকাস ৭১ নির্মিত হয়। দুইভাইয়ের মধ্যে একজন ছিলেন বাগদত্তা, তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। সেই কারণে স্থানীয় রাজাকার মাহবুবের কোপানলে পড়ে পরিবারটি। খোঁজখবর নিতে যখনই ওই বাড়িতে মাহবুব যেত, শাওন-বাঁধনের বাবা-মা তাদের অবশিষ্ট জমজ সন্তানটিকে একবার শাওন আরেকবার বাঁধন সাজিয়ে রাজাকারকে বোঝাত যে তাদের দুই সন্তানই বাড়িতে আছে, মুক্তিযুদ্ধে যায়নি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না। রাজাকার মাহবুব বিষয়টি ধরে ফেলে। শর্ত দেয় বাবা-মাকে, তাদের ছেলের হবু বউকে আর্মিক্যাম্পে নিয়ে গেলে তারা বেঁচে যাবে। শাওন-বাঁধনের বাবা কাজটি করতে বাধ্য হন, অর্থাৎ ছেলের হবু বউকে আর্মি ক্যাম্পে দিয়ে আসেন। কিন্তু নাটকের শেষে দেখা যায় রাজাকার মাহবুব শাওন-বাঁধনকে হত্যা করে। দুঃখ সইতে না পেরে বাবা আত্মহত্যা করেন, একমাত মা বেঁচে থাকেন এই দুঃসহ ঘটনার পরও। &lt;span style="font-size: small;"&gt;(স্মৃতি থেকে লেখা, একটু এদিক সেদিক হতে পারে)&lt;/span&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবারের ঈদে তুমুল জনপ্রিয় হওয়া এই নাটকের সিক্যুয়াল তৈরি করেন ফারুকী &lt;b&gt;'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি'&lt;/b&gt; নামে। নাটকটি যৌথভাবে রচনা/ চিত্রনাট্য করেছেন আনিসুল হক এবং ফারুক। পরিচালনায় ফারুকী ও রেদওয়ান রনি। প্রচন্ড আগ্রহ নিয়ে নাটকটি দেখেছি এবং যারপরনাই হতাশ হয়েছি। নাটকটি সত্য ঘটনা নিয়ে না হলে এই পোস্টে ওই নাটক নিয়ে আমার দুটি কথা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাটকটি শুরু হয় স্পার্টাকাস ৭১ নাটকের কিছু দৃশ্য দেখিয়ে। একাত্তরের সময় নিয়ে নির্মিত ওই নাটকের বেঁচে যাওয়া মা আজ ৩৭ বছর পর কোথায় কিভাবে আছেন সেটা দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে নাটক শুরু হয়। আমি হতভম্ব হয়ে দেখি শাওন-বাঁধনের মা মাহবুব রাজাকারের বাড়িতে চাকরাণী/ বুয়ার কাজ করছেন এবং সেটা মাহবুব রাজাকার কর্তৃক দখলকৃত তারই নিজ বাড়িতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিশ্চয়ই এর কোনো ব্যাখ্যা নাট্যকার দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধার মা তার সন্তানের হত্যাকারীর বাড়িতে বুয়া হয়ে ৩৭ বছর ধরে কিভাবে থাকতে পারেন তার ব্যাখ্যা পেতে নাটকটি ধৈর্য্য ধরে দেখতে থাকি। অবশেষে একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। দখল করা বাড়িতে নতুন এ্যাপার্টমেন্ট তুলতে গিয়ে রাজাকার মাহবুব জানতে পারে এজন্য এ বাড়ির সমস্ত ওয়ারিশদের স্বাক্ষর লাগবে। তখন রাজাকার মাহবুব, শাওন-বাঁধনের মাকে তার ভাইদের বাড়িতে পাঠায়। কেননা শাওন-বাঁধনের মা এ বাড়িটি মাহবুব রাজাকারকে লিখে দিলেও তার পরিমাণ ছিল মুল সম্পত্তির ২%, বাকি ১৪% এর মালিক শাওন-বাঁধনের মামারা। মা যখন তার ভাইদের বাড়িতে যায় তখন জানা যায়, সন্তান হত্যা এবং স্বামী আত্মহত্যা করার পর মা নাকি তার ভাইদের কাছে গিয়েছিলেন আশ্রয়লাভের জন্য, কিন্তু ভয়ে ভাইয়ের তাকে আশ্রয় না দিলে তিনি সিদ্ধান্ত নেন রাজাকার মাহবুবের বাড়িতেই তিনি থাকবেন এবং বেঁচে থেকে তিনি আজীবন মাহবুব রাজাকারকে অভিশাপ দিবেন। আর এ কারণেই নাটকে আমরা দেখি তিনি মাহবুব রাজাকারের বাড়িতে বুয়ার কাজ করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;হায় খোদা! এই আনিসুল হকই তো কালজয়ী 'মা' উপন্যাস লিখেছিলেন! যিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার মাকে এতো কাছাকাছি দেখেছনে, এতো এতো মুক্তিযোদ্ধার মায়েদের সম্পর্কে জেনেছেন, তিনি পারলেন কি করে একজন মুক্তিযোদ্ধার মাকে তারই সন্তানের হত্যাকারী, স্বাধীনতা বিরোধী, দেশের শত্রুর বাড়িতে বুয়ার কাজ করাতে। তিনি কী চমক দেখাতে চাইলেন, মুক্তিযোদ্ধার মাকে রাজাকারের স্ত্রীর হাতে দুধ চুরি করে খাওয়ার অভিযোগের সিকোয়েন্স লিখে? দেশ আজ স্বাধীনতা বিরোধী, রাজাকারদের পদভারে কম্পিত। তিনি সাজেস্টিভ কিছু দেখালেন কি যে আজ দেশের সমস্ত মুক্তিযোদ্ধারা এমনই ভাবে রাজাকারদের চাকর হয়ে আছে? কল্পনার ঘোড়া এমন করে দৌড়াতে হয়!&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা মশকরা করা হয়েছে দর্শকদের সাথে, সর্বোপরি দেশের জনগণের সাথে। একজন নাট্যকার হিসেবে তার স্বাধীনতা আছে তার মতো করে নাটক লিখতে, কিন্তু তিনি যখন ইতিহাস বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লিখবেন তখন যেন আমাদের আবেগকেও সম্মান জানান। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আমি বিশ্বাস করি একজন মুক্তিযোদ্ধার মা কোনোভাবেই তার সন্তানের হত্যাকারীর বাড়িতে বুয়ার কাজ করতে পারে না। এটা সম্ভব হয় কি করে! ৩৭ বছর ধরে একজন মুক্তিযোদ্ধার মা সন্তানের হত্যাকারীর বাড়িতে ভাত খাচ্ছে, যেখানে আনিসুল হক 'মা' উপন্যাসে আমাদের জানান যে, মুক্তিযোদ্ধা আজাদের মা ছেলের মৃত্যুর খবর জেনে কখনোই ভাত খাননি, জুতো-স্যান্ডেল পরেননি, ফ্লোরে বালিশ-তোষক ছাড়া ঘুমিয়েছেন। সেই আনিসুল হক এটা কিভাবে লিখলেন? ফারুকী তা কিভাবে নির্মাণ করলেন? আমাদের মুক্তিযোদ্ধার মা-রা এতোটাই অসহায়? যে সাহসে ছেলেকে বন্দুকের মুখে ঠেলে দিতে পারেন, সেই মায়েরা এতোটাই অসহায় হয়ে যেতে পারে কি যে সন্তানের হত্যাকারীর বাড়িতে তাকে আশ্রয় নিতে হয়! টিভি পর্দায় আমাদের দেখতে হয় মুক্তিযোদ্ধার মা তার সন্তানের হত্যাকারীর জুতো পালিশ করে দিচ্ছে!&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাটকের এক পর্যায়ে দেখা যায় শাওন-বাঁধনের বন্ধুরা অনেক বছর পরে হলেও তাদের নামে স্মৃতি পরিষদ গঠন করে মাহবুব রাজাকারের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে। সেই মাহবুব রাজাকার তখন ৩৭ বছর ধরে ভরণপোষনের দোহাই দিয়ে শাওন-বাঁধনের মাকে আদালতে মিথ্যে স্বাক্ষী দিতে রাজি করায়। একটা কাগজ ধরিয়ে তাকে মুখস্থ করতে বলা হয় যেখানে লেখা থাকে, &lt;i&gt;তার সন্তানের হত্যাকারী মাহবুব রাজাকার নয় বরং পাকিস্তানী মিলিটারী। মাহবুব তাকে এতো বছর ধরে দেখাশোনা করছেন আল্লাহ যেন তার ভালো করে।&lt;/i&gt; আমি অবাক হয়ে দেখি, সেই মা সারারাত ধরে সেটা মুখস্থ করছেন এবং সাংবাদিক সম্মেলনেসুযোগ পাওয়া স্বত্ত্বেও তার পাশে বসে থাকা রাজাকার মাহবুবকে ছেলের হত্যাকারী হিসেব সনাক্ত করেন না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কেন কেন কেন? এসব মশকরা দেখিয়ে আনিসুল হক এবং ফারুকী গং কি বোঝাতে চেয়েছে? দেশে যে দৌর্দন্ড প্রতাপে স্বাধীনতা বিরোধিরা চরে ফিরছেন সেটাই তারা ইঙ্গিতে বোঝালেন? রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সারা দেশ যখন সোচ্চার তখন এসব ইঙ্গিত কাদের পক্ষে যায়? এসব ফালতু সাজেস্টিভ আর ইঙ্গিত আর কতোকাল আমরা সইব? সব খুলে বলতে নেই, বুঝে নিতে হয় - এমন কাঁচকলা আর কতোকাল রান্না করে খাব? একজন মুক্তিযোদ্ধার মাকে তারই সন্তানের হত্যাকারীর বাড়িতে কাজের বুয়া হিসেবে ৩৭ বছর রেখে, দুধ চুরির অপবাদ দিয়ে, শেষ পর্যন্ত ওই রাজাকারের কোনো পরিণতি না দেখিয়ে আনিসুল হক/ ফারুকীর গংরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কোন দিকটা হাসিল করলেন?&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাজাকারকে ঘৃণা করতে পার, তাদের সন্তানদের নয়। এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি নাটকে আনিসুল হক/ ফারুকীরা প্রচ্ছণ্নভাবে এটা স্টাবিলিশড করলেন। মাহবুব রাজাকারের ছেলে বাচ্চু মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে বলে তার বয়সী বন্ধুরা সবাই ইউনিভার্সিটিতে গেলেও সে তাদের সঙ্গে ঠিকমতো মিশতে পারে না। খেলায় তাকে কেউ নিতে চায় না, রাস্তায় রাজাকারের বাচ্চা বলে পাড়ার ছেলেরা খ্যাপায়, পাশের বাসার মেয়ের সঙ্গে প্রেমটাও ঠিকমতো হয়ে উঠে না দেখিয়ে আনিসুল/ ফারুকীরা একটা সিমপ্যাথী গড়ে তুলেছে সারা নাটকে রাজাকারের সন্তানের পক্ষে। বাবার কৃতকর্মের জন্য সন্তানকে দুষতে হবে কেন এমনটাই প্রতিধ্বনি করতে চেয়েছে নাটকের নির্মাতারা। কিন্তু বাবার সামনে কখনোই ওই ছেলেকে প্রতিবাদীর ভূমিকায় আনতে পারেনি নাট্যকার/ নির্মাতা। নাটকের শেষ দৃশ্যে দেখা যায় ফোনালাপের মাধ্যমে ছেলে তার বাবাকে ইন্টারভিউ নিচ্ছেন প্রথম আলোর হয়ে &lt;span style="font-size: small;"&gt;(নিজের পত্রিকার নাম বেচা, কার্টুনিস্ট আরিফের সময় এই পত্রিকার ভূমিকা আমরা দেখেছি)।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আজকাল ব্লগ সহ সমাজে কিছু কিছু সুশীলের উৎপত্তি হয়েছে যারা থেকে থেকে কুয়ার ভিতর থেকে মাথা উঠিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, ৭১ এর জন্য পুরো পাকিস্তানী জনগণকে দায়ি করা কি উচিত? বাবা রাজাকার হলেও ৭১ এর পর জন্ম নিয়েছে বলে তার সন্তানকে বাবার কর্মকান্ডের জন্য ঘৃণা করা যাবে কি? এইসব প্রশ্নের আড়ালে তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় রাজাকারদের। আনিসুল হক এবং ফারুকী নিশ্চয়ই ওই পথে হাঁটছেন না।