সুশান্ত দাস গুপ্তের সঙ্গে পরিচয় সচলে থাকার সময়। তার ছাত্রজীবনের ক্যাডার লাইফ সংক্রান্ত একটি পোস্টে আমার তীর্যক মন্তব্যের সূত্র ধরে পরিচয়। পরবর্তীতে সামুতে ছাগু তাড়ানোর আন্দোলনে সহযাত্রি হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। লণ্ডনে থাকার সুবাদে সে পরিচয় দেখাসাক্ষাতে নতুন রূপ নেয়। তবে অনেকবার তার বাসায় খাওয়ার নিমন্ত্রণ পেলেও ব্যস্ততার কারণে যেতে পারিনি। বৌদির সঙ্গে পরিচয় হয়নি, তার কন্যাদের আদরও করা হয়নি। থাকেনও আমার আবাসস্থল থেকে বেশ দূরে।
Showing posts with label নষ্টালজিয়া. Show all posts
Showing posts with label নষ্টালজিয়া. Show all posts
Sunday, 20 December 2009
Thursday, 17 September 2009
সের দরে বেচা হয়েছিল …
ব্লগে আগে কোথাও বলেছি কিনা মনে করতে পারছি না। একটা মজার ঘটনা ঘটেছিল আমার জীবনে, আজকে সেটাই বলছি ...
আমাদের বাসায় ২/৪ মাস পরপর পুরোনো পেপার বিক্রি করা হতো। বাসার নির্দিষ্ট একটা জায়গায় স্তুপ করে রাখা হতো পেপারগুলো। এছাড়াও আমার পড়ার টেবিলের চিপায়, সোফার কোনায় পুরোনো পেপার পড়ে থাকত। যেদিন পেপার বেচা হতো কাজের মেয়ে বাসার সবস্থান হতে সেগুলো সংগ্রহ করত।
আমাদের বাসায় ২/৪ মাস পরপর পুরোনো পেপার বিক্রি করা হতো। বাসার নির্দিষ্ট একটা জায়গায় স্তুপ করে রাখা হতো পেপারগুলো। এছাড়াও আমার পড়ার টেবিলের চিপায়, সোফার কোনায় পুরোনো পেপার পড়ে থাকত। যেদিন পেপার বেচা হতো কাজের মেয়ে বাসার সবস্থান হতে সেগুলো সংগ্রহ করত।
Monday, 9 February 2009
বাবা মায়ের ভৎর্সনা
ছোটবেলায় পড়াশোনা না করার জন্য বাবার চেয়ে মা-র হাতে বেশি মার খেয়েছি। ছোটখাট চড়থাপ্পড়, কানমলা, চুলটানা এগুলো অতি সাধারণ মারপিট ছিল। একটু বড় গোছের মার দিতে ব্যবহার করা হতো বিছানার ঝাড়ু, ডাল ঘুটনি, স্কেল, র্যাকট, হ্যাঙ্গার, নিজের হাতে মেলা থেকে কেনা কাঠের তলোয়ার।
Thursday, 24 January 2008
হারিয়ে যাওয়া দৃশ্যাবলী, হাতড়ে বেড়াই, ছুঁতে পারি না, ফিরে আসে না ...
