বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড ম্যাচে বাংলাদেশ যখন ১৩৭ রান করল, মেজাজ পুরো খারাপ হয়ে গেল। আসলে মেজাজ খারাপ হয়েছে কুত্তা, চুতমারানি আশরাফুলের আউট দেখে। আমি দাবি জানাচ্ছি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সমস্ত শিশুদের দিয়ে আশরাফুলের দুইগালে জুতার বাড়ি আর থাপ্পড় দেয়া হোক।
Monday, 8 June 2009
Friday, 29 May 2009
ভগবান vs আল্লাহ - গ্যালারিতে ঈশ্বর
ইংল্যান্ড আসার পর থেকেই খুব ইচ্ছে ছিল ছুটিছাটায় ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতে ঘুরব। কিন্তু কোনোভাবেই ব্যাটেবলে হচ্ছিল না। কেটে গেল ৪ বছর। আর এবারই সুযোগ এসে গেল ইটালি যাবার।
Tuesday, 19 May 2009
মাল্টিকালচারের বটিকা সেবনে বিপর্যস্ত বাংলা বৈশাখী মেলা !!
ছোটবেলা থেকে পৃথিবীর যে অঞ্চলটির কথা বেশি বেশি শুনে বড় হয়েছি তা হলো বিলেত, বড় হয়ে জেনেছি এই বিলেত হলো আমাদের সবারই প্রিয় শহর লন্ডন। যে শহরে বাঙালিরা তাদের টয়লেটে কোন রঙের বদনা ব্যবহার করবেন তা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত হন না, সহজলভ্যতার কারণে। এ শহরেই আমাদের দাদী-নানী-চাচী-মামী সহ মুরুব্বি গোছের মাতৃকূল সুপারি কাটার যন্ত্র শীতের বিকেলে টুকটুক করে হেঁটে স্থানীয় দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসেন। মুরুব্বী গোছের পিতৃস্থানীয়রা বড় আয়েশ করে শুঁটকি কিংবা সাতকরার মিশেলে মজাদার রান্না খেয়ে আলস্য ঢেকুর তোলেন। আর এসবই সম্ভব হয়েছে অত্যধিক সংখ্যায় বাঙালির সহাবস্থানের কারণে। বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের বাইরে লন্ডনই হচ্ছে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চল।
Tuesday, 17 March 2009
বলিউডের প্রেমিকারা
ভারতেশ্বরী হোমসে খালাত বোন পড়ত। সেখানে প্রতি সপ্তাহে একদিন হিন্দি সিনেমা দেখানো হতো। ছুটিছাটায় বাড়িতে এলে বোনের মুখে সেইসব ছবির গল্প শুনতাম। আমার ভান্ডারে হিন্দি ছবি বলতে তখন পর্যন্ত ইনকিলাব আর কুলি। পাশের বাড়ির মাহতাব ভাইরা ভিসিআর ভাড়া করে আনায় সেই দুইটা ছবি দেখেছিলাম। হিন্দির 'হ' তখন পর্যন্ত আয়ত্ত হয়নি। মারামারির দৃশ্যগুলো শুধু এনজয় করতাম।Sunday, 22 February 2009
গল্পটি আপনি কীভাবে দেখাবেন?
০১কারখানার মেশিনে বাবার হাত কাটা গেছে। ঘরে মা অসুস্থ। ছোট বালক তাই রিকশা নিয়ে বেরিয়েছে। সেই রিকশার চাকা ঘুরতে ঘুরতে ছোটবালকটি হয়ে উঠেন চিত্রনায়ক জসিম।
০২
অথবা গুন্ডারা ছোটবোনকে ধরে নিয়ে গেছে। জিপের পেছনে ভাইয়ের ছোট দুটি পা দৌড়াচ্ছে। সেই পা দুটো বড় হয়ে যায় দেখা যায় চিত্রনায়ক মান্নার পেছনে একদল গুন্ডা ছুটছে।
Monday, 9 February 2009
বাবা মায়ের ভৎর্সনা