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কল্পনারও একটা সীমা থাকা দরকার। মুক্তিযোদ্ধার মায়ের এমন পরিণতি দেখিয়ে আমাদের কি বোঝাতে চাইলেন আনিসুল হক এবং ফারুকী তা আমার বোধগম্য না। তবে তাদের এমন কল্পনা স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রশ্রয় দেয়। আনিসুল হক স্বনামধন্য লেখক, ফারুকী একজন ভালো নির্মাতা। আপনাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা এমন কিছু নির্মাণ করবেন না যা মানুষের আবেগকে খাটো করে। এমন অবাস্তব কিছু লিখবেন না যা আমাদের অপমান করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাটকটি এমনভাবে শেষ হয়েছে যাতে মনে হয়েছে এর তৃতীয় পর্ব নির্মাণ সম্ভব। সারা নাটকেই আমার বিরক্তি চালু ছিল কিন্তু নাটকের শেষ দেখে এর তৃতীয় পর্ব নির্মাণের সম্ভাব্যতা দেখে আমি আশাবাদী হয়েছি যে ফারুকী গং তৃতীয় পর্ব নির্মাণ করে এমন অবাস্তব একটি নাটকের সুন্দর সমাপ্তি টানবেন। আগামী ২৬ মার্চ আপনাদের এই ভুল শুধরে নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;নাটকটির টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করে দেখতে পারেন &lt;a href="http://www.banglatorrents.com/by-mostafa-s-faruqi/11399-sequel-of-video-film-spartacus-71-a.html"&gt;এই লিংক&lt;/a&gt; থেকে।&lt;/i&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1292716727147443679?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1292716727147443679/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1292716727147443679&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1292716727147443679'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1292716727147443679'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/12/blog-post_16.html' title='নাট্য সমালোচনা : আনিসুল হক/ ফারুকী গংয়ের মশকরা'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SUgThK1eq0I/AAAAAAAAAP8/xIpxsCZwtP0/s72-c/Emon+Deshti.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-1348437002992103397</id><published>2008-12-11T16:39:00.005Z</published><updated>2008-12-11T18:53:17.620Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পরিক্রমা'/><title type='text'>ব্লগ পরিক্রমা : ব্লগারদের খবর জানবেন যেখানে</title><content type='html'>ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ ব্লগ, বিশেষ করে বাংলা ব্লগের (কমিউনিটি কিংবা ফোরাম যাই বলি) খোঁজখবর রাখছেন না এমন ইউজার মেলা ভার। বাংলায় চালু ব্লগগুলোতে ঘুরে ফিরে জানা গেছে এখানকার ইউজার অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া থেকে শুরু করে ৫০ উর্ধ্ব বয়সী পর্যন্ত রয়েছেন। নতুন নতুন ব্লগ চালু হচ্ছে, ইউজারদের অংশগ্রহণও তাতে বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে দলাদলিও। বাঙালির চিরাচরিত আবেগের (?) কারণে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে ব্লগাররা। অমুক ব্লগার তমুক ব্লগে লিখতে পারেন না, তাই যান না; অমুক অমুক ব্লগাররা তমুক তমুক ব্লগসাইটকে এড়িয়ে চলেন - তাই যতোটা মিথস্ক্রীয়ার প্রয়োজন ততোটাই যেন হয়ে উঠছে না। ক্ষতি যেটা হচ্ছে তা হলো অনেক ভালো লেখা আমরা মিস করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে কোনো সাইটের জন্য ইউজাররাই প্রধান। ভিন্ন ভিন্ন নামে গড়ে উঠা ব্লগগুলোর প্রাণ হচ্ছে এই ব্লগাররাই। যে কোনো সাইটের মান নির্ধারণ করেন তারাই। প্রত্যেকটি ব্লগ সাইটে রয়েছে কিছু নিবেদিত ব্লগার। যারা নির্দিষ্ট কোনো সাইট ছাড়া অন্য কোনো ব্লগসাইট ভিজিট করেন না। এছাড়াও আন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ব্লগারদের ব্যক্তিগত ব্লগগুলোও সম্পর্কেও ধারণা রাখেন না। ফলে মিস করছেন তাদের চিন্তাভাবনা কিংবা সাম্প্রতিক বিষয়গুলোতে তাদের মতামত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগেই বলেছি ব্লগাররাই হচ্ছে মূল। তাই এই &lt;b&gt;ব্লগ পরিক্রমায় কোনো ব্লগসাইট সম্পর্কে বলা হবে না। ব্লগারদের পোস্ট, মন্তব্য এগুলো নিয়েই সাজানো হবে পরিক্রমা। প্রয়োজনীয় লিংক দেয়া হবে। কোনো ব্লগেই লেখেন না, অথচ নিভৃতে লিখে যাচ্ছেন তার ব্যক্তিগত ব্লগে - তুলে আনা হবে সেইসব ব্লগারদের কথা। আন্তর্জালে এমনই ছড়িয়ে থাকা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো ব্লগারদের ব্লগগুলোকে পরিচিত করে দেয়া হবে আপনাদের সবার সঙ্গে।&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লগাররা যেন কোনো ব্লগসাইটের মনোপলিতে না পড়েন, আরো বেশি পরিমাণ ব্লগ যেন পড়তে পারেন, সেটা বাংলা ভাষারই হোক কিংবা ইংরেজিই হোক, আমরা চেষ্টা করব সেসব ব্লগের খবর আপনাদের জানাতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার ব্যক্তিগত ব্লগ কিংবা পরিচিত কারো ব্লগ সম্পর্কে জানাতে চাইলে এখানে লিংক জানিয়ে দিন। আমরা মনিটর করব সেই ব্লগকে। নতুন কোনো লেখা আসলে জানিয়ে দেব সবাইকে। কোনো সেলিব্রিটি (উদাহরণ &lt;a href="http://www.aamirkhan.com/blog.htm"&gt;আমির খান&lt;/a&gt;) কিংবা কোনো গায়ক কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির ব্লগ সম্পর্কে যদি আপনার জানা থাকে তার লিংকও এখানে জানিয়ে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;মোট কথা আমরা চাই, বাংলা ব্লগসাইটগুলোর সকল ব্লগারদের, আন্তর্জালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা (বিভিন্ন জাতি, ভাষাভাষির) ব্লগারদের সঙ্গে একটি যোগসূত্র।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লগ পরিক্রমা নিয়মিতভাবে অর্থাৎ সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক এরকম হবে না। ৫ দিন পর অথবা ১০ দিন পর অথবা ৭ দিন পরপরও প্রকাশ হতে পারে। বাংলায় অডিও এবং স্ক্রিপ্ট সহ ব্লগ পরিক্রমায় ব্লগারদের পোস্ট, মন্তব্য নিয়ে আলোচনা হবে। প্রয়োজন আপনার সহায়তা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-1348437002992103397?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/1348437002992103397/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=1348437002992103397&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1348437002992103397'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/1348437002992103397'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/12/blog-post.html' title='ব্লগ পরিক্রমা : ব্লগারদের খবর জানবেন যেখানে'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-4201744203047286796</id><published>2008-11-28T14:49:00.002Z</published><updated>2008-11-28T16:11:22.026Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিডিয়া'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রতিক্রিয়া'/><title type='text'>কলকাতার উপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে বাংলাদেশে টিভি সিরিয়াল বানানোর তীব্র প্রতিবাদ করছি</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/STAXI144QwI/AAAAAAAAAN4/A8gh3CUO9Cc/s1600-h/leed-01-27-11.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/STAXI144QwI/AAAAAAAAAN4/A8gh3CUO9Cc/s400/leed-01-27-11.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;সর্বপ্রথম কে কলকাতার উপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে টিভি সিরিয়াল কিংবা একক নাটক বানানো শুরু করেছিল সেটা মনে করতে পারছি না। তবে আফসানা মিমি-র কৃষ্ণচূড়া প্রডাকশনের 'কাছের মানুষ' সিরিয়ালটিই হয়তো বা প্রথম হতে পারে। সূচিত্রা ভট্টাচার্যের এ উপন্যাস নিয়ে সিরিয়াল শুরু হতে যাচ্ছে এটা প্রথম শুনতে পাই আমার প্রজাপতিকাল টেলিফিল্মের শুটিংয়ের সময়। মেকাপম্যান রবীনের কাছে কাছের মানুষের এককপি দেখতে পেয়ে জানতে পারি মিমি আপা তাকে এই বইটি পড়তে বলেছেন যেন আর্টিস্টদের মেকাপ সম্পর্কে সে আগেভাগেই একটা ধারণা করতে পারে। জানি না মিমি আপা তার অন্য কোনো সিরিয়াল নিয়ে এতোটা সিরিয়াস ছিলেন কিনা অর্থাৎ বন্ধন নাটকের সময়ও কি তিনি তার মেকাপম্যানকে স্ক্রিপ্ট পড়তে দিয়েছিলেন কিনা জানতে পারিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাছের মানুষ নিয়ে আগ্রহ ছিল। কারণ সানজিদা প্রীতি তাতে অভিনয় করেছিল, সৈনিক ক্যামেরা চালিয়েছিল। প্রীতি আমার সন্ধি নাটক করার পর ড্রিম ফ্যাক্টরির স্পর্শের বাইরে করেছিল। আমি ফাজলামো করে বলতাম, হায়রে প্রীতি, আমার সঙ্গে 'সন্ধি' করে 'স্পর্শের বাইরে' চলে গেলে, এখন আবার আরেকজনের 'কাছের মানুষ' হয়ে গেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাছের মানুষ টিভিতে কয়েক পর্ব দেখেছি। কলকাতা ঢংয়ের সংলাপগুলো যতোই বাংলাদেশিকরণ করার চেষ্টা হোক না কেন সেগুলো জুৎসই হয়নি। একটা উদাহরণ দিই। অফিসে সেরে গৃহকত্রী বাসায় ফিরেছে। তিনি এখন চা খাবেন। স্বামীকে বলছেন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;গৃহকত্রী : এই শুনছ। আমি চায়ের পানি চড়াচ্ছি। তোমার জন্যও করব?&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ সংলাপটা আমার কানে খট করে লাগল। প্রচুর পরিমাণে কলকাতার উপন্যাস পড়ার ফলে আমি বুঝতে পারি এটা নিতান্তই সাদামাটা সংলাপ, কলকাতাবাসীদের জন্য। আমি হাজার চেষ্টা করেও মনে করতে পারিনি আমার এ বয়স পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশী কাউকে 'চায়ের পানি' বেশি করে চড়াবে কিনা জিজ্ঞেস করছে। বরং এমনটাই শুনেছি যে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;গৃহকর্ত্রী : আমি চা খাব। তুমি খাবে? বানাব?