০১। পাঠ্যবইয়ের তলায় লুকিয়ে গল্পের বই পড়া
০২। নতুন ফ্রিজ কেনার পর দুধ-চিনি দিয়ে মিশিয়ে আইসক্রীম বানানোর বিরামহীন চেষ্টা
০৩। প্রচন্ড গরমের দুপুরে ফ্যান ফুলস্পিডে চালিয়ে ঠান্ডা ফ্লোরে গাল ঠেকিয়ে শুয়ে থাকা
০৪। ভাড়ায় ব্রেকহীন সাইকেল চালিয়ে পাড়া ছেড়ে বহুদূর চলে যাওয়া
০৫। দুপুরের ঘুমের পর জেগে উঠে সন্ধ্যা হয়ে গেছে দেখে এবং তাই খেলতে যেতে না পারায় নিজের উপর তীব্র রাগ
০৬। লাটিমের 'আল' লাগানোর ভালো কামারখানা খুঁজতে ভিন্ন ভিন্ন বাজার, পাড়া চষে বেড়ানো
০৭। লাল-নীল হরেক রঙের ঘুড়ি, নাটাই, মাঞ্জা
০৮। মসজিদে জুম্মার নামাজে বন্ধুদের সঙ্গে দুষ্টুমি
০৯। পুরানো খাতাবই দিয়ে কটকটি খাওয়া
১০। মা-র মার খেয়ে খাটের তলায় লুকিয়ে যাওয়া
১১। ঈদের জামাকাপড় মাথার কাছে নিয়ে চানরাতে ঘুমোতে যাওয়া
১২। মুভি অফ দ্য উইকে কিসসিন টাইপের কিছু দেখে পরদিন স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা
১৩। প্রথম চটিবই পড়া/ নীলছবি দেখার পর অবিশ্বাস এবং উত্তেজনা
১৪। বায়োনিক ওম্যান, সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান, ম্যান ফর আটলান্টিক, টারজান, ইনক্রিডিবল হাল্ক, দ্য ফল গাই, দি এ টিম, নাইট রাইডার, থান্ডার ক্যাটস, ম্যানিমেল, স্ট্রিটহক, ম্যাকগাইভার, ড়্যাভেন
১৫। ঘুমিয়ে গেলে ঘুমের ঘোরে মা-র খাইয়ে দেয়া
১৬। জ্বর হলে মা-র বার বার জানতে চাওয়া - কিছু খেতে ইচ্ছে করে বাবা?
১৭। সেইসব বায়নাগুলো - স্ট্যাম্প, ঠাকুরমার ঝুলি, খেলনা, ফুলগাছ, ছোটবোন চাওয়া
১৮। ভালো ছেলে বানানোর সে কি প্রাণান্তকর চেষ্টা বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনদের
১৯। পড়ার বইয়ের দিকে তাকিয়ে ভালো লাগা মেয়েটির কথা চিন্তা করা
২০। আজব আজব সব স্বপ্ন দেখা, একটাও সত্যি হলো না ..
২১। মার্বেল খেলা, ঢাই আর চুইয়া, ম্যাচ বাক্স ও সিগারেটের তাস, নাক্কিমুট খেলা, লিচুর বিচি
২২। খেলতে গিয়ে স্যান্ডেল হারিয়ে ফেলা
২৩। ভুতের ভয়, পরীক্ষার আগে ডিম না খাওয়া, রাব্বি-জিদ্দি-এলমা
০২। নতুন ফ্রিজ কেনার পর দুধ-চিনি দিয়ে মিশিয়ে আইসক্রীম বানানোর বিরামহীন চেষ্টা
০৩। প্রচন্ড গরমের দুপুরে ফ্যান ফুলস্পিডে চালিয়ে ঠান্ডা ফ্লোরে গাল ঠেকিয়ে শুয়ে থাকা
০৪। ভাড়ায় ব্রেকহীন সাইকেল চালিয়ে পাড়া ছেড়ে বহুদূর চলে যাওয়া
০৫। দুপুরের ঘুমের পর জেগে উঠে সন্ধ্যা হয়ে গেছে দেখে এবং তাই খেলতে যেতে না পারায় নিজের উপর তীব্র রাগ
০৬। লাটিমের 'আল' লাগানোর ভালো কামারখানা খুঁজতে ভিন্ন ভিন্ন বাজার, পাড়া চষে বেড়ানো
০৭। লাল-নীল হরেক রঙের ঘুড়ি, নাটাই, মাঞ্জা
০৮। মসজিদে জুম্মার নামাজে বন্ধুদের সঙ্গে দুষ্টুমি
০৯। পুরানো খাতাবই দিয়ে কটকটি খাওয়া
১০। মা-র মার খেয়ে খাটের তলায় লুকিয়ে যাওয়া
