Sunday, 28 December 2008
২০০৮ নির্বাচনে বিজয়ী দলের জন্য মন্ত্রণালয় পুনর্বিন্যাস
Tuesday, 16 December 2008
নাট্য সমালোচনা : আনিসুল হক/ ফারুকী গংয়ের মশকরা
Thursday, 11 December 2008
ব্লগ পরিক্রমা : ব্লগারদের খবর জানবেন যেখানে
Friday, 28 November 2008
কলকাতার উপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে বাংলাদেশে টিভি সিরিয়াল বানানোর তীব্র প্রতিবাদ করছি
Saturday, 22 November 2008
নামচা ০২
Thursday, 13 November 2008
আমি কেন বাংলাদেশেই ফিল্ম বানাতে চাই
সচলে সুমন চৌধুরির লেখাটা পড়লাম। হাজারো ভিড়ের মাঝে আমার প্রডাকশন তার ভালো লেগেছে শুনে ভালো লাগল। থ্যাঙ্কস সুমন চৌধুরী। তবে আক্ষেপ রয়ে যাচ্ছে আরো ভালো প্রডাকশন বানাতে পারছি না বলে। সবাই প্রশ্ন করে যে লন্ডনে মিডিয়ার সঙ্গে আছি অথচ নিয়মিতভাবে নাটক বানাচ্ছি না কেন? আসলে এখানে মনের মতো কাজ করার সুযোগ নাই। প্রথমত রয়েছে আর্টিস্ট প্রবলেম। এখানে সবাই অ্যামেচার। যদিও তাদের শিখিয়ে নিয়ে কাজ করা যায় কিন্তু সবাই কোনো না কোনো প্রফেশনে জড়িত। তাই শিডিউল মেলানো টাফ হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত রয়েছে শুটিং কিংবা ফিল্মিংয়ের সমস্যা। লন্ডনের রাস্তাঘাটে যেনতেনভাবে ক্যামেরা নিয়ে ফিল্মিং করা যায় না। অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে, না থাকলে পুলিশ মামুরা হাজির। কোর্সের এ্যাসাইনমেন্ট বলে আর কতো পার পাওয়া যায়। রয়েছে হ্যান্ডস বা লোকবলের সমস্যা। লাইট, বুম, ট্রাইপড ছাড়াও মনিটর, স্ক্রিণ এসব বহন কিংবা ধরার লোক নাই। তাই শুধুমাত্র ক্যামেরা আর প্রাকৃতিক আলোর উপর নির্ভর করে, লুকোচুরি করে (যে কাজটা হুমায়ুন আহমেদসহ আরো আরো বড় বড় বাংলাদেশি পরিচালকরা দেশের বাইরে গিয়ে করে থাকেন) ফিল্মিং করাটা আমার ধাতে সয় না। লন্ডনে ফিল্মিং করব অথচ লন্ডন আই, টাওয়ার ব্রিজ এগুলো না দেখালে কিভাবে হবে! ফ্রান্সে গেলে আইফেল টাওয়ারের নিচে কিংবা গ্রিসে গেলে ওই যে খাম্বাগুলো আছে সেগুলার তলায় যদি আমার নায়ক-নায়িকারা একটু প্রেম করার সুযোগ না পায় তাইলে লন্ডন, ফ্রান্স বা গ্রিসে নাটক/সিনেমা বানাব কেন? পার্কে গাছের চিপায়, বাসার সামনের রাস্তায়, হোটেলের লবিতে কিংবা পরিচিতদের রেস্টুরেন্টে ১/২ সিকোয়েন্স থাকতে পারে, পুরো নাটক/সিনেমা নামানো যায় না।
Wednesday, 12 November 2008
Britain & Sex 2008 - Homosexuality and Safe Sex
গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে বৃটেনের পত্রিকা The Observer একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে SEX UNCOVERED নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হলো।আজ হলো শেষ পর্ব
Sunday, 9 November 2008
Britain & Sex 2008 - Home and Away
গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে বৃটেনের পত্রিকা The Observer একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে SEX UNCOVERED নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।আজ হলো তৃতীয় পর্ব – HOME AND AWAY
Friday, 7 November 2008
Britain & Sex 2008 - Manhood and Monogamy
আজ হলো দ্বিতীয় পর্ব – MANHOOD AND MONOGAMY
Thursday, 6 November 2008
Britain & Sex 2008 - Quantity and Quality
গেল অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে বৃটেনের পত্রিকা The Observer একটি সাপ্লিমেন্টারি বের করে SEX UNCOVERED নামে। এতে বৃটেনবাসীর সেক্স ও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো উঠে আসে। সেই জরিপের চুম্বক অংশগুলো ধারাবাহিকভাবে পোস্ট আকারে দেয়া হবে।