&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুনেছি কাছের মানুষকে বাংলাদেশিকরণ করা হয়েছিল কিছু কিছু শব্দ পরিবর্তন করে। যেমন, জানালার কপাট লাগিয়ে দাও না বলে জানালা লাগিয়ে দাও; বাতিটা নিভিয়ে দাও না বলে লাইটটা অফ করে দাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পত্রপত্রিকায় আগেই পড়েছিলাম আর এই সেদিন&lt;a href="http://glitz.bdnews24.com/details.php?catry=2&amp;amp;showns=336"&gt; বিডিনিউজে এই রিপোর্টটা&lt;/a&gt; পড়ে আরো বেশি হতাশ হয়েছি। এখন বাংলাদেশে বেশ জোরেসোরেই চলছে কলকাতার উপন্যাস নিয়ে টিভি সিরিয়াল বানানোর হিড়িক। আমি এর তীব্র বিরোধিতা করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিপোর্টে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জেগেছে যে বাংলাদেশে কি ভালো স্ক্রিপ্টের অভাব! বেশিরভাগই তা স্বীকার করেছেন। আমিও মানি। কিন্তু এর কারণে অন্য কারো দ্বারস্থ হতে হবে এতোটা অভাবগ্রস্ত আমরা নই। কলকাতার উপন্যাসগুলোর পটভূমি কি? কারা কথা বলে ওইসব উপন্যাসে? কি বলে? কতোটা বাংলাদেশের দৈনন্দিন জীবনযাপনকে ছুঁয়ে যায় সেসব?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান উপদেষ্টা নওয়াজীশ আলী খান বলেছেন, &lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;&lt;i&gt;আমাদের দেশের নাটকে তাদের গল্প-কাহিনী ব্যবহারের ফলে আমাদের নাটকে কোনো প্রভাব পড়ছে না। এখন আমাদের দেশে চ্যানেলের সংখ্যা নয়টি। প্রতিদিন গড়ে নাটক প্রচারিত হচ্ছে প্রায় ২০টি। এর মধ্যে তাদের গল্প নিয়ে তৈরি নাটক খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। তবে আমাদের যে স্ক্রিপ্ট সংকট চলছে সেটার জন্য আরো বেশি নিজেদের মেধা-মনন, সময় এবং শক্তি দিয়ে স্ক্রিপ্ট বানানো উচিত।&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/blockquote&gt;জ্বি না জনাব। তাদের গল্প-কাহিনী আমাদের উপর প্রভাব ফেলছে। যে হারে জাকজমক করে, সাংবাদিক সম্মেলন, মহরত, প্রেস কনফারেন্স করছে তাতে পরোক্ষভাবে দর্শকদের ওদের নাটক দেখানোয় উৎসাহিত করছেন। তাই ফাঁকে ফুঁকে চলছে বলে অন্য নাটকের উপর প্রভাব ফেলবে না একথা আপনি বলতে পারেন না। যে স্ক্রিপ্ট সংকট চলছে, তা মেটানোর জন্য বাংলাদেশের স্ক্রিপ্ট রাইটারদেরই আরো বেশি বেশি সুযোগ দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফাল্গুনী হামিদ বলেছেন,&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;&lt;i&gt;এই যে বাইরের গল্প নিয়ে কাজ করি, অনেকে বলেছেন, এটা এক ধরনের নাম কামানো এবং ব্যবসা।&lt;/i&gt;&lt;/blockquote&gt;&amp;nbsp;একদম ঠিক বলেছেন, নাম কামানোর ব্যবসা ছাড়া এটা আর কিছুই নয়। কারণ পরের লাইনে আপনি বলছেন&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;&lt;i&gt;আমি বলতে চাই সমরেশের একটা নাটক বানালে চ্যানেল আমাকে যে টাকা দেবে, এক্স বা ওয়াই-এর নাটক বানালেও ঠিক ঐ পরিমাণ টাকাই দেবে।&lt;/i&gt;&lt;/blockquote&gt;&amp;nbsp;তাহলে কেন সমরেশের জায়গায় একটা বাংলাদেশী স্ক্রিপ্ট রাইটারকে সুযোগ দিচ্ছেন না। আপনি এতো ভালো স্ক্রিপ্ট বুঝে সমরেশের উপন্যাশ হাতে নিয়ে নিচ্ছেন তো দুর্বল স্ক্রিপ্ট শক্তিশালী করুন না স্ক্রিপ্ট রাইটারের সঙ্গে বসে। আপনি নিজেই ভাবুন না, গল্প দিন না, দেখেন স্ক্রিপ্ট রাইটার কি করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেজবাউর রহমান সুমন বলেছেন,&amp;nbsp; &lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;&lt;i&gt;আমাদের এখানে ভালো স্ক্রিপ্টের আসলেই খুব অভাব ... ভারতের লেখকদের লেখা নিয়ে একারণেই বেশি কাজ করা হয় যে, তাদের প্রেক্ষাপট আর আমাদের প্রেক্ষাপট অনেক কাছাকাছি।&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;/blockquote&gt;&amp;nbsp;সুমনের কাছ থেকে এরকম কথা আশা করিনি আমি। তাকে খুব উঁচুমানের পরিচালক ভাবি। একটি ভুল ধারণা পোষণ করছেন তিনি। ভারতীয় বাঙালি আর আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপট এক নয়। তাদের চিন্তাভাবনার উপায়ের সঙ্গে আমাদের মেলে না। রবীন্দ্র, নজরুল, বৈশাখ উদযাপন দিয়ে প্রেক্ষাপট একভাবার তরিকাটা খুবই দুর্বল। ওখানকার শ্রমজীবী আর আমাদের শ্রমজীবী গরিব মানুষের শরীরে ঘাম হয়তো একই রকম দেখতে হয়, কিন্তু তাদের জীবনধারা, সংলাপ সম্পূর্ণ আলাদা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওপার বাংলার উপন্যাস নিয়ে সিরিয়াল, নাটক, ফিল্ম বানানোর দায়িত্বটা অনেকেই নির্মাতার উপর ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে একজন নির্মাতা সুনীলের, সমরেশের, শীর্ষেন্দুর চরিত্রগুলোকে বাংলাদেশের মাঠেপ্রান্তরে কিভাবে চড়াবেন? বাতিটা নিভিয়ে দাও না বলিয়ে লাইট অফ করে দাও টাইপ সংলাপ প্রতিস্থাপন করে। তার মানে হলো আপনাদের ওদের সাহিত্যকে ঘষামাজা করতে হয়। তো এ পরিশ্রমটা এখানকারই কোনো স্ক্রিপ্ট রাইটারের সঙ্গে বসে করুন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের দেশের কটা নাটক ওদের টিভিতে চলে। টিভিই তো দেখায় না। এক 'বেদের মেয়ে জোসনা' রিমিক হয়েছিল, তারপর তো আর কোনো খবর পাই না। নির্মাতাদের বলি, পারলে চেষ্টা করেন বাংলাদেশী কোনো স্ক্রিপ্ট রাইটারের স্ক্রিপ্ট ওদের টিভির নাটকের জন্য কোনো ডিরেক্টরকে গছিয়ে দিতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনন্দবাজারের বাজার দরকার। তাদের বই বিক্রির বাজার দরকার, সেটা তৈরি করেও নিয়েছে। এখন হাত বাড়িয়েছে টিভির দিকে। দাদাদের বলি, কষ্ট করে কলা খান। আসেন বাংলাদেশে। থাকেন টানা কয়েকমাস। তারপর বাংলাদেশী চরিত্র নিয়ে গোটা কয়েক স্ক্রিপ্ট লিখে দিয়ে যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এপার বাংলা-ওপার বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধন বলে যে মোয়াটা খাওয়ানো হচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভাগটা কমই পড়ছে। এটা সুস্থ চর্চা না। তাদের আগ্রাসনের মনোভাবটা বড়ই নির্মম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশি নির্মাতাদের প্রতি অনুরোধ, শিল্পের দোহাই দিয়ে অন্য কাউকে প্রমোট করার চেষ্টা করবেনা প্লিজ। আমাদের সংস্কৃতিতে উপাদান কম নেই। ব্লগেই ঘুরে দেখুন না, আপনার পছন্দের স্ক্রিপ্ট পেয়ে যাবেন। যদি পারেন, সমানে সমান হন। ওদের একটা নাটক বানালে আদায় করে নিন আমাদেরও কোনো সাহিত্যিকের একটা উপন্যাস ওদের দেশে নাটক হবে। যে হারে দাদাদের তোষণ করা হচ্ছে তা রীতিমতো দৃষ্টিকটু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;ছবি কৃতজ্ঞতা : বিডিনিউজ২৪.কম&lt;/span&gt;&lt;/i&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-4201744203047286796?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/4201744203047286796/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=4201744203047286796&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4201744203047286796'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4201744203047286796'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/blog-post_28.html' title='কলকাতার উপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে বাংলাদেশে টিভি সিরিয়াল বানানোর তীব্র প্রতিবাদ করছি'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/STAXI144QwI/AAAAAAAAAN4/A8gh3CUO9Cc/s72-c/leed-01-27-11.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-3981553180522475975</id><published>2008-11-22T16:01:00.001Z</published><updated>2008-11-22T17:27:23.673Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিনলিপি'/><title type='text'>নামচা ০২</title><content type='html'>আজকাল ব্লগে কিছু লিখছি না। লিখতে গেলেই ভাবতে বসি কি লিখব? আমি তেমন কোনো লেখকও না। কিছু লিখলে তাই নিজের কথাই চলে আসে। তবে ব্লগপাড়াগুলোতে ঘোরাঘুরি ঠিকই চলছে। প্রথম আলোয় ব্যান, সামহোয়ারে ব্যান হওয়ার পর আবার একাউন্ট খুলেছি কয়েকমাস আগে, কিন্তু এখনো পর্যবেক্ষণে, কমেন্ট করতে পারি না, পোস্ট প্রথম পাতায় আসে না। সচল থেকে বেরিয়ে এসেছি। রইল বাকি আমারব্লগ। আক্ষরিক অর্থেই আমার ব্লগ। আই লাইক ইট ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অস্থিরতায় ভুগি, কিছু করার তাড়নায় তড়পাই। বহুত হিসেব নিকেশ করি। কিন্তু কিছু্ই মেলে না। প্রবাসের গত ৪ বছরে বলার মতো, মনকে প্রবোধ দেয়ার মতো কিছুই করিনি। ধ্যাত্তরি...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পত্রিকায় খবর পাই দেশে ডিজিটাল সিনেমা নিয়ে আন্দোলন চলছে। খুশি হই। বিডিনিউজে ডিজিটাল সিনেমা নিয়ে খুব ভালো একটা ফিচার করেছে। ডিজিটাল সিনেমাকে সরকারিভাবে ফিল্ম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার জন্য অনেকেই আন্দোলন করছে। তাদের প্রতি প্রবাসে বসেই একাত্ম ঘোষণা করছি। তবে ডিজিটাল সিনেমা চলার মতো সিনেমা হল নাই বাংলাদেশে। আরিফ জেবতিক আশা দিয়েছেন তিনি একটি ডিজিটাল সিনেমা হল বানাবেন। ইস এভাবে যদি আরো অনেকেই এগিয়ে আসতেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গত মাসে মোবাইল কন্ট্যাক্ট আপগ্রেড করে নকিয়া এন৯৫-৮জিবি নিলাম। উদ্দেশ্য ছিল টমটম সফটওয়্যার ইন্সটল করে নিব। তাহলে অচেনা জায়গায় যেতে সমস্যা হবে না। এমনিতে আমি মোবাইল সেট নিয়ে অতো খুতখুতে না। একটা ছোটখাট ক্যামেরাওয়ালা সেট হলেই আমার হয়ে যায়। তো নকিয়া কয়েকদিন ইউজ করে হাঁপিয়ে উঠলাম। টমটমও ইন্সটল করাও হয় না। চিন্তা করলাম বেচে দেব। ই-বে তে খোঁজ নিয়ে দেখলাম ইউজড সেটগুলা ২২০ থেকে ৩৮০ পর্যন্ত সেল হচ্ছে। আমি বন্ধুবান্ধবদের বলা শুরু করলাম। আজ সকালে বিক্রি করলাম ২০০ পাউন্ড দিয়ে। সাথে সাথেই একটা টমটম কিনলাম ১২০ টাকা আর কমদামি একটা সনি এরিকসন কিনলাম ৮০ পাউন্ড দিয়ে। মাছের তেলে মাছ ভাজা আরকি...