১১। ঈদের জামাকাপড় মাথার কাছে নিয়ে চানরাতে ঘুমোতে যাওয়া
১২। মুভি অফ দ্য উইকে কিসসিন টাইপের কিছু দেখে পরদিন স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা
১৩। প্রথম চটিবই পড়া/ নীলছবি দেখার পর অবিশ্বাস এবং উত্তেজনা
১৪। বায়োনিক ওম্যান, সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান, ম্যান ফর আটলান্টিক, টারজান, ইনক্রিডিবল হাল্ক, দ্য ফল গাই, দি এ টিম, নাইট রাইডার, থান্ডার ক্যাটস, ম্যানিমেল, স্ট্রিটহক, ম্যাকগাইভার, ড়্যাভেন
১৫। ঘুমিয়ে গেলে ঘুমের ঘোরে মা-র খাইয়ে দেয়া
১৬। জ্বর হলে মা-র বার বার জানতে চাওয়া - কিছু খেতে ইচ্ছে করে বাবা?
১৭। সেইসব বায়নাগুলো - স্ট্যাম্প, ঠাকুরমার ঝুলি, খেলনা, ফুলগাছ, ছোটবোন চাওয়া
১৮। ভালো ছেলে বানানোর সে কি প্রাণান্তকর চেষ্টা বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনদের
১৯। পড়ার বইয়ের দিকে তাকিয়ে ভালো লাগা মেয়েটির কথা চিন্তা করা
২০। আজব আজব সব স্বপ্ন দেখা, একটাও সত্যি হলো না ..
২১। মার্বেল খেলা, ঢাই আর চুইয়া, ম্যাচ বাক্স ও সিগারেটের তাস, নাক্কিমুট খেলা, লিচুর বিচি
২২। খেলতে গিয়ে স্যান্ডেল হারিয়ে ফেলা
২৩। ভুতের ভয়, পরীক্ষার আগে ডিম না খাওয়া, রাব্বি-জিদ্দি-এলমা
Monday, 20 August 2007
বিজ্ঞাপনোষ্টালজিয়া ...
সচলায়তনে রাসেল বিজ্ঞাপন নিয়ে পোস্ট দিয়েছিল। পড়েই নষ্টালজিয়ায় পড়ে গেলাম। আহারে সেইসব বিজ্ঞাপন ...
স্মৃতি হাতড়ানো শুরু করলাম। এখন বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনের বাজারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কতো রঙের, কতো বাহারের বিজ্ঞাপন। কোনটা জিঙ্গেল বেইজড, কোনটা গল্প বেইজড। কতো মডেল, কতো স্মার্ট তারা। কিন্তু আমার মনে পড়ে গেল ম্যানোলার সেই বিজ্ঞাপন,
আহা! কেন যেন মনে হয় সেই মডেলের মতো সৌন্দর্য্য হাল আমলের মডেলরা ধারণ করে না।
এখন শুরু হয়েছে গল্পভিত্তিক বিজ্ঞাপন নির্মাণের ধুম। ভালোই লাগে। অথচ কেন জানি সেরা মনে হয় সেই ফিলিপসের বিজ্ঞাপন,
অথবা জীবনবীমার সেই বিজ্ঞাপন। দুটো বুড়োবুড়ি পার্কে হাঁটছে। আহা, কে কবে বানাতে পেরেছে এমন প্রেমের অপরূপ দৃশ্যরূপ।
এখনকার বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনের মডেলদের হাসি প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। হয়তো বা। কিন্তু এই হাসি শেল হয়ে বুকে বিঁধতে পারত যদি ব্যবহার করতেন দাঁতের মাজন। সুরে সুরে পড়ে দেখুন মনে করতে পারেন কিনা,
... এপি দশনচূর্ণ এখন থেকে ব্রাশেও ব্যবহার করা যাচ্ছে।
ক্রিকেটাররা এখন কমান্ডো ট্রেনিং নিচ্ছে। মডেলিংও করে আজকাল। ক্রিকেটের চাপে আজকের ফুটবলের এই তথৈবচ অবস্থা ফুটবলার সালাহউদ্দিন কি তখন ভাবতে পেরেছিলেন গোসল করার সময়?