আজ হলো প্রথম পর্ব – QUANTITY AND QUALITY
Monday, 3 November 2008
আওয়ামী লীগের খুশির কারণ তারা ইলেকশনে জিতবে
Wednesday, 29 October 2008
এবার তবে নিজের ঘর সাজাই
Sunday, 26 October 2008
নামচা ০১
এ বছরের শুরুতেই বিয়ে করেছি। তাই সংসার গোছাতে সময় লেগেছে অনেক। নতুন বাসায় উঠেছি। বউয়ের ব্যাংক একাউন্ট, জিপি, ইন্স্যুরেন্স নাম্বার এগুলোর পিছে সময় দিতে হয়েছে। সবচেয়ে বেশি যা করতে হয়েছে তা হলো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ। খাওয়া দাওয়া ঠিক সময়ে করার প্র্যাকটিস চালু করতে বাধ্য হয়েছি। সবচেয়ে পীড়াদায়ক যে বিষয়টি মেনে চলছি তা হলো সময়মতো ঘরে ফেরা।
Saturday, 4 October 2008
নাস্তিকেরা কেন 'ইসলাম লইয়া' বেশি ফাল পারে?
তবে প্রথমে একটু প্রারম্ভিকা।
Friday, 3 October 2008
প্রিয় ব্লগার সুমন রহমান (বিদ্যাকূট) এর প্রতি
Friday, 12 September 2008
গাড়ি বয়ান ...
২০০১ সালে প্রথম নাটক পরিচালনা করি। বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যা হয়, প্রথম কাজেই দেখিয়ে দেবার একটা প্রবণতা থাকে। আমার মধ্যেও সেটা ছিল। কিন্তু পরিণতি তেমনটা হয়নি। যা ভেবেছিলাম সেরকম করে নাটকটা বানাতে পারিনি। প্রথম কাজ হিসেবে অনেক ভুলত্রুটি রয়ে যায় (যা দেখলে এখনো বিব্রত ও লজ্জিত হই, যদিও সাধারণ দর্শকরা সেটা বুঝতে পারত না)। নাটকটি বিক্রির চেষ্টা করি এবং যথারীতি ফেল মারি। আমার মাথায় বাড়ি পড়ে ...
Monday, 18 August 2008
সম্পাদনার টুকিটাকি (পর্ব ০২)
এডিটিং বা সম্পাদনা বিষয়ক টুকিটাকি সিরিজের এটা দ্বিতীয় পর্ব। এখানে এডিটর বলতে আমরা ভিডিও এডিটর অর্থাত টিভি মিডিয়ার এডিটর ও তার কাজ সম্পর্কে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব।
Tuesday, 12 August 2008
সম্পাদনার টুকিটাকি (পর্ব ০১)
Monday, 21 July 2008
ভারত, বিডিআর, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আর কিছু কথা
জরিপের কাজে আমি বাংলাদেশের অনেক জায়গাতেই ঘুরেছি। ইন্টারভিউয়াররা যখন হামলে পড়ত সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার যাওয়ার জন্য তখন আমি কোণে পড়ে থাকা পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, রংপুরের পীরগঞ্জ, খাগড়ছড়ির দীঘিনালা, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ, ভোলার মনপুরা কিংবা বরিশালের গৌরনদী তুলে নিতাম। আমার লজিক ছিল বাংলাদেশের বিখ্যাত জায়গাগুলোতে কোনো না কোনোদিন যাওয়া হবেই। তাই এই ফাঁকে অখ্যাত অঞ্চলগুলোতেই বরং যাই। তাই ঘটেছে। বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছি কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন, বান্দরবানের চিম্বুকে-কেওকারাডংয়ে, সিলেটের জাফলংয়ে। আমার বরাবরই সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো বেশ পছন্দের ছিল। কি সেটা নদীপথের, পাহাড়ের কিংবা সমতলের।
একবার বৃষ্টি দেখতে গিয়েছিলাম সিলেটের জাফলংয়ে। ঝুমবৃষ্টির মধ্যেই আমরা ছোট ডিংগি নৌকায় নদী পার হয়ে একটা ছোট চাবাগানে যাই। এদিক সেদিক ঘোরাঘুরির পর একজন বিডিআর সদস্যকে দেখতে পেয়ে কাছে যাই। আমরা তো আনন্দে বৃষ্টিতে ভিজছি কিন্তু সেই বিডিআর রাইফেল কাঁধে ঝুলিয়ে ফুটো হয়ে ছাতায় বৃষ্টি আগলে দাঁড়িয়ে দূরে তাকিয়ে আছেন। বয়স হয়তে ৪০-৪৫ হবে। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করি,
: আপনি কি দেখেন?