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে নির্বাচনি হাওয়া চলছে। নির্বাচন আসলে আমার ভালোই লাগে। উৎসব ভাব শুরু হয় চারদিকে। আমার এককালে নির্বাচন করার শখ ছিল। এবারের নির্বাচনের ডামাডোলে সেটা আবার শুরু হয়েছে। ইচ্ছে ছিল এমপি ইলেকশন করার। কিন্তু আরিফ জেবতিকের পোস্ট পড়ে মনে হলো চেয়ারম্যান ইলেকশন করাটাই উচিত। শিকড় থেকে শুরু করুক সবাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টাকাপয়সার টানটানিতে সবসময়ই থাকি। ফোকটে বড়লোক হওয়ার জন্য তাই মাসে ১০ পাউন্ড খরচ করব ঠিক করেছি। প্রতি সপ্তাহে তাই লটারি খেলছি। দুইবারে ৪ পাউন্ড করে জিতে গেলাম। কিন্তু জ্যাকপট লাগছে না। মিলিয়ন পাউন্ড জেতা দরকার। তাহলে দুয়েকটা সিনেমা হল আর চেয়ারম্যান ইলেকশন করা যায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-3981553180522475975?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/3981553180522475975/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=3981553180522475975&amp;isPopup=true' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/3981553180522475975'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/3981553180522475975'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/blog-post_22.html' title='নামচা ০২'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-2989985421989903701</id><published>2008-11-13T15:08:00.003Z</published><updated>2009-01-12T16:12:21.684Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিজের কথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চলচ্চিত্র'/><title type='text'>আমি কেন বাংলাদেশেই ফিল্ম বানাতে চাই</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRxXq7CsAFI/AAAAAAAAANw/rQwixOir1hM/s1600-h/tumi-amar.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRxXq7CsAFI/AAAAAAAAANw/rQwixOir1hM/s320/tumi-amar.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;সচলে &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/suman/19712"&gt;সুমন চৌধুরির লেখাটা&lt;/a&gt; পড়লাম। হাজারো ভিড়ের মাঝে আমার প্রডাকশন তার ভালো লেগেছে শুনে ভালো লাগল। থ্যাঙ্কস সুমন চৌধুরী। তবে আক্ষেপ রয়ে যাচ্ছে আরো ভালো প্রডাকশন বানাতে পারছি না বলে। সবাই প্রশ্ন করে যে লন্ডনে মিডিয়ার সঙ্গে আছি অথচ নিয়মিতভাবে নাটক বানাচ্ছি না কেন? আসলে এখানে মনের মতো কাজ করার সুযোগ নাই। প্রথমত রয়েছে আর্টিস্ট প্রবলেম। এখানে সবাই অ্যামেচার। যদিও তাদের শিখিয়ে নিয়ে কাজ করা যায় কিন্তু সবাই কোনো না কোনো প্রফেশনে জড়িত। তাই শিডিউল মেলানো টাফ হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত রয়েছে শুটিং কিংবা ফিল্মিংয়ের সমস্যা। লন্ডনের রাস্তাঘাটে যেনতেনভাবে ক্যামেরা নিয়ে ফিল্মিং করা যায় না। অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে, না থাকলে পুলিশ মামুরা হাজির। কোর্সের এ্যাসাইনমেন্ট বলে আর কতো পার পাওয়া যায়। রয়েছে হ্যান্ডস বা লোকবলের সমস্যা। লাইট, বুম, ট্রাইপড ছাড়াও মনিটর, স্ক্রিণ এসব বহন কিংবা ধরার লোক নাই। তাই শুধুমাত্র ক্যামেরা আর প্রাকৃতিক আলোর উপর নির্ভর করে, লুকোচুরি করে &lt;span style="font-size: small;"&gt;(যে কাজটা হুমায়ুন আহমেদসহ আরো আরো বড় বড় বাংলাদেশি পরিচালকরা দেশের বাইরে গিয়ে করে থাকেন)&lt;/span&gt; ফিল্মিং করাটা আমার ধাতে সয় না। লন্ডনে ফিল্মিং করব অথচ লন্ডন আই, টাওয়ার ব্রিজ এগুলো না দেখালে কিভাবে হবে! ফ্রান্সে গেলে আইফেল টাওয়ারের নিচে কিংবা গ্রিসে গেলে ওই যে খাম্বাগুলো আছে সেগুলার তলায় যদি আমার নায়ক-নায়িকারা একটু প্রেম করার সুযোগ না পায় তাইলে লন্ডন, ফ্রান্স বা গ্রিসে নাটক/সিনেমা বানাব কেন? পার্কে গাছের চিপায়, বাসার সামনের রাস্তায়, হোটেলের লবিতে কিংবা পরিচিতদের রেস্টুরেন্টে ১/২ সিকোয়েন্স থাকতে পারে, পুরো নাটক/সিনেমা নামানো যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশে স্যাটল করে ফিল্ম বানাব শুনলেই সবাই বলে - তবে এখানে নয় কেন? উত্তরে আমি বলি এখানে পারব না। প্রশ্নকর্তার উৎসাহের কমতি নেই, বলেন - লন্ডনে আছেন, মেইনস্ট্রিমে জায়গা নিতে পারবেন না? আমি বলি, জায়গা নিতে পারলেও ফিল্ম বানানো আমার দ্বারা সম্ভব হবে না। আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করে, ক্যান! জায়গা পাইলে ফিল্ম বানাইতে পারবেন না ক্যান? আমি হতাশা ছড়িয়ে বলি, কারণ ম্যানচেস্টারের একটা বখে যাওয়া ছেলে তার মায়ের সঙ্গে ক্যামনে কথা কয় সেইটা আমি জানি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটা ফিল্ম শুধু কিছু ছবির ধারাবাহিকতা রক্ষা করে একটা ঘটনার বয়ান করে যাওয়া নয়। তাতে অনেক অনুসঙ্গ আছে। এদেশে থেকে সেগুলো আমি করতে পারব না। আমি জানি না এখানকার ১২ বছরের মেয়ের জীবনে কোনো ছেলেকে ভালো লাগার প্রথম অনুভূতি কিরকম হয়, আমি জানি না এখানকার একটা কবির ভাবনাগুলো কিরকম। এরকম অনেক কিছুই আমি জানি না। এগুলো জানতে হলে আমাকে প্রচুর সময় প্রচুর মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন স্তরে মিশতে হবে। তাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে একাত্ম হতে হবে। কিন্তু সেই মাইকেল মধুসূদন টাইপের প্রচেষ্টা আমার দ্বারা হবে না। এতে করে জীবনের আরো ২০/২৫টা বছর দিতে হবে। ভুলে যেতে হবে আমি বাঙালি - যা একেবারেই অসম্ভব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টিভিতে দেখা অথবা অল্পবিস্তর এদেশি মানুষের সঙ্গে যা মিশেছি কিংবা পত্রিকায় পড়ে যতোটুকু জানছি সেই অভিজ্ঞতা যথেষ্ট নয় একটি ফিল্ম বানানোর জন্য। আমার শুভাকাঙ্ক্ষিরা আমার ভালোই চায়। আমাকে মনে করিয়ে দেয় ভারতীয় চিত্রপরিচালক মীরা নায়ার, দীপা মেহতা, গুরিন্দারদের কিংবা হালের বাংলাদেশি বংশদ্ভুত পরিচালক সাদিক আহমেদের কথা। তারা দেখতে চায় নেমসেক, ওয়াটার, বেন্ড ইট লাইক বেকহ্যামের মতো ছবিও আমি বানাতে পারি। আমি লজ্জিত হয়ে সবিনয়ে তাদের জানাই যে ওইসব পরিচালকরা হয় খুব ছোটবেলায় দেশ ছেড়ে এসেছেন কিংবা তাদের ছবির পটভূমিগুলো তাদেরই ছেড়ে আসা দেশ নিয়েই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভারতীয় ওইসব ছবিগুলোকে আমি হলিউড, কানাডিয় কিংবা বৃটিশ ফিল্ম কখনোই বলব না। ওইসব ছবির উপাদান তাদের অবস্থান করা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে না। দুয়েকটা হলিউড তারকা নিয়ে বাকি ৯৮% ভারতীয় অভিনেতা/ অভিনত্রিদের নিয়ে নির্মিত ছবিকে যেভাবে হলিউডি কিংবা বৃটিশ ফিল্মের আওতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয় তা নিতান্তই হাস্যকর। বিজ্ঞজনেরা যে যাই বলুক কারিগরি সুবিধার কারণে কোনো ছবি কোনো দেশকে রিপ্রেজেন্ট করে না। আমি ভাবতে ভালোবাসি ছবির উপাদানই ছবির দেশ নির্দেশ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদেশে আমি তাহলে কি ধরণের ছবি বানাতে পারি? উত্তর খুব সোজা। বাংলাদেশি কমিউনিটি নিয়ে। ফোর্স ম্যারেজ, ইনস্টিটিউশনাল রেসিজম, বাংলাদেশিদের এদেশে ঘাঁটি ফেলার সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে ফাঁকে ফুকে দুয়েকটা ছবি বানানো যায়। ফান্ড হাতছাড়া করার কি দরকার ভেবে একটা 'অন্তর্যাত্রা'ও বানিয়ে ফেলা যায় কিন্তু তাতে ক্ষুধা মিটবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবার আসা যাক এদেশের প্রেক্ষাপটে। ধরা গেল যে আমি বৃটিশ ফিল্মের ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ছবি বানানোর ফান্ড পেলাম। ছবির সাবজেক্ট কি হবে? প্রথমেই বলেছি যে আমি এদেশের কালচার এবং কাস্টম জানি না। সেটাও কোনো সমস্যা না। পয়সা খরচ করলে স্ক্রিপ্টরাইটার পাওয়া যায়। আমি একটা স্ক্রিপ্টরাইটার ভাড়া করলাম। শ্যাডো ডিরেক্টর হিসেবে কাউকে রিক্রুট করলাম যে কিনা আমাকে সাহায্য করবে আর্টিস্টদের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলার জন্য। তো সবশেষে আমার কাজ দাড়ালো ফ্রেমে আর্টিস্টের ইন-আউট আর ক্যামেরা কোন কোন জায়গায় বসবে সেটা নির্ধারণ করা। মা-ছেলের কথোপকথন চলছে, ছেলে খুব হাত নাড়িয়ে নাড়িয়ে কথা বলছে। আমি ভাবতে চাইলেও পারব না বলতে ছেলেকে যে তুমি এবার হাত নাড়ানো বন্ধ কর। কি কারণে বলব? যেমনটা আমি বাংলাদেশের কোনো ছেলেকে বলতে পারি - মা কথা বলছে তুমি মাথা নিচু করে শুনে যাও, মাঝে মাঝে ঠোঁট কামড়াইও। এই যে একটা ডিরেক্টরিয়াল ইনপুট এটা আমি হাজারটা শ্যাডো ডিরেক্টর ব্যবহার করেও দিতে পারব না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাংস্কৃতিক বাধাটা থেকেই যাচ্ছে। একজন ডিরেক্টর যে দেশের কালচারটা বেশি বোঝেন তার সেদেশেরই কাহিনি, পটভূমি নিয়ে ছবি বানানো উচিত। ছবির কারিগরি সুবিধার জন্য নানান দেশের সুবিধাগুলো সমন্বয় করা যেতে পারে। কিন্তু ছবিটি যে দর্শকদের আপনি বেশি বোঝেন তাদের স্বাদমতো হওয়া দরকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়াও আমি যে ধারার ছবি বানাতে চাই সেটা বাংলাদেশেই সম্ভব। আহা-উহু, ময়না-টিয়া, স্বপ্নডানা-মনপুরা বানাইয়া আমি পত্রিকায় ইন্টারভিউ আর সোসাইটি সোসাইটি খেলা খেলতারুম না। ছবি বানাতে চাই না ১০/২০ জনের জন্য। আমার ছবিতে গান থাকব, নায়ক নায়িকারা নাচব কিন্তু বাদ্যযন্ত্র কই বাজতাছে কেউ কইতারব না। আমার নায়কের চুলের স্টাইল আর প্যান্টের সেলাই নকল হইব। নায়িকাগো কামিজের মাপে থানকাপড় বিক্রি হইব। রিক্সাওয়ালা ছবি দেইখা হল থিকা বারাইয়া কইব, নায়কিটা কি যে নাচন দিছে আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলামাইয়ারা কইব, what a nice movie. i really enjoyed it. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি ছাড়া আমার আর কোনো ছবি নাচ-গান ছাড়া হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইসব স্বপ্ন বাংলাদেশেই পূরণ হওয়া সম্ভব। কতোদূর সফল হব বলতে পারছি না। তবে স্বপ্ন দেখতে দোষ নাই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-2989985421989903701?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/2989985421989903701/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=2989985421989903701&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2989985421989903701'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/2989985421989903701'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/blog-post_13.html' title='আমি কেন বাংলাদেশেই ফিল্ম বানাতে চাই'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRxXq7CsAFI/AAAAAAAAANw/rQwixOir1hM/s72-c/tumi-amar.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-6820794084251261860</id><published>2008-11-12T16:13:00.004Z</published><updated>2008-11-16T16:57:27.438Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জরিপের গল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অনুবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেক্স'/><title type='text'>Britain &amp; Sex 2008 - Homosexuality and Safe Sex</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRsFXOWwF5I/AAAAAAAAANo/1erZkVq6MI8/s1600-h/safe_sexualhealth.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRsFXOWwF5I/AAAAAAAAANo/1erZkVq6MI8/s200/safe_sexualhealth.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Great_britain"&gt;বৃটেনের&lt;/a&gt; পত্রিকা &lt;a href="http://observer.guardian.co.uk/"&gt;The Observer&lt;/a&gt; একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে &lt;b style="color: red;"&gt;SEX UNCOVERED&lt;/b&gt; নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ হলো শেষ পর্ব&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;HOMOSEXUALITY and SAFE SEX&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: black; text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনি কখনো সমকামিতায় লিপ্ত হয়েছেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১৩% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮৭% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;৬% বৃটেনবাসী স্বীকার করেছেন তারা সমকামী কিংবা উভকামী। ১৬% নারী সেক্স করেছেন অন্য নারীর সঙ্গে যেখানে ১০% পুরুষ অন্য পুরুষদের সঙ্গে সেক্স করেছেন। ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ২০% সমকামিতায় লিপ্ত হয়েছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনি কি সমকামিদের বিয়ে সমর্থন করেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৫৫% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪৫% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;সমকামি জুটিদের সন্তান দত্তক নেয়া সমর্থন করেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৪৪% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৫৬% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বর্তমানে প্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক হবার বছর (১৬ বছর)&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;থেকেই সমকামিদের সেক্স সমর্থন করেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৬০% বলছেন ১৬ বছর থেকেই হতে পারে&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪০% বলেছেন আরো বেশি বয়স থেকে হওয়া উচিত&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;গে-সেক্সকে আইনের ভিত্তি দেয়া সমর্থন করেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;২৪% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৭৬% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;২০০৫ সাল থেকে সমকামিদের বিয়ে বৃটেনে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ৪৫% জনগণ এখনো বিশ্বাস করেন যে ‘গে’ বিয়ে আইনের সমর্থন পাওয়া উচিত না। ২০০২ সালে এ সংক্রান্ত একটি জরিপে ৫০% বৃটেনবাসী ‘গে-বিয়ে’ সমর্থনে ‘না’ সূচক মন্তব্য করলেও বৃটেন সরকার সিভিল পার্টনারশিপ এ্যাক্ট-এ গে-বিয়ে সমর্থন করে শুধুমাত্র ৫% জনগণের সমর্থন নিয়ে। পুরুষদের ৫৫% এবং নারীদের ৩৬% এ জরিপে সমকামিদের বিরোধিতা করেছেন। দেখা গেছে ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ৩৭% সহ বেশি বয়সী বৃটেনবাসীদের বেশিরভাগই সমকামিদের বিরুদ্ধে। তবে সব হিসেব মিলিয়ে পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে যে প্রতি ৪ জনের মধ্যে ১ জন (২৪%) বৃটেনবাসী সমকামিদের আইনগত ভিত্তি দেয়ার পক্ষে রয়েছেন। এ সমর্থনের পাল্লা গত ২০০২ সালের চেয়ে ১% বৃদ্ধি পেয়েছে। সমকামিদের সম্পর্কে উপরের সবগুলো প্রশ্নের আলোকে দেখা গেছে যে নারীদের চেয়ে বেশিসংখ্যক পুরুষরা সমকামীদের অসমর্থন জানিয়েছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: red;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;SAFE SEX&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সাধারণত কোন ধরণের গর্ভনিরোধক পদ্ধতি আপনি ব্যবহার করেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;কনডম = ৩১%&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পিল = ২৪%&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কয়েল = ৫%&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্প্যারমিসাইড = ১%&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অন্যান্য = ২০%&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনি কি যৌনবাহিত রোগে ভুগেছেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১২% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮৮% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;বৃটেনবাসীর ২৪% গর্ভনিরোধকের বিষয়টি তাদের সেক্স পার্টনারের সিন্ধান্তের উপর ছেড়ে দেন। অন্যদিকে পুরুষদের ১৩% এবং নারীদের ১০% যৌনরোগে ভুগেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে আশঙ্কার কথা এই যে গত ২০০২ সালের পর থেকে যৌনরোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩% এবং এই বৃদ্ধির হার পুরুষের চেয়ে নারীদের মধ্যেই বেশি। ২৫-৩৪ বছর বয়সীদের ১৯% যৌনরোগে ভুগেছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;&lt;i&gt;&lt;br /&gt;&lt;/i&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনি কখনো HIV টেস্ট করেছেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১৯% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮৮% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;HIV টেস্ট করেছেন এমন বৃটেনবাসীর সংখ্যা গত ২০০২ সালে ছিল ১৩%, বর্তমানে ২০০৮ সালে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯% এবং এই বৃদ্ধির হার নারীদের মধ্যেই বেশি। শুধু তাই নয়, গত ৬ বছরে নারীদের HIV টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২ গুণ। ২৫-৩৪ বছর বয়সীদের ৩২% HIV টেস্ট করেছেন।&lt;/i&gt;&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;যৌনরোগ সম্পর্কে আপনি কতোটুকু ভীত?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১৪% = খুবই ভয় পান&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২১% = মোটামুটি ভয় পান&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২৪% = তেমন ভয় পান না&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪১% = একদমই পাত্তা দেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;উপস! যৌনরোগ বৃদ্ধির এই সময়ে যৌনরোগ সম্পর্কে ভীত হচ্ছেন এমন বৃটেনবাসীর সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। গত ২০০২ সালে যৌনরোগ সম্পর্কে সচেতন কিংবা ভীত হওযা ৫২% জনগণ কমে গিয়ে২০০৮ সালে হয়েছে ৩৫%। তরুণ প্রজন্মের মাঝেও একই চিত্র দেখা গেছে। ২০০২ সালে ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ৬৯% বলেছিলেন যে তারা যৌনরোগ সম্পর্কে বেশি কিংবা মোটামুটি ভীত, ২০০৮ সালে সেই একই বয়সীদের মাত্র ৫৩% বলছেন যে তারা যৌনরোগ সম্পর্কে বেশি কিংবা মোটামুটি ভীত।