ছোটবেলায় পড়াশোনা না করার জন্য বাবার চেয়ে মা-র হাতে বেশি মার খেয়েছি। ছোটখাট চড়থাপ্পড়, কানমলা, চুলটানা এগুলো অতি সাধারণ মারপিট ছিল। একটু বড় গোছের মার দিতে ব্যবহার করা হতো বিছানার ঝাড়ু, ডাল ঘুটনি, স্কেল, র্যাকট, হ্যাঙ্গার, নিজের হাতে মেলা থেকে কেনা কাঠের তলোয়ার।
Saturday, 31 January 2009
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের সামগ্রিক অবস্থা
এই পোস্ট কারো কারো অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে। এক্ষেত্রে আমি কড়জোরে ক্ষমা চাচ্ছি। তবে অনুরোধ করব 'ব্যতিক্রম কখনো বিধি না' এটা স্মরণে নেয়ার জন্য। পোস্টের বক্তব্য আপনার ভাবনার সঙ্গে না মিললে সেটা অন্যের জন্য হবে না এমনটা নাও হতে পারে। ধন্যবাদ।
Monday, 26 January 2009
স্লামডগ মিলিওনেয়ার
আমরা যারা খাড়ায়া খাড়ায়া সিনমার পোস্টারের নায়িকার উন্নত বক্ষ দেইখা সিনমা হলে ঢুকি না, তারা কোনো সিনমা দেখার সিদ্ধান্ত লওনের আগে ওই সিনমার ঘটনা জাইনা লই প্রথমে। সিনমা হলে গিয়া হুট কইরা কোনো একটা সিনমার টিকিট কাইটা হলে ঢুইকা যাওনের ঘটনা খুব কমই ঘটছে জীবনে। সিনমা দেখনের আগে তাই সিনপসিস পইড়া (ইন্টারনেটে ডাউনলোডের বেলায়) অথবা মাইনষের মুখে, পত্রিকায় পইড়া সিনমায় যাই। স্লামডগ মিলিওনেয়ার ঠিক এই জায়গাতে পুরোপুরি সফল। অর্থাৎ স্লামডগ মিলিওনেয়ার সিনমাটা দেখুম কিনা এইটা সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হইছে এর কাহিনী।Monday, 19 January 2009
হায়রে গাড়ি ..
পাথর নীলা যেমন অনেকের সহ্য হয়না, তেমনি শুনতাম ইলেকট্রনিক্স জিনিসও নাকি সবার সয় না। কেউ কেউ টিভি কিনলে নাকি দুই মাসেই সেটার পিকচার টিউব জ্বলে যায় আবার এমনও শোনা যায় কারো কারো টিভি ২০ বছর ধরে চলছে। ফ্রিজ কেউ কেউ দাদার আমল থেকেই চালাচ্ছে, কারো কারো ফ্রিজ নাকি আবার কিনার ছয় মাসের মধ্যেই ঠান্ডার বদলে গরম হতে থাকে। কারো কারো কমপিউটারের মাদারবোর্ড ক্র্যাশ করে, ভাইরাসের কারণে বার বার ফরম্যাট করতে হয়।
Friday, 16 January 2009
যেসব ছবি দেখেছি
হলিউডের মুভিই দেখতাম। কিন্তু ইউরোপে এসে হলিউডি মুভি দেখা বাদ দিছি। কারণ প্রচুর ভালো ভালো ইউরোপিয়ান মুভির সন্ধান পাই। সুন্দর গল্প নিয়ে তুলনামুলক কম খরচের মুভিগুলো মন ছুঁয়ে গেছে। তাই হলিউডি ফিল্মের উপর অভক্তি জন্মেছে আর ততোটাই ভালোবাসা জন্মেছে ইউরোপিয়ান ছবির জন্য। এই সাইটের খোঁজ পাওয়ার পর এমন সময় গেছে যে প্রতিদিন গড়ে ২টা ছবি দেখা হতো। এযাবত কয়টা ছবি দেখেছি বের করতে গিয়ে অনেক ছবিই খুঁজে পাচ্ছি না। এখন যে লিস্টটা দিচ্ছি সেটা মে, ২০০৬ থেকে শুরু হয়েছে। রিপুর তাড়নায় অনেক আজেবাজে ছবিও দেখেছি, কিছু কিছু বাজে ছবিও রয়েছে, তবে বেশির ভাগই ভালো। ছবিগুলোর দেশ আর নির্মাণকাল কিংবা তথ্য দিতে পারছি না। তবে এই সাইটে গিয়ে সার্চবক্সে ছবির নাম দিয়ে ডিটেইলস পেতে পারেন। যদি সম্ভব হয় যোগাড় করে দেখে ফেলুন। আপাতত ২০২ টি ছবির নাম ক্রমানুসারে দিলাম ...