: ইন্ডিয়া। মানুষ।
: কই কিছুই তো দেখি না। খালি তো পাহাড়।
: আমি দেখি। ওই যে ওইদিকে দেখেন।
বিডিআরের নির্দেশিত দিকে আমি আঙ্গুল তুলে বলি,
: ওই দিকে ?
: আরে কি করেন। হাত নামান। হাত তুইলা দেখাইয়েন না।
: কেন? গুলি মারবে?
: মারতেও পারে।
: আচ্ছা ওরাও কি আপনারে দেখে?
: হ দেখে। ওরা দূরবীন দিয়া দেখে বাংকারে বইয়া।
: আপনের দূরবীন কই?
: আমি আল্লাহর দূরবীন দিয়া দেখি।
আমি লোকটার চোখে তাকাই। ভ্রু কুঁচকে ক্রমাগত চোখ এপাশ ওপাশ করে কি যেন খুঁজছেন। কাঁধ থেকে ঝুলে থাকা রাইফেলটা শক্ত হাতে চেপে ধরে আছেন। আল্লাহর দেয়া দুই দুরবীন তখন চকচক করছে।
: আচ্ছা কাদের অস্ত্র বেশি আধুনিক? বিডিআরের না বিসিএফের?
: আমাগো বন্দুকগুলা ভালো।
: কিরকম?
: ওরা তো একটা গুলি মাইরা মুইতা ঠান্ডা কইরা আবার গুলি মারে। আমরা ততক্ষণে অনেকগুলা গুলি করতে পারি। চাইনিজ মাল তো।
: তাইলে পেপারে যে এতো পড়ি বিএসএফ খালি বিডিআর মারে।
: কারণ ওগো সিস্টেম ভালো।
: কিরকম সিস্টেম?
: হাত তুইলেন না। আমি যেদিকে কই হেদিক তাকান। দেখছেন ওই যে গাছের নিছে একটা ছোট ঘর। ওইটা একটা ওয়াচক্যাম্প। ওইখানে কমপক্ষে ৪টা বিএসএফ আছে। তারপর ডানদিকে দেখেন আধামাইলও হইব না আরেকটা। দেখছেন?
: না।
: আরে বড় গাছটার আড়ালে। ওইখানে আরো ৪/৫ জন আছে। ওগো ক্যাম্পগুলার মধ্যে চলাচলের লাইগা গাড়িও আছে। এহন যদি আমারে গুলি মারে তাইলে একলগে কয়টা মারতে পারব চিন্তা করেন। আমি যদি বাঁইচাও যাই, নদী পার হইয়া ক্যাম্পে যাইতে পারুম না। কারণ গুলির শব্দে সব মাঝিরা নৌকা নিয়া ঘাটে যাইব গা ভয়ে। আমার কাছে ওয়ারল্যাসও নাই যে ক্যাম্পে খবর পাঠামু।
: তাইলে আপনারা এভাবেই ডিউটি করেন? ভয় লাগে না?