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;HIV এবং AIDS এর প্রকোপ/ বিস্তার সম্পর্কে আপনার ভাবনা &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৪% বলেছেন = সমকামি এবং মাদকাসক্তরাই HIV রোগে ভুগতে পারেন&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১০% বলেছেন = অতীতে HIV এর প্রকোপ থাকলেও বর্তমানে তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮৬% বলেছেন = আগে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন না করলে HIV প্রত্যেকের মাঝেই বিস্তার পেতে পারে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;৮১% বৃটেনবাসী মনে করেন সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ডিজিস বা যৌনরোগ বৃদ্ধি হওয়ায় সরকারের উচিত তা রোধকল্পে আরো বেশি অর্থের যোগান দেয়া। বেশিরভাগ জনগণ যদিও মনে করছেন HIV কিংবা AIDS প্রতিরোধে আগে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত কিন্তু ২৯% বৃটেনবাসী এখনো 'নিরাপদ সেক্স' করছেন না তাদের নতুন পার্টনারদের সঙ্গে। প্রতি ৫ জনের ১ জন বৃটেনবাসী এ ব্যাপারে তাদের পার্টনারের উপর নির্ভর করে। ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে আগে যৌনরোগ ভুগেছেন এমন বৃটেনবাসীর ২৪% এখনো নিরাপদ সেক্স করছেন না এবং ১৬% এখনো তাদের পার্টনারের উপর বিশ্বাস করছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;তবে সবচেয়ে মজার তথ্য হলো, ২০০২ সালে 'অনিরাপদ সেক্স' করেছেন এমন পুরুষদের সংখ্যা ছিল 'অনিরাপদ সেক্স' করেছেন এমন নারীদের দ্বিগুণ যেটা এই ২০০৮ সালে এসে নারী ও পুরুষের সংখ্যা সান হয়ে গেছে। অর্থাৎ নারীরা আগের চেয়ে 'অনিরাপদ সেক্স' বাড়িয়ে দিয়েছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;br /&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;br /&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;* * * *&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;১০৪৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক (১৬ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সী) বৃটেনবাসীর উপর গত সেপ্টেম্বরে এ জরিপ পরিচালনা করে ICM Research.&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;* * * *&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;প্রথম পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-quantity-and-quality.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Quantity and Quality &lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;দ্বিতীয় পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-manhood-and-monogamy.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Manhood and Monogamy&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;তৃতীয় পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-home-and-away_09.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Home and Away&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-6820794084251261860?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/6820794084251261860/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=6820794084251261860&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6820794084251261860'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/6820794084251261860'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-homosexuality-and-safe_12.html' title='&lt;b&gt;Britain &amp; Sex 2008 - Homosexuality and Safe Sex&lt;/b&gt;'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRsFXOWwF5I/AAAAAAAAANo/1erZkVq6MI8/s72-c/safe_sexualhealth.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-4591010530994699930</id><published>2008-11-09T20:20:00.002Z</published><updated>2008-11-09T20:28:02.384Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জরিপের গল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অনুবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেক্স'/><title type='text'>Britain &amp; Sex 2008 - Home and Away</title><content type='html'>&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRdHvgK4QuI/AAAAAAAAANA/AW6pmQZz5TI/s1600-h/003.jpg" imageanchor="1" style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRdHvgK4QuI/AAAAAAAAANA/AW6pmQZz5TI/s400/003.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Great_britain"&gt;বৃটেনের&lt;/a&gt; পত্রিকা &lt;a href="http://observer.guardian.co.uk/"&gt;The Observer&lt;/a&gt; একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে &lt;b style="color: red;"&gt;SEX UNCOVERED&lt;/b&gt; নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ হলো তৃতীয় পর্ব – &lt;b&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;HOME AND AWAY&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;যৌনমিলন ছাড়া বিবাহ কিংবা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কোনো প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৪৮% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৫২% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;দেখা যাচ্ছে প্রায় অর্ধেক বৃটেনবাসী সেক্সকে তাদের বিবাহ কিংবা প্রেম টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভাবছেন না। ৬৫ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সীদের ৭৩% এবং ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ৩৬% ঠিক একই মত পোষণ করেন। শুধুমাত্র বিবাহিতদের (নারী-পুরুষ) ৫২% সম্পর্ক রক্ষায় সেক্সের প্রয়োজন অনুভব করেন না। পুরুষদের মধ্যে ৪২% এবং নারীদের মধ্যে ৫৩% সেক্স গৌণ ভাবেন সম্পর্ক রক্ষার বিষয়ে।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কেউ কি বিপরীত লিঙ্গের?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৭৩% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২৭% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;মোটামুটি প্রতি ৪ জন বৃটেনবাসী ৩ জনেরই বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু রয়েছে। এর মধ্যে ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ৮৫% এর প্রত্যেকেরই বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু রয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনার বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুর প্রতি&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;যৌনতাড়ণা বোধ করেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;যে ৭৩% বৃটেনবাসীর বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু রয়েছে বলেছেন তাদের ৪২% স্বীকার করেছেন যে সেই বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুর প্রতি তারা যৌনতাড়না বোধ করেন। ৪৮% পুরুষ তাদের নারী বন্ধুর প্রতি এবং ৩৮% নারী তাদের পুরুষ বন্ধুর প্রতি যৌনতাড়না অনুভব করেন। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি এই যে সেক্স ফিলিংস এটা যারা কর্মজীবী তাদের ক্ষেত্রেই বেশি ঘটছে তুলনামুলকভাবে যারা কর্মজীবী নয় তাদের চেয়ে।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনার কোনো কলিগের সঙ্গে সেক্স করেছেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;২৬% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৭৪% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;অর্থাৎ প্রতি ৪ জন বৃটেনবাসীর মধ্যে ১ জন তাদের কলিগের সঙ্গে সেক্স করেছেন। তবে যারা ফুলটাইম কাজ করছেন তাদের প্রতি ৩ জনে মধ্যে ১ জন কলিগের সঙ্গে সেক্স করেন। ফুলটাইম কাজ যারা করেন তাদের ২১% কর্মক্ষেত্রেই কলিগের সঙ্গে এই সেক্সের কাজটি সারেন। এদের মধ্যে পুরুষদের সংখ্যা ২৯% যেখানে নারীদের সংখ্যা ২৩%। তবে পুরুষদের মধ্যে কেউ কেউ কর্মক্ষেত্রে একাধিকবার তাদের কলিগদের সঙ্গে সেক্স করেছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;কর্মক্ষেত্রে উন্নতির জন্য আপনি কারো সঙ্গে সেক্স করেছেন?&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১৭% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮৩% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;দেখা যাচ্ছে ১৭% নিশ্চিত করেই বলেছেন চাকুরিক্ষেত্রে উন্নতির জন্য সেক্স করতে হলে তারা কোনো কুণ্ঠাবোধ করবেন না। তবে এখনো সেক্স না করলেও ৩১% বৃটেনবাসী কর্মক্ষেত্রে উন্নতির জন্য সেক্স করার কথা ভাবতে পারেন বলে জানিয়েছেন। ফুলটাইম কাজ করছেন এমন ২২% বৃটেনবাসীও ক্যারিয়ারের জন্য সেক্স করতে অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে নারীদের সংখ্যা (১০%) পুরুষদের (২৫%) চেয়ে কম। ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ২৯% ‘সেক্স ফর ক্যারিয়ার’ তত্ত্বকে ক্ষতিকর ভাবেন না। এখন পর্যন্ত যারা কলিগদের সঙ্গে যে কারণেই সেক্স করেছেন তাদের ৩৫% বলেছেন ক্যারিয়ারের স্বার্থে পুনরায় কলিগদের সঙ্গে সেক্স করতে কোনো সমস্যা নেই।