Saturday, 3 January 2009
যেমন গেল ২০০৮
এই লেখাটির ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে এবারও ২০০৮ সালের সালতামামি করছি।
জানুয়ারি মাস পুরোটাই গেছে দেশে যাবার তাড়নায়। ২০০৬ সালের এপ্রিলে দেশে যাওয়ার পর এবারই ২০০৮ এর ফেব্রুয়ারিতে দেশে যাই। এছাড়াও ভিসা বাড়াতে অনেকটা মানসিক প্রশান্তিতে ছিলাম।
জানুয়ারি মাস পুরোটাই গেছে দেশে যাবার তাড়নায়। ২০০৬ সালের এপ্রিলে দেশে যাওয়ার পর এবারই ২০০৮ এর ফেব্রুয়ারিতে দেশে যাই। এছাড়াও ভিসা বাড়াতে অনেকটা মানসিক প্রশান্তিতে ছিলাম।
Sunday, 28 December 2008
২০০৮ নির্বাচনে বিজয়ী দলের জন্য মন্ত্রণালয় পুনর্বিন্যাস
গেল বিএনপি সরকারের প্রথম সমালোচনা ছিল বিশাল আকারের মন্ত্রীসভা গঠন করার জন্য। সকলের মন রক্ষার্থে হাওয়া ভবনের ক্যারিশমাটিক জাদুতে আলতাফ/বাবরের মতো অকর্মণ্যরাও মন্ত্রণালয় পেয়েছে। অথচ গত দুই বছরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হাতে গোণা কয়েকজন উপদেষ্টা (ভিন্নর্থে মন্ত্রী) নিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত মন্ত্রণালয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেছেন।
Tuesday, 16 December 2008
নাট্য সমালোচনা : আনিসুল হক/ ফারুকী গংয়ের মশকরা
দেশে থাকতে যেটা অনিয়ম ছিল প্রবাসে সেটাই অর্থাৎ টেলিভিশন দেখাটা মোটামুটি নিয়মের মধ্যে পড়েছে। কারণটা হলো ইন্টারনেট। দেশে নাটক দেখা হতো না তেমন একটা, অথচ প্রবাসে এসে বাংলাদেশী নাটক দেখা হচ্ছে অনেক। এই ঈদেও তাই প্রচুর বাংলাদেশী নাটক ডাউনলোড করে দেখতে শুরু করেছি।
Thursday, 11 December 2008
ব্লগ পরিক্রমা : ব্লগারদের খবর জানবেন যেখানে
ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ ব্লগ, বিশেষ করে বাংলা ব্লগের (কমিউনিটি কিংবা ফোরাম যাই বলি) খোঁজখবর রাখছেন না এমন ইউজার মেলা ভার। বাংলায় চালু ব্লগগুলোতে ঘুরে ফিরে জানা গেছে এখানকার ইউজার অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া থেকে শুরু করে ৫০ উর্ধ্ব বয়সী পর্যন্ত রয়েছেন। নতুন নতুন ব্লগ চালু হচ্ছে, ইউজারদের অংশগ্রহণও তাতে বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে দলাদলিও। বাঙালির চিরাচরিত আবেগের (?) কারণে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে ব্লগাররা। অমুক ব্লগার তমুক ব্লগে লিখতে পারেন না, তাই যান না; অমুক অমুক ব্লগাররা তমুক তমুক ব্লগসাইটকে এড়িয়ে চলেন - তাই যতোটা মিথস্ক্রীয়ার প্রয়োজন ততোটাই যেন হয়ে উঠছে না। ক্ষতি যেটা হচ্ছে তা হলো অনেক ভালো লেখা আমরা মিস করছি।
Friday, 28 November 2008
কলকাতার উপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে বাংলাদেশে টিভি সিরিয়াল বানানোর তীব্র প্রতিবাদ করছি
সর্বপ্রথম কে কলকাতার উপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে টিভি সিরিয়াল কিংবা একক নাটক বানানো শুরু করেছিল সেটা মনে করতে পারছি না। তবে আফসানা মিমি-র কৃষ্ণচূড়া প্রডাকশনের 'কাছের মানুষ' সিরিয়ালটিই হয়তো বা প্রথম হতে পারে। সূচিত্রা ভট্টাচার্যের এ উপন্যাস নিয়ে সিরিয়াল শুরু হতে যাচ্ছে এটা প্রথম শুনতে পাই আমার প্রজাপতিকাল টেলিফিল্মের শুটিংয়ের সময়। মেকাপম্যান রবীনের কাছে কাছের মানুষের এককপি দেখতে পেয়ে জানতে পারি মিমি আপা তাকে এই বইটি পড়তে বলেছেন যেন আর্টিস্টদের মেকাপ সম্পর্কে সে আগেভাগেই একটা ধারণা করতে পারে। জানি না মিমি আপা তার অন্য কোনো সিরিয়াল নিয়ে এতোটা সিরিয়াস ছিলেন কিনা অর্থাৎ বন্ধন নাটকের সময়ও কি তিনি তার মেকাপম্যানকে স্ক্রিপ্ট পড়তে দিয়েছিলেন কিনা জানতে পারিনি।
Saturday, 22 November 2008
নামচা ০২
আজকাল ব্লগে কিছু লিখছি না। লিখতে গেলেই ভাবতে বসি কি লিখব? আমি তেমন কোনো লেখকও না। কিছু লিখলে তাই নিজের কথাই চলে আসে। তবে ব্লগপাড়াগুলোতে ঘোরাঘুরি ঠিকই চলছে। প্রথম আলোয় ব্যান, সামহোয়ারে ব্যান হওয়ার পর আবার একাউন্ট খুলেছি কয়েকমাস আগে, কিন্তু এখনো পর্যবেক্ষণে, কমেন্ট করতে পারি না, পোস্ট প্রথম পাতায় আসে না। সচল থেকে বেরিয়ে এসেছি। রইল বাকি আমারব্লগ। আক্ষরিক অর্থেই আমার ব্লগ। আই লাইক ইট ...