: কিয়ের ভয়? আমার কোনো ডর ভয় নাই।
ডরভয়হীন অকুতোভয় এই সীমান্তরক্ষীরে আবারও একলা ফেলে আমরা চলে যাই। অহেতুক আত্মতৃপ্তি নিয়ে ফিরি - আমাগো চাইনিজ মাল, ওগো বন্দুক দিয়া গুলি বাইরাইলে মুইতা ঠান্ডা করতে হয়। কিন্তু ভাবি না ওই ‘সিস্টেম’-এর কথা। আল্লাহর/ ভগবানের দুরবীন দিয়া সীমান্ত পাহারায় পাঠিয়ে দিই হান্নান আর কৃষ্ণপদদের।
* * * * * * * * * * * * *
আমি ইন্ডিয়ায় ছিলাম টানা চারমাস। অম্লমধুর অনেক অভিজ্ঞতা সেখানে হয়েছিল। ইন্সটিউটের অনেকের সঙ্গেই বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলাপ হয়েছিল। দুয়েকজন অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি পাসপোর্ট নিয়ে এসেছ কেন এখানে? ইন্ডিয়ায় আসতে কি তোমাদের পাসপোর্ট লাগে? কই নেপালী কারো তো লাগে না।
এই অজ্ঞতা অবশ্য ইনস্টিউটের সবার ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশ নিয়ে সবারই একটা তাচ্ছিল্যভাব এবং আগডুম বাগডুম কল্পনা ছিল। এমনকি কলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে পাশ করা শ্বাশতীও তার কলেজ পর্যন্ত জানত বাংলাদেশে হিন্দুদের শুধু সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামেই দেখতে পাওয়া যায়। অনেকে এমন ভাব করত যে, নেপাল আর বাংলাদেশ ইন্ডিয়ারই স্টেট। শুধু দেশ হিসেবে এদেরকে দেখা হচ্ছে আরকি। অনেকই বিশ্বাস করত, আইএসআই-এর আরেকটা সদর দপ্তর বাংলাদেশে আছে। তাদের এ ধারণা যে ইন্ডিয়ার মিডিয়ার তৈরি সেটা আর বলাবাহুল্য।
ইন্সটিউটে আমার একবার হাতাহাতি হয়েছিল একজনের সঙ্গে। ‘বাংলাদেশ - ইট ইজ জাস্ট ফর ইন্দিরা গান্ধী’ এই বাক্যটার বিরুদ্ধে আমার যুক্তিতর্ক সে মানতে পারে নাই। আমাকে সেদিন সে ‘পিটাই’ করত যদি আশেপাশের কেউ না ঠেকাতো। ‘পড়াই কে লিয়ে’ আসার পর আমি বাংলাদেশ নিয়ে এতো কথা কেন বলি?
* * * * * * * * * * * * *
সম্প্রতি বিএসএফ কর্তৃক বিডিআর নিহত হওয়ার ঘটনায় আমি অবাক হই না। পাশ্ববর্তী দেশ হিসেবে ইন্ডিয়ার এই দাদাগিরি নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশকে অলমোস্ট নিজের বাজারে পরিণত করে নিয়েছে। বাংগালি জাতিকে আমি সবসময়ই বিপণনবিমুখ একটি জাতি হিসেবেই দেখি। তার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে রয়েছে দুর্নীতি। আর তারই সুযোগে প্রতিবেশি এই দেশটি দাদাগিরি ফলাচ্ছে। টেলিভিশনে ইন্ডিয়ান সংস্কৃতি আর পাকিস্তানি ইসলামি জোশের ঠেলায় হারাতে বসেছি বাংগালি কালচার। মুক্তিযুদ্ধ সাহায্য করেছে বলে এদেশীয় কিছু সুশীলের আনন্দবাজারীয় দালালি আর মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত কুত্তার বাচ্চাদের পাকিস্তানি পদলেহনে অস্থির হয়ে গেছে পুরো বাংলাদেশ। আর এসবের গ্যাড়াকলে পড়ে হান্নান আর কৃষ্ণপদেরা ঈদ-পূজায় দেশে যেতে পারে না ….
…. মেজাজ হঠাৎই খারাপ হয়ে গেছে। আর লিখলাম না ….
এ্যারে হুমায়ুন্যা … বালাছোত নি?
চিন্তা করার পারে না। তাই এসব টাইপ লোকদের এরম অসম প্রেম একটু ভাইবা চিন্তা করনের কাম। ধরেন যেমন হুমায়ুনপাঠক আছেন তেনারা যদি এইসব অসমপ্রেম আর বিয়া করন শুরু করে তাইলে কি অবস্থা দাড়াইব?