অথবা সেই টাচি জিঙ্গেল,
আজ কই গেল সেই রেক্সোনা অথবা হৃদয় খিঁচে নেয়া ঠোঁট সুরু করে বলা সেই মেয়েটি ইটস কুল...ইটস ফ্রেশ...সুপার লেমনডিউ
ডিটারজেন্টের যুগ তখন ছিল না। কিন্তু মা-দের আত্মবিশ্বাস ছিল ওই জিঙ্গেলে,
তাতেও মা-দের মন ভরে না। স্কুলশার্ট আরো শাদা করার জন্য মা-দের কি প্রচেষ্টা। ভাগ্যিস তখন ছিল ওই বিজ্ঞাপনটি,
আজকাল এনিমেটেড বিজ্ঞাপনের অভাব নেই। কিন্তু ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে কি ওই বিজ্ঞাপন, যেখানে রাজকন্যার দীর্ঘ চুল বয়ে নিয়ে যাচ্ছে সখীরা। নেপথ্যে বাজছে,
অথবা ইভটিজিংয়ের সেই বিজ্ঞাপনটি?
ইউরোপে এসে ইটালির বিখ্যাত চামড়ার জুতা ব্যবহার করি। কিন্তু মন টানে ওই জিঙ্গেল,
আচ্ছা প্রথম জিঙ্গেল বেইজড বিজ্ঞাপন কোনটি? অনেকে বলে থাকে মডেল তানিয়ার ইকোনোর সেই বিজ্ঞাপনটি,
আবার অনেকে বলেন সেই বিজ্ঞাপনের কথা যেখানে ওড়না ছাড়া মিতানূরকে দেখে নিয়ত শিউরে উঠতাম,
কিন্তু আমি মনে করি প্রথম জিঙ্গেলবেইজড বিজ্ঞাপন হলো, অবিস্মরণীয় সেই বিজ্ঞাপন যা টিভি পর্দায় আসলে আমরা লজ্জা পেতাম।
হায়। আজকের কলমের বিজ্ঞাপনে বলা হয় না ইকোনো লেখে চমৎকার ... এক কলমে মাইল পার। পায়ে নেই জাম্প, জাম্প, জাম্প, জাম্প কেডস। আমাদের বোনেরা ফর্সা হয় না হেনো হেনো লাক্স.....কমপ্লেকশন ক্রীম মেখে। লন্ডনের শীতে আমি পড়তে পারব না আজ ও আগামীকালের পোষাক ... এলিগ্যান্স। কোনো ক্লাবে, পাবে, পার্টিতে আমার স্যুট হয় না সেঞ্চুরি....দ্যাটস হোয়াট আই লাইক-এর। ডি5 টুথপেস্ট-এর সেই চেরী মুখে নেয়া নওরীনের মতো কোনো প্রিয়া আজো হাতটা চেপে ধরল না।
মনে পড়ে যায় মা কতো জোর করত অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি আমদানীকৃত ... রেডকাউ খাওয়াতে। ভাবির বাচ্চা হয়েছে, ভাই বাসায় ফিরেই গেয়ে উঠত উলে উলে পাপ্পা ... সোনাজাদুমনি লে। ব্যাগ থেকে উপহার বের করে বাচ্চার সামনে নাচায় আর বলে, চোখে পড়লে চোখ জ্বলে না, কান্নাও পায় না ... মেরিল বেবি শ্যাম্পু। আমার মনে পড়ে যায় দোকানে বাকি করতাম যতো খাও ততো মজা ... রিং চিপস-এর জন্য।
লন্ডনে কতো সুন্দরি ঘোরাফেরা করে। কেউ একবার ফিরে তাকায় না। দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে স্বান্ত্বনা দিই, এগুলো বড়দের খাবার ... তোমাদের জন্য সেরেল্যাক। চোখের সামনে কোমর জড়িয়ে চলে যায় কোনো ছেলে, যেন মনে মনে আওড়ায়, আমি তো এমনি এমনি খাই ... হরলিকস
তারপরও রঙের দুনিয়ায় গেয়ে উঠি,
অথবা,
আপনাদের কি মনে পড়ে মৌসুমীর কথা? শাড়ি পরে কোমরে বিছার আছড়ে পড়া সেই অবিস্মরণীয় দৃশ্য?