Thursday, 13 November 2008
আমি কেন বাংলাদেশেই ফিল্ম বানাতে চাই
সচলে সুমন চৌধুরির লেখাটা পড়লাম। হাজারো ভিড়ের মাঝে আমার প্রডাকশন তার ভালো লেগেছে শুনে ভালো লাগল। থ্যাঙ্কস সুমন চৌধুরী। তবে আক্ষেপ রয়ে যাচ্ছে আরো ভালো প্রডাকশন বানাতে পারছি না বলে। সবাই প্রশ্ন করে যে লন্ডনে মিডিয়ার সঙ্গে আছি অথচ নিয়মিতভাবে নাটক বানাচ্ছি না কেন? আসলে এখানে মনের মতো কাজ করার সুযোগ নাই। প্রথমত রয়েছে আর্টিস্ট প্রবলেম। এখানে সবাই অ্যামেচার। যদিও তাদের শিখিয়ে নিয়ে কাজ করা যায় কিন্তু সবাই কোনো না কোনো প্রফেশনে জড়িত। তাই শিডিউল মেলানো টাফ হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত রয়েছে শুটিং কিংবা ফিল্মিংয়ের সমস্যা। লন্ডনের রাস্তাঘাটে যেনতেনভাবে ক্যামেরা নিয়ে ফিল্মিং করা যায় না। অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে, না থাকলে পুলিশ মামুরা হাজির। কোর্সের এ্যাসাইনমেন্ট বলে আর কতো পার পাওয়া যায়। রয়েছে হ্যান্ডস বা লোকবলের সমস্যা। লাইট, বুম, ট্রাইপড ছাড়াও মনিটর, স্ক্রিণ এসব বহন কিংবা ধরার লোক নাই। তাই শুধুমাত্র ক্যামেরা আর প্রাকৃতিক আলোর উপর নির্ভর করে, লুকোচুরি করে (যে কাজটা হুমায়ুন আহমেদসহ আরো আরো বড় বড় বাংলাদেশি পরিচালকরা দেশের বাইরে গিয়ে করে থাকেন) ফিল্মিং করাটা আমার ধাতে সয় না। লন্ডনে ফিল্মিং করব অথচ লন্ডন আই, টাওয়ার ব্রিজ এগুলো না দেখালে কিভাবে হবে! ফ্রান্সে গেলে আইফেল টাওয়ারের নিচে কিংবা গ্রিসে গেলে ওই যে খাম্বাগুলো আছে সেগুলার তলায় যদি আমার নায়ক-নায়িকারা একটু প্রেম করার সুযোগ না পায় তাইলে লন্ডন, ফ্রান্স বা গ্রিসে নাটক/সিনেমা বানাব কেন? পার্কে গাছের চিপায়, বাসার সামনের রাস্তায়, হোটেলের লবিতে কিংবা পরিচিতদের রেস্টুরেন্টে ১/২ সিকোয়েন্স থাকতে পারে, পুরো নাটক/সিনেমা নামানো যায় না।
Wednesday, 12 November 2008
Britain & Sex 2008 - Homosexuality and Safe Sex
গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে বৃটেনের পত্রিকা The Observer একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে SEX UNCOVERED নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হলো।আজ হলো শেষ পর্ব
Sunday, 9 November 2008
Britain & Sex 2008 - Home and Away
গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে বৃটেনের পত্রিকা The Observer একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে SEX UNCOVERED নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।আজ হলো তৃতীয় পর্ব – HOME AND AWAY
Friday, 7 November 2008
Britain & Sex 2008 - Manhood and Monogamy
গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে বৃটেনের পত্রিকা The Observer একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে SEX UNCOVERED নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।
আজ হলো দ্বিতীয় পর্ব – MANHOOD AND MONOGAMY
আজ হলো দ্বিতীয় পর্ব – MANHOOD AND MONOGAMY
Subscribe to:
Posts (Atom)