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনি কি কখনো প্রসটিটিউটের কাছে গিয়েছেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৯% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৯১% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;বৃটিশ পুরুষদের ১৮% প্রসটিটিউটের কাছে গিয়েছেন বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংখ্যা গত ২০০২ সালের তুলনায় ৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নারীদের ক্ষেত্রে ১% এরও কম পুরুষ প্রস্টিটিটিউটের কাছে গিয়েছেন। ৩৫-৫৪ বছর বয়সী পুরুষদের ২৬% এবং বিবাহিত পুরুষদের ১৪% প্রসটিটিউট ভিজিট করেছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;অর্থের বিনিময়ে সেক্স করবেন কি?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৬% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৯৪% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;যে ৯% প্রসটিটিউটের কাছে গিয়েছেন &lt;span style="font-size: small;"&gt;(অর্থের বিনিময়ে হোক বা না হোক)&lt;/span&gt; তাদের মধ্যে ৬% জানিয়েছেন যে তারা অর্থের বিনিময়ে সেক্স করার কথা ভাবতে পারেন। সবচেয়ে মজার তথ্য হলো ১% এরও কমসংখ্যক নারী প্রসটিটিউটের কাছে গিয়েছেন বললেও অর্থের বিনিময়ে সেক্স করার জন্য ভবিষ্যতে প্রসটিটিউটের কাছে যেতে পারেন বলে ভাবছেন বর্তমানে ২% নারী। এদিকে ২৭% বৃটিশ পুরুষ হয় প্রস্টিটিউটের কাছে গিয়েছিলেন অথবা ভবিষ্যতে যেতে পারেন বলে জরিপে মতামত রেখেছেন।&amp;nbsp;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আশাতীত পরিমাণ অর্থের প্রস্তাব পেলে&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আপনি কারো সঙ্গে সেক্স করবেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;অবশ্যই করবেন বলেছেন ১৮%&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভেবে দেখবেন বলেছেন ১৩%&lt;/li&gt;&lt;li&gt;না বলেছেন ৬৯%&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;প্রতি ৩ জন বৃটেনবাসীর মধ্যে ১ জন প্রচুর পরিমাণ অর্থের বিনিময় হয় ‘অবশ্যই সেক্স করবেন’ কিংবা ‘ভেবে দেখবেন’ বলে মন্তব্য করেছেন। এক্ষেত্রে পুরুষদের সংখ্যা ৪১% এবং নারীদের সংখ্যা ২১%। প্রসটিটিউশনকে আইনগত ভিত্তি দেবার পক্ষে বৃটেনবাসীর মতামত গত ২০০২ সাল থেকে এ পর্যন্ত কমে গেলেও এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ বৃটেনবাসী প্রসটিটিউশনকে আইনগত ভিত্তি দেয়ার কথা বলেছেন। যদিও খুব কমসংখ্যক বৃটেনবাসী প্রসটিটিউটের কাছে যাচ্ছেন বা ভবিষ্যতে যেতে পারেন বলে মনে করেন। আইনগত ভিত্তি দেয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন ৬১% আর বিপক্ষে ৫১%। আর মোটা নারীদের ৫৭% এর বিরোধিতা করেছেন। অন্যদিকে ১৬-২৪ বছর বয়সীদের (নারী-পুরুষ) ৬৯% প্রসটিটিউশনের আইনগত ভিত্তির বিরোধিতা করছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;* * * *&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;১০৪৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক (১৬ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সী) বৃটেনবাসীর উপর গত সেপ্টেম্বরে এ জরিপ পরিচালনা করে ICM Research.&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;* * * *&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;প্রথম পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-quantity-and-quality.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Quantity and Quality &lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;দ্বিতীয় পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-manhood-and-monogamy.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Manhood and Monogamy&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-4591010530994699930?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/4591010530994699930/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=4591010530994699930&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4591010530994699930'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/4591010530994699930'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-home-and-away_09.html' title='&lt;b&gt;Britain &amp; Sex 2008 - Home and Away&lt;/b&gt;'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRdHvgK4QuI/AAAAAAAAANA/AW6pmQZz5TI/s72-c/003.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-5234559848277620411</id><published>2008-11-07T16:56:00.012Z</published><updated>2008-11-09T20:17:40.803Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জরিপের গল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অনুবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেক্স'/><title type='text'>Britain &amp; Sex 2008 - Manhood and Monogamy</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRR97XEdTxI/AAAAAAAAAM4/NsfltFV4adE/s1600-h/002.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRR97XEdTxI/AAAAAAAAAM4/NsfltFV4adE/s400/002.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Great_britain"&gt;বৃটেনের&lt;/a&gt; পত্রিকা &lt;a href="http://observer.guardian.co.uk/"&gt;The Observer&lt;/a&gt; একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে &lt;b style="color: red;"&gt;SEX UNCOVERED&lt;/b&gt; নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ হলো দ্বিতীয় পর্ব – &lt;b&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;MANHOOD AND MONOGAMY&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বৃটিশ পুরুষরা তাদের ‘সাইজ’ নিয়ে কতোটুকু সন্তুষ্ট&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৮৬% বলেছেন সন্তুষ্ট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১৪% বলেছেন অসন্তুষ্ট&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;দেখা যাচ্ছে যে বেশিরভাগ পুরুষই তাদের ‘সাইজ’ নিয়ে সন্তুষ্ট যদিও তরুণ প্রজন্মের ১৮% ‘সাইজে’ তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জরিপে প্রকাশ পেয়েছে।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বৃটিশ জনগণ ‘সেক্স এইড’ হিসেবে ‘সেক্স টয়’&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ব্যবহার করেন কিনা এ প্রশ্নে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৪৫% বলেছেন ব্যবহার করেন&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৫৫% বলেছেন ব্যবহার করেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;নারী-পুরুষ লিঙ্গ নির্বিশেষে ‘সেক্স টয়’ ব্যবহারের এ বিষয়ে, পরিসংখ্যানে জানানো হয় যে ২৫-৩৪ বছর বয়সীদের ৬৭% টয় ব্যবহারে সিদ্ধ যেখানে ৬৫ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সীদের মাত্র ১১% ‘সেক্স টয়’ নিয়ে খেলা করেন &lt;span style="font-size: small;"&gt;(আজিব বাত, ৬৫+ বয়সীদের সবারই তো এখন একা একা খেলাধুলা করার বয়স! কি জানি পোষা প্রাণী, যেমন কুকুরকে বোধহয় সেক্স টয়ের ক্যাটাগরীতে ফেলা হয় না)। &lt;/span&gt;যাই হোক, ইংল্যান্ডের &lt;a href="http://www.tht.org.uk/i/ServiceRegions/services_map_NorthEngland.gif"&gt;নর্থ অঞ্চলের&lt;/a&gt; &lt;span style="font-size: small;"&gt;(ম্যানচেস্টার, ডারহাম, কামব্রিয়া, ইয়র্কশায়ার, ল্যাঙ্কাশায়ার, লিঙ্কনশায়ার ইত্যাদি)&lt;/span&gt; অর্ধেকেরও বেশি জনগণ (৫৫%) ‘সেক্স টয়’ বিষয়ে অজ্ঞান।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বৃটিশ জনগণ তাদের পার্টনারের সাথে কখনো ‘আনফেইথফুল’ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১৮% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮২% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;যে ১৮% ‘আনফেইথফুল’ হয়েছেন তাদের মধ্যে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১০% নিয়মিতভাবে&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৩২% মাঝে মাঝে&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২৯% হঠাৎ করেই&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২৯% মাত্র একবার আনফেইথফুল হয়েছেন&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;যারা তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীর সঙ্গে এ মুহূর্তে স্থিতিপূর্ণ সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জন তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীর প্রতি আনফেইথফুল হয়েছেন। পুরুষদের ২২% এবং নারীদের ১৩% তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীর প্রতি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। নর্থ ইংল্যান্ডের &lt;a href="http://amarblog.com/rashed"&gt;(রাশেদের জায়গা)&lt;/a&gt; জনগণের ২৮% তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। একগামিতায় বিশ্বাসীদের ১২% তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীকে প্রতারিত করেছেন। &lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;যে ১২% জনগণ&amp;nbsp; তাদের পার্টনারের সঙ্গে ‘আনফেইথফুল’ হয়ে যার সঙ্গে সেক্স করেছেন তিনি কি পার্টনারের বন্ধুস্থানীয় অথবা পরিচিত কেউ? &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৫৬% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪৪% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;দেখা যাচ্ছে যে অর্ধেকেরও বেশি জনগণ তাদের পার্টনারের বন্ধুস্থানীয় অথবা পরিচিত কারো সঙ্গে সেক্স করে তাদের পার্টনারকে চিট করেছেন। এক্ষেত্রে আবারও নর্থ ইংল্যান্ডের উদাহরণ টানতে হচ্ছে &lt;span style="font-size: small;"&gt;(রাশেদ-সাধু সাবধান)&lt;/span&gt;। এ অঞ্চলের জনগণ তাদের পার্টনারের পরিচিত কিংবা বন্ধুস্থানীয় কারো সঙ্গে সেক্স করে নিজ নিজ পার্টনারকে ‘চিট’ করতে বেশি পছন্দ করছেন।