অনেক তো হলো। যাওয়ার আগে সুরে সুরে আপনাদের মনে করিয়ে যাই,
স্মৃতি হাতড়ানো শুরু করলাম। এখন বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনের বাজারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কতো রঙের, কতো বাহারের বিজ্ঞাপন। কোনটা জিঙ্গেল বেইজড, কোনটা গল্প বেইজড। কতো মডেল, কতো স্মার্ট তারা। কিন্তু আমার মনে পড়ে গেল ম্যানোলার সেই বিজ্ঞাপন,
ম্যানোলা মানে টলমল শিশিরের লাবণ্য
ম্যানোলা মানে কমোলীন সুরভী অনন্য।
ম্যানোলা মানে কমোলীন সুরভী অনন্য।
আহা! কেন যেন মনে হয় সেই মডেলের মতো সৌন্দর্য্য হাল আমলের মডেলরা ধারণ করে না।
এখন শুরু হয়েছে গল্পভিত্তিক বিজ্ঞাপন নির্মাণের ধুম। ভালোই লাগে। অথচ কেন জানি সেরা মনে হয় সেই ফিলিপসের বিজ্ঞাপন,
ও মানিক কি বাত্তি লাগাইলি ..
... মাছের রাজা ইলিশ, বাত্তির রাজা ফিলিপস।
... মাছের রাজা ইলিশ, বাত্তির রাজা ফিলিপস।
অথবা জীবনবীমার সেই বিজ্ঞাপন। দুটো বুড়োবুড়ি পার্কে হাঁটছে। আহা, কে কবে বানাতে পেরেছে এমন প্রেমের অপরূপ দৃশ্যরূপ।
এখনকার বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনের মডেলদের হাসি প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। হয়তো বা। কিন্তু এই হাসি শেল হয়ে বুকে বিঁধতে পারত যদি ব্যবহার করতেন দাঁতের মাজন। সুরে সুরে পড়ে দেখুন মনে করতে পারেন কিনা,
এপি দশন চূর্ণ সেরা দাঁতের মাজন
দাঁতের মাড়ি শক্ত, করে দশন চূর্ণ
মাড়ির ব্যথায় আরাম দেবে
এপি দশন চূর্ণ
দাঁতের মাড়ি শক্ত, করে দশন চূর্ণ
মাড়ির ব্যথায় আরাম দেবে
এপি দশন চূর্ণ
... এপি দশনচূর্ণ এখন থেকে ব্রাশেও ব্যবহার করা যাচ্ছে।
ক্রিকেটাররা এখন কমান্ডো ট্রেনিং নিচ্ছে। মডেলিংও করে আজকাল। ক্রিকেটের চাপে আজকের ফুটবলের এই তথৈবচ অবস্থা ফুটবলার সালাহউদ্দিন কি তখন ভাবতে পেরেছিলেন গোসল করার সময়?
স্বাস্থ্যকে রক্ষা করে লাইফবয়
লাইফবয় যেখানে, স্বাস্থ্যও সেখানে
লাইফবয়-য়-য়-য়
লাইফবয় যেখানে, স্বাস্থ্যও সেখানে
লাইফবয়-য়-য়-য়
অথবা সেই টাচি জিঙ্গেল,
টাচ টাচ টাচ ... গ্যাকোটাচ ...
আজ কই গেল সেই রেক্সোনা অথবা হৃদয় খিঁচে নেয়া ঠোঁট সুরু করে বলা সেই মেয়েটি ইটস কুল...ইটস ফ্রেশ...সুপার লেমনডিউ
ডিটারজেন্টের যুগ তখন ছিল না। কিন্তু মা-দের আত্মবিশ্বাস ছিল ওই জিঙ্গেলে,
এক ঘষাতে অনেক কাচে
কোন সাবান কোন সাবান
নিরালা নিরালা, নিরালা বল সাবান
কোন সাবান কোন সাবান
নিরালা নিরালা, নিরালা বল সাবান
তাতেও মা-দের মন ভরে না। স্কুলশার্ট আরো শাদা করার জন্য মা-দের কি প্রচেষ্টা। ভাগ্যিস তখন ছিল ওই বিজ্ঞাপনটি,
শেষ হয় না কাপড় ধোয়া
যদি না হয় নীলের ছোঁয়া
রবিন লিকুইড ব্লু
যদি না হয় নীলের ছোঁয়া
রবিন লিকুইড ব্লু
আজকাল এনিমেটেড বিজ্ঞাপনের অভাব নেই। কিন্তু ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে কি ওই বিজ্ঞাপন, যেখানে রাজকন্যার দীর্ঘ চুল বয়ে নিয়ে যাচ্ছে সখীরা। নেপথ্যে বাজছে,
রূপবতী সখী তোরে
কেশবতী করে দিল
এপি পনেরো কেশতেল
কেশবতী করে দিল
এপি পনেরো কেশতেল
অথবা ইভটিজিংয়ের সেই বিজ্ঞাপনটি?
ও কেশবতী কন্যা,
ফুল নেবে গো ফুল ... নেও না চাঁপা ফুল
চুলে আমার চাঁপা মাখা ... চাই না চাঁপা ফুল
ফুল নেবে গো ফুল ... নেও না চাঁপা ফুল
চুলে আমার চাঁপা মাখা ... চাই না চাঁপা ফুল
ইউরোপে এসে ইটালির বিখ্যাত চামড়ার জুতা ব্যবহার করি। কিন্তু মন টানে ওই জিঙ্গেল,
রূপসা রূপসা রূপসা
নরম নরম হাওয়াই চপ্পল রূপসা
নরম নরম হাওয়াই চপ্পল রূপসা
আচ্ছা প্রথম জিঙ্গেল বেইজড বিজ্ঞাপন কোনটি? অনেকে বলে থাকে মডেল তানিয়ার ইকোনোর সেই বিজ্ঞাপনটি,
লোনলি ডেজ ... লোনলি নাইটস
ইউ আর ফার এওয়ে
ইউ আর ফার এওয়ে
আবার অনেকে বলেন সেই বিজ্ঞাপনের কথা যেখানে ওড়না ছাড়া মিতানূরকে দেখে নিয়ত শিউরে উঠতাম,
আলো আলো ... বেশি আলো
শব্দ শব্দে ... মন মাতানো
অলিম্পিক অলিম্পিক ব্যাটারি
শব্দ শব্দে ... মন মাতানো
অলিম্পিক অলিম্পিক ব্যাটারি
কিন্তু আমি মনে করি প্রথম জিঙ্গেলবেইজড বিজ্ঞাপন হলো, অবিস্মরণীয় সেই বিজ্ঞাপন যা টিভি পর্দায় আসলে আমরা লজ্জা পেতাম।
এই মায়া বড়ি খেলে
.... ... ছোট সংসার
মায়া আছে এ জীবনে আপন হয়ে
জীবনের সবটুকু সুখ হয়ে
.... ... ছোট সংসার
মায়া আছে এ জীবনে আপন হয়ে
জীবনের সবটুকু সুখ হয়ে
হায়। আজকের কলমের বিজ্ঞাপনে বলা হয় না ইকোনো লেখে চমৎকার ... এক কলমে মাইল পার। পায়ে নেই জাম্প, জাম্প, জাম্প, জাম্প কেডস। আমাদের বোনেরা ফর্সা হয় না হেনো হেনো লাক্স.....কমপ্লেকশন ক্রীম মেখে। লন্ডনের শীতে আমি পড়তে পারব না আজ ও আগামীকালের পোষাক ... এলিগ্যান্স। কোনো ক্লাবে, পাবে, পার্টিতে আমার স্যুট হয় না সেঞ্চুরি....দ্যাটস হোয়াট আই লাইক-এর। ডি5 টুথপেস্ট-এর সেই চেরী মুখে নেয়া নওরীনের মতো কোনো প্রিয়া আজো হাতটা চেপে ধরল না।
মনে পড়ে যায় মা কতো জোর করত অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি আমদানীকৃত ... রেডকাউ খাওয়াতে। ভাবির বাচ্চা হয়েছে, ভাই বাসায় ফিরেই গেয়ে উঠত উলে উলে পাপ্পা ... সোনাজাদুমনি লে। ব্যাগ থেকে উপহার বের করে বাচ্চার সামনে নাচায় আর বলে, চোখে পড়লে চোখ জ্বলে না, কান্নাও পায় না ... মেরিল বেবি শ্যাম্পু। আমার মনে পড়ে যায় দোকানে বাকি করতাম যতো খাও ততো মজা ... রিং চিপস-এর জন্য।
লন্ডনে কতো সুন্দরি ঘোরাফেরা করে। কেউ একবার ফিরে তাকায় না। দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে স্বান্ত্বনা দিই, এগুলো বড়দের খাবার ... তোমাদের জন্য সেরেল্যাক। চোখের সামনে কোমর জড়িয়ে চলে যায় কোনো ছেলে, যেন মনে মনে আওড়ায়, আমি তো এমনি এমনি খাই ... হরলিকস
তারপরও রঙের দুনিয়ায় গেয়ে উঠি,
দেখো দেখো দেখোরে
রঙ্গের বাহার
দেখো রোমানার বাহার।
রঙ্গের বাহার
দেখো রোমানার বাহার।
অথবা,
রং রং রং রং রং
পেইলাক মনের মতো রঙ
পেইলাক মনের মতো রঙ
আপনাদের কি মনে পড়ে মৌসুমীর কথা? শাড়ি পরে কোমরে বিছার আছড়ে পড়া সেই অবিস্মরণীয় দৃশ্য?
প্রিয় প্রিয় প্রিয়
সুন্দরি সুন্দরি সুন্দরি
প্রিয় প্রিয় সুন্দরি
সুন্দরি প্রিন্ট শাড়ি।
সুন্দরি সুন্দরি সুন্দরি
প্রিয় প্রিয় সুন্দরি
সুন্দরি প্রিন্ট শাড়ি।
অনেক তো হলো। যাওয়ার আগে সুরে সুরে আপনাদের মনে করিয়ে যাই,
কোনো কোনো মা-বোনেরা কয়
শাকসব্জী খাইলে নাকি পেটের ব্যারাম হয়।
... একদম বাজে কথা।
শাক ভালো করে ধুয়ে রান্না করলে বাচ্চাদের পেটের অসুখ হয় না।
শাকসব্জী খাইলে নাকি পেটের ব্যারাম হয়।
... একদম বাজে কথা।
শাক ভালো করে ধুয়ে রান্না করলে বাচ্চাদের পেটের অসুখ হয় না।
Subscribe to:
Posts (Atom)