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আপনার পার্টনার আপনার প্রতি ‘আনফেইথফুল’ হয়েছেন কিংবা আপনাকে ‘চিট’ করেছেন বলে আপনি কি জানেন?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১২% বলেছেন তারা জানেন&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮৮% বলেছেন তারা জানেন না আদৌ পার্টনার কর্তৃক চিট হয়েছেন কিনা&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বৃটিশ জনগণের ‘ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড’ পরিসংখ্যানটি এরকম&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৪৯% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৫১% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;পাবে, পার্টিতে, রাস্তায় যে কোনো ভাবে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হওয়া এবং সেই সাময়িক পরিচয়ের সূত্রে তার সঙ্গে সেক্স ঘটে যাওয়া এবং পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে আর কোনোভাবেই যোগাযোগ না থাকার বিষয়টিকেই ‘ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড’ আখ্যা দেয়া হয়। সাধারণত ফ্রাইডে ও স্যাটারডে নাইট কিংবা হলিডেতে এ ধরণের ঘটনাগুলো বেশি ঘটে থাকে। পরিসংখ্যানে জানানো হয়, এই ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডের ঘটনায় তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীর নাম মনে করতে পারেন না ২১% জনগণ এবং নাম মনে করতে পারেন ৭৯% জনগণ। ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডের ঘটনায় পুরুষদের সংখ্যা ৫৭% এবং নারীদের সংখ্যা ৪২%। ২৫-৪৪ বছর বয়সীদের ৬৪% এবং ৬৫ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সীদের ২৪% ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড করেছেন। স্কটল্যান্ডের অর্ধেকেরও বেশি ৫৮% জনগণ ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড ভালোবাসেন। পরিসংখ্যানে পরিষ্কার করা হয়েছে যে এই ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডের ঘটনায় প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জন তাদের সঙ্গী/সঙ্গীনীর নাম মনে করতে পারেন না। আর ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের নাম জিজ্ঞাসা করে অহেতুক ঝামেলার সৃষ্টি করে বলে জরিপে বলা হয়েছে।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;একগামীতা কি প্রাকৃতিক – প্রশ্নে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৭০% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৩০% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;একগামীতা কি আপনার কাঙ্ক্ষিত?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৭৯% বলেছেন হ্যা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২১% বলেছেন না&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;i&gt;বেশিরভাগ বৃটেনবাসী মনে করেন একগামিতা প্রাকৃতিক এবং এটাই তারা কাম্য করেন। নারীদের মধ্যে ৭৫% একে প্রাকৃতিক/ স্বাভাবিক এবং ৮৬% এটাই বাস্তবতা/ কাম্য/ আকাঙ্ক্ষিত মনে করেন। এক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্ম একটু উদার চিন্তা করছে। যেখানে ৬৫ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সী বৃটেনবাসীর ৮৯% একগামীকেই ন্যাচারাল ভাবছেন সেখানে ১৬-২৪ বছর বয়সী বৃটেনবাসীর ৬৪% একগামীকে ন্যাচারাল ভাবছে। অর্থাৎ তরুণ প্রজন্মের (১৬-২৪ বছর) বাকি ৩৬% শুধুমাত্র একগামীকেই ন্যাচারাল/প্রাকৃতিক/ কাম্য/ আকাঙ্ক্ষিত/ বাস্তবতা ভাবছেন না।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন উপাদানকে&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;বেশি গুরুত্ব দেন বৃটেনবাসী&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৫৯% = বিশ্বাস&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১৪% = যোগাযোগ&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১১% = যৌনতা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৭% = হাস্যরস, উচ্ছ্বলতা&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৫% = অর্থ&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪% = সাম্যতা&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;* * * *&lt;br /&gt;১০৪৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক (১৬ কিংবা তদুর্ধ্ব বয়সী) বৃটেনবাসীর উপর গত সেপ্টেম্বরে এ জরিপ পরিচালনা করে&amp;nbsp; ICM Research.&lt;br /&gt;* * * *&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;প্রথম পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-quantity-and-quality.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Quality and Quantity&lt;/a&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;তৃতীয় পর্ব : &lt;a href="http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-home-and-away.html"&gt;Britain &amp;amp; Sex 2008 - Home and Away&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3794658015974004107-5234559848277620411?l=aloukikhasan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/feeds/5234559848277620411/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3794658015974004107&amp;postID=5234559848277620411&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/5234559848277620411'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3794658015974004107/posts/default/5234559848277620411'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aloukikhasan.blogspot.com/2008/11/britain-sex-2008-manhood-and-monogamy.html' title='&lt;b&gt;Britain &amp; Sex 2008 - Manhood and Monogamy&lt;/b&gt;'/><author><name>অলৌকিক হাসান</name><uri>http://www.blogger.com/profile/16939855662391355915</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='31' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SKgGZ-l0s9I/AAAAAAAAAFM/q3pw-bW6BBA/S220/Aloukik.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRR97XEdTxI/AAAAAAAAAM4/NsfltFV4adE/s72-c/002.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3794658015974004107.post-2851474368511333580</id><published>2008-11-06T18:40:00.017Z</published><updated>2008-11-09T20:18:32.779Z</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জরিপের গল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অনুবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেক্স'/><title type='text'>Britain &amp; Sex 2008 - Quantity and Quality</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRNZttQmTVI/AAAAAAAAAMw/sJCoJNlxESA/s1600-h/001.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_jESgQGLgCCo/SRNZttQmTVI/AAAAAAAAAMw/sJCoJNlxESA/s400/001.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Great_Britain"&gt;বৃটেনের&lt;/a&gt; পত্রিকা &lt;a href="http://observer.guardian.co.uk/"&gt;The Observer&lt;/a&gt; একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে &lt;b style="color: red;"&gt;SEX UNCOVERED&lt;/b&gt; নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ হলো প্রথম পর্ব – &lt;b style="color: red;"&gt;QUANTITY AND QUALITY&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বৃটিশ জনগণের মোট&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৯২% বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪% সমকামী&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২% উভকামী&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২% নিশ্চিত নন&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;বৃটেনের এক তৃতীয়াংশ জনগণ প্রাপ্তবয়স্ক (১৬ বছর) হওয়ার আগেই তাদের ‘কৌমার্য্য বিসর্জন’ বা ‘ভার্জিনিটি লুজ’ করেন। এর মধ্যে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;৪১% এর বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছর &lt;span style="font-size: small;"&gt;(বাংলাদেশ বিবেচনায় এসএসসি থেকে ডিগ্রি পড়ুয়া)&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২৫% এর বয়স ১৪ থেকে ১৫ বছর &lt;span style="font-size: small;"&gt;(নবম শ্রেণী থেকে এসএসসি পড়ুয়া)&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;১২% এর বয়স ১৯ থেকে ২০ বছর &lt;span style="font-size: small;"&gt;(কলেজ লেভেল)&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৮% এর বয়স ২১ কিংবা তদুর্ধ্ব &lt;span style="font-size: small;"&gt;(কলেজ কিংবা ইউনিভার্